নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: স্টেশনের নাম সহ সবিস্তারে উল্লেখ করতে হবে রক্ষণাবেক্ষণে ঘাটতির তালিকা। ক্যাগ রিপোর্টে কোণঠাসা রেল কর্তৃপক্ষ এবার চিঠি পাঠাল সবক’টি জোনকে। রেল স্টেশনে যেখানে পানীয় জলের উৎস, সেখানেই করতে হবে কেমিক্যাল ল্যাব টেস্ট। সময় মেপে রিপোর্ট জমা দিতে হবে রেল বোর্ডের কাছে। সোমবার এমনই নির্দেশিকা জারি করেছে রেলমন্ত্রক।
সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন রেল স্টেশনে ন্যূনতম যাত্রী পরিষেবার অভাব নিয়ে সংসদে রিপোর্ট পেশ করেছে ক্যাগ। সেই রিপোর্টে রেলকে কার্যত তুলোধনা করা হয়েছে। ন্যূনতম যাত্রী পরিষেবার মধ্যে অন্যতম হল বিভিন্ন রেলওয়ে স্টেশনে পর্যাপ্ত পানীয় জলের অভাব। কিছু স্টেশনে পানীয় জল থাকলেও তা পরিশুদ্ধ নয়। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে কেমিক্যাল টেস্টে বিপজ্জনক ই-কোলাই ব্যাকটেরিয়াও পাওয়া গিয়েছে। রিপোর্ট প্রকাশ পেতেই হইচই পড়ে যায়। চরম অস্বস্তিতে পড়ে রেলমন্ত্রক। এমনই প্রেক্ষাপটে এবার স্টেশনে স্টেশনে পানীয় জল নিয়ে মাত্রাতিরিক্ত সচেতন হচ্ছে রেলমন্ত্রক। নিয়মিতভাবে ওভারহেড ট্যাঙ্ক সাফাই করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি, যেসব স্টেশনে ওয়াটার পিউরিফায়ার রয়েছে, সেগুলিতে আরও কড়া নজরদারির কথাও বলা হয়েছে। যে সমস্ত স্টেশনে জলের পাইপ ফেটেছে কিংবা ‘লিকেজ’ হচ্ছে, সেগুলি অবিলম্বে সারাই করতে হবে। যেখানে ইতিমধ্যেই এসংক্রান্ত কাজ শুরু হয়েছে, সেখানে আরও দ্রুততার সঙ্গে তা করতে হবে।
অন্যদিকে, এদিন আইআরসিটিসিকে নির্দেশ দিয়ে রেল বোর্ডের চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, খাবার সংক্রান্ত অভাব অভিযোগ সরাসরি রেল যাত্রীদের কাছ থেকে নিতে হবে। সেইমতো পদক্ষেপ করতে হবে। নিয়মিতভাবে বেস কিচেনগুলিতে পরিদর্শন করতে হবে। নজর রাখতে হবে রেল-মদত অ্যাপেও।