সংবাদদাতা, বনগাঁ: এক বধূকে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ উঠল স্বামীর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে বনগাঁ থানার উদয়পুর এলাকায়। মৃত বধূর নাম সুমনা হালদার ওরফে সুমিত্রা (২৪)। ঘটনার পর স্বামী উজ্জ্বল বিশ্বাস পালিয়ে যান। পরে তাঁকে আটক করেছে পুলিস। পালানোর সময় শরীরে চোট পাওয়ায় অভিযুক্তকে বনগাঁ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, পারিবারিক বিবাদ থেকেই এই খুন। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিস।
Advertisement
বনগাঁ ব্লকের সুন্দরপুর পঞ্চায়েতের উদয়পুরের বাসিন্দা উজ্জ্বল পরিযায়ী শ্রমিকের কাজ করেন। কাজের সূত্রে বিভিন্ন সময় বাইরে থাকেন তিনি। এলাকায় তাঁর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ রয়েছে বাসিন্দাদের। তাঁদের দাবি, এর আগেও দু’টি বিয়ে করেছিলেন উজ্জ্বল। নানারকম নেশা করতেন। সুমনার সাথে তৃতীয় বিয়ে হয় কয়েক বছর আগে। অভিযোগ মাঝেমধ্যে স্বামী, স্ত্রীর মধ্যে ঝামেলা হতো। কয়েকদিন আগে সুমনা বাপের বাড়ি যান। বৃহস্পতিবার সকালেই বাপের বাড়ি থেকে শ্বশুরবড়িতে আসেন। অভিযোগ এদিন সকালে বাড়িতে আসলে সুমনার সঙ্গে উজ্জ্বলের ঝামেলা শুরু হয়। হঠাৎই উজ্জ্বল ধারালো অস্ত্র দিয়ে সুমনাকে এলোপাথাড়ি কোপাতে শুরু করেন। তাতেই মৃত্যু হয় সুমনার। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে পুলিস। সুমনাকে উদ্ধার করে বনগাঁ হাসপাতালে নিয়ে আসে।
জানা গিয়েছে, পুলিস আসার খবর পেয়ে ছাদ থেকে লাফ দিয়ে পালিয়ে যান অভিযুক্ত স্বামী উজ্জ্বল। পরে পুলিস তাঁকে আটক করে। উজ্জ্বলের মা আলো হালদার বলেন, দু’জনের মধ্যে ঝগড়া হচ্ছিল। পরে ঘরে রক্তাক্ত অবস্থায় বউমাকে পড়ে থাকতে দেখি। কী হয়েছে আমি জানি না। সুমনার বাপের বাড়ির পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ করা হয়েছে।
জানা গিয়েছে, পুলিস আসার খবর পেয়ে ছাদ থেকে লাফ দিয়ে পালিয়ে যান অভিযুক্ত স্বামী উজ্জ্বল। পরে পুলিস তাঁকে আটক করে। উজ্জ্বলের মা আলো হালদার বলেন, দু’জনের মধ্যে ঝগড়া হচ্ছিল। পরে ঘরে রক্তাক্ত অবস্থায় বউমাকে পড়ে থাকতে দেখি। কী হয়েছে আমি জানি না। সুমনার বাপের বাড়ির পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ করা হয়েছে।



