ব্রিসবেন: চলতি বর্ডার-গাভাসকর ট্রফিতে যশপ্রীত বুমরাহর উইকেট সংখ্যা দাঁড়াল ১৮। আর সেটাও এসেছে অবিশ্বাস্য ১১.২ গড়ে। ইকনমি রেট (২.৫৭) এবং স্টাইক রেটও (২৭.৩৩) নজরকাড়া। পরিসংখ্যান দেখাচ্ছে, সিরিজের তিনটি টেস্টেই খেলেছেন, এমন বোলারদের মধ্যে তাঁর গড়, ইকনমি রেট ও স্টাইক রেটই সেরা। তাৎপর্যের হল, এখনও পর্যন্ত চলতি সিরিজে সবচেয়ে বেশি বল (৪৯২) তিনিই করেছেন। তার কারণ একটাই, ভারতীয় বোলিং যে পুরোপুরি বুমবুম নির্ভর। গাব্বাতে তিনি একাই নিয়েছেন ৬ উইকেট। বাকি ৪ উইকেট ভাগ করে নিয়েছেন মহম্মদ সিরাজ, আকাশ দীপ ও নীতীশ রেড্ডি।
Advertisement
বুমবুম অবশ্য অতিরিক্ত চাপের কথা মানছেন না। প্রচারমাধ্যমের সামনে তাঁর সোজাসাপটা বক্তব্য, ‘আমরা একটা দল হিসেবে খেলি। একে অন্যের দিকে আঙুল তুলি না। তবে এখন একটা পালাবদলের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি আমরা। দলে নতুন ক্রিকেটাররা এসেছে। পাশাপাশি মাথায় রাখতে হবে যে, অস্ট্রেলিয়ায় ক্রিকেট খেলা মোটেই সহজ কাজ নয়। প্রতিটি ভেন্যুতেই অন্যরকম চ্যালেঞ্জ মজুত থাকছে। অন্যদের তুলনায় বেশিদিন ধরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলছি। তাই আমার দায়িত্ব বাকি বোলারদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া।’
বুমরাহ জানিয়েছেন, হালকা চোট নিয়েই বোলিং করেছে সিরাজ। সে জন্য তাঁর প্রশংসা করেছেন তিনি। বুমরাহর মতে, ‘পায়ে সমস্যা নিয়েও লড়াই ছাড়েনি ও। এই লড়াকু মানসিকতার প্রশংসা করতেই হবে। সিরাজ জানত যে, মাঠ ছেড়ে উঠে গেলে মুশকিলে পড়বে দল। ও তাই নিগল নিয়েই বল করেছে। আমি ওকে বলেছি যে, ভালো বোলিং করেও সবদিন সাফল্য মেলে না। তাই উইকেট নিয়ে না ভেবে ভালো বোলিংয়ে ফোকাস রাখা দরকার।’ সতীর্থদের পাশে দাঁড়িয়ে তাঁর আরও মন্তব্য, ‘খেলতে খেলতেই সবাই শেখে। কেউই অভিজ্ঞতা সঙ্গে নিয়ে জন্মায় না। সময়ের সঙ্গে ক্রমশ অভিজ্ঞতা বাড়ে। সেই সময়টা দিতে হবে ওদেরকে।’
চলতি সিরিজে ভারতীয় ব্যাটিংকেও দিশাহারা দেখাচ্ছে। প্রত্যেক টেস্টেই প্রথম ইনিংসে দুমড়ে-মুচড়ে পড়ছে দল। মহাতারকারা ক্রমাগত ব্যর্থ হয়েই চলেছেন। এই প্রসঙ্গে বুমরাহর বক্তব্য, ‘খেলাটা ১১জন ক্রিকেটারের। এটা কখনওই ভাবি না যে, আমাকে কতখানি বাড়তি পরিশ্রম করতে হচ্ছে। বরং বিভিন্ন রকম চ্যালেঞ্জ আমার কাছে আকর্ষণীয় মনে হয়। গাব্বায় যেমন রান-আপের জায়গাটা উইকেটের তুলনায় নীচু। চেষ্টা করেছি সেই সমস্যার সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে সেরাটা মেলে ধরার। এখন আর কোনও মতামতকেই গুরুত্ব দিই না। নিজের একশোভাগ দিতে পারছি কিনা, সেটাই যাচাই করি।’
বুমরাহ জানিয়েছেন, হালকা চোট নিয়েই বোলিং করেছে সিরাজ। সে জন্য তাঁর প্রশংসা করেছেন তিনি। বুমরাহর মতে, ‘পায়ে সমস্যা নিয়েও লড়াই ছাড়েনি ও। এই লড়াকু মানসিকতার প্রশংসা করতেই হবে। সিরাজ জানত যে, মাঠ ছেড়ে উঠে গেলে মুশকিলে পড়বে দল। ও তাই নিগল নিয়েই বল করেছে। আমি ওকে বলেছি যে, ভালো বোলিং করেও সবদিন সাফল্য মেলে না। তাই উইকেট নিয়ে না ভেবে ভালো বোলিংয়ে ফোকাস রাখা দরকার।’ সতীর্থদের পাশে দাঁড়িয়ে তাঁর আরও মন্তব্য, ‘খেলতে খেলতেই সবাই শেখে। কেউই অভিজ্ঞতা সঙ্গে নিয়ে জন্মায় না। সময়ের সঙ্গে ক্রমশ অভিজ্ঞতা বাড়ে। সেই সময়টা দিতে হবে ওদেরকে।’
চলতি সিরিজে ভারতীয় ব্যাটিংকেও দিশাহারা দেখাচ্ছে। প্রত্যেক টেস্টেই প্রথম ইনিংসে দুমড়ে-মুচড়ে পড়ছে দল। মহাতারকারা ক্রমাগত ব্যর্থ হয়েই চলেছেন। এই প্রসঙ্গে বুমরাহর বক্তব্য, ‘খেলাটা ১১জন ক্রিকেটারের। এটা কখনওই ভাবি না যে, আমাকে কতখানি বাড়তি পরিশ্রম করতে হচ্ছে। বরং বিভিন্ন রকম চ্যালেঞ্জ আমার কাছে আকর্ষণীয় মনে হয়। গাব্বায় যেমন রান-আপের জায়গাটা উইকেটের তুলনায় নীচু। চেষ্টা করেছি সেই সমস্যার সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে সেরাটা মেলে ধরার। এখন আর কোনও মতামতকেই গুরুত্ব দিই না। নিজের একশোভাগ দিতে পারছি কিনা, সেটাই যাচাই করি।’



