নিজস্ব প্রতিনিধি, আরামবাগ: গ্রীষ্মের ছুটির পর সোমবারই খুলেছে স্কুল। কিন্তু দাবদাহ কমেনি। গরমের মধ্যে হাঁসফাঁস অবস্থা হচ্ছে খুদে ছাত্রছাত্রীদের। ওইদিন স্কুলগুলিতে পড়ুয়াদের উপস্থিতিও সন্তোষজনক ছিল না। তাই স্কুল চালু রেখে মর্নিং সেশন করার দাবি উঠেছে আরামবাগ মহকুমার শিক্ষা মহলে। দ্রুত এই ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আর্জি জানিয়েছেন স্কুলের শিক্ষকরাও। এই ব্যাপারে হুগলি জেলা পরিষদের শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ তথা মেন্টর সুবীর মুখোপাধ্যায় বলেন, মর্নিং সেশন করা যায় কি না] সেই ব্যাপারে প্রশাসনিক স্তরে আলোচনা চলছে। আরামবাগের কালীপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অরুণ নন্দী বলেন, গ্রীষ্মের ছুটির পর স্কুল খুললেও গরম কমেনি। পড়ুয়াদের অসুবিধা হচ্ছে তাতে। তাই মর্নিং সেশন চালু হলে ভালোই হয়। আরামবাগের তেলুয়া শিশু শিক্ষা সদনের প্রধান শিক্ষক কুন্তল ঘোষাল বলেন, গ্রীষ্মের ছুটির পর স্কুল খোলায় পড়ুয়াদের মধ্যে উৎসাহ রয়েছে। তাই তাদের উপস্থিতিও রয়েছে। কিন্তু গরম কমেনি। ছাত্রছাত্রীদের অসুবিধা হচ্ছে। তাই সকালে স্কুল হলেই পড়ুয়াদের সুবিধা হবে বলে মনে করি। গোঘাটের নবাসন বোর্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহ শিক্ষক মৃগাঙ্ক পান বলেন, গরমের জন্য স্কুলে টেকা যাচ্ছে না। পড়ুয়াদেরও গরমে সমস্যা হচ্ছে। অভিভাবকদের অনেকেই সকালে স্কুল চালু করার কথা বলছেন। গোঘাটের এক অভিভাবক শ্রীকান্ত পাল বলেন, গ্রীষ্মের ছুটির পর স্কুল খোলায় ছেলেমেয়েদের মনের মধ্যে আনন্দ আছে। তাই স্কুল যাচ্ছে। গরমের জন্য বাড়ি থেকে বোতলে করে জল দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু গরমের তীব্রতা থাকায় শিশু স্কুল থেকে ফিরে ক্লান্ত হয়ে পড়ছে। তাই স্কুল খোলা রেখে মর্নিং সেশন চালু হলে সবার জন্যই ভালো হবে। শিক্ষাদপ্তর বিষয়টি নিয়ে ভাবলে ভালো হয়।



