নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: টাকি রোড আলোকিত করতে উদ্যোগী হল কদম্বগাছি পঞ্চায়েত। রাস্তাটিতে বসানো হবে পথবাতি। এজন্য বরাদ্দ হয়েছে ২৫ লক্ষ টাকা। মে মাসের প্রথম সপ্তাহেই এই কাজ শুরু হয়ে যাবে।
নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: টাকি রোড আলোকিত করতে উদ্যোগী হল কদম্বগাছি পঞ্চায়েত। রাস্তাটিতে বসানো হবে পথবাতি। এজন্য বরাদ্দ হয়েছে ২৫ লক্ষ টাকা। মে মাসের প্রথম সপ্তাহেই এই কাজ শুরু হয়ে যাবে।
আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে টাকি রোডের গুরুত্ব অপরিসীম। বারাসতের চাঁপাডালি মোড় থেকে সহজেই টাকি রোড ধরে বাংলাদেশের সীমান্ত ঘোজাডাঙায় পৌঁছনো যায়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে প্রশস্ত হয়েছে এই রাস্তা। ফলে, গাড়ির গতিও আগের তুলনায় বেড়েছে। বারাসত শহরের পরেই রয়েছে কদম্বগাছি পঞ্চায়েত। টাকি রোডের উপর এই পঞ্চায়েতের বিস্তীর্ণ এলাকা সন্ধ্যার পর থেকেই অন্ধকার হয়ে যায়। ফলে, মানুষের যাতায়াতের ক্ষেত্রে সমস্যা হয়। এই অন্ধকারের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে মাঝেমধ্যেই ছোটখাট অপ্রীতিকর ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগ।
এই অবস্থার পরিবর্তন করতেই এবার এগিয়ে এল পঞ্চায়েত। ঠিক হয়েছে, টাকি রোডের প্রায় দুই কিলোমিটার রাস্তার উপর বসানো হবে পথবাতি। ইতিমধ্যেই পূর্তদপ্তরের পক্ষ থেকে এজন্য অনুমতি মিলেছে। পাশাপাশি আলো বসানোর জন্য ওয়ার্ক অর্ডারও দেওয়া হয়ে গিয়েছে ঠিকাদার সংস্থাকে। পঞ্চায়েতের অন্তর্গত ধর্মতলা থেকে কদম্বগাছি ঘোষপাড়া পর্যন্ত ৭০টি পথবাতি বসানো হবে। এজন্য খরচ হবে ২৫ লক্ষ ৩৭ হাজার ৩৫০ টাকা। মূলত দেগঙ্গার বিধায়ক রহিমা মণ্ডলের এলাকা উন্নয়ন তহবিলের টাকাতেই এই কাজ হবে।
অন্যদিকে, বারাসত লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ ডাঃ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের এলাকা উন্নয়ন তহবিলের প্রায় চার লক্ষ টাকায় পঞ্চায়েতের উলা গ্রামে হাইমাস্ট লাইট বসেছে। এ বিষয়ে পঞ্চায়েতের পূর্ত সঞ্চালক নিজামুল কবির বলেন, সমস্ত নিয়ম মেনেই এই কাজ মে মাস থেকে শুরু হবে। রাস্তার একধারে এই আলো বসবে। সন্ধ্যার পরই অন্ধকার হয়ে যেত রাস্তা। ফলে মানুষের দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধান হবে। এই আলোর জন্য বিদ্যুতের খরচ বহন করবে পঞ্চায়েত। আর স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ বলছেন, হিসেব অনুযায়ী প্রতিটি স্ট্রিট লাইটের জন্য খরচ হবে তিন লক্ষ ৬২ হাজার টাকা। ফলে, আশা করি আলোগুলি দীর্ঘমেয়াদী হবে।