ম্যাঞ্চেস্টার: ভারত ও ইংল্যান্ডের লড়াই শুধু বাইশ গজেই চলছে না। বরং মাঠের বাইরেও তা একইরকম উত্তেজক হয়ে উঠছে। চতুর্থ টেস্ট শুরুর আগে দুই ক্যাপ্টেনের দাবি, পাল্টা দাবিতে সরগরম ওল্ড ট্রাফোর্ড।
ম্যাঞ্চেস্টার: ভারত ও ইংল্যান্ডের লড়াই শুধু বাইশ গজেই চলছে না। বরং মাঠের বাইরেও তা একইরকম উত্তেজক হয়ে উঠছে। চতুর্থ টেস্ট শুরুর আগে দুই ক্যাপ্টেনের দাবি, পাল্টা দাবিতে সরগরম ওল্ড ট্রাফোর্ড।
ভারত অধিনায়ক শুভমান গিল তো রীতিমতো বিস্ফোরক। তাঁর অভিযোগ, হোমটিম মোটেই ক্রিকেটের স্পিরিট মেনে খেলছে না। লর্ডস টেস্টের তৃতীয় দিনের বিকেলে ইংল্যান্ডের দুই ওপেনারের সময় নষ্ট নিয়ে সরব গিল বলেছেন, ‘সেদিন সাত মিনিট বাকি ছিল খেলার। কিন্তু ওরা ব্যাট করতেই এল ৯০ সেকেন্ড পরে। ১০-২০ সেকেন্ড নয়, নব্বই সেকেন্ড দেরিতে। হাঁ, অধিকাংশ দলই সময় নষ্ট করতে চাইত। আমরা থাকলেও চাইতাম কম ওভার খেলতে। কিন্তু তারও একটা পদ্ধতি রয়েছে। শরীরে বল লাগলে ফিজিওর মাঠে আসা নিয়ে তাই কিছু বলার নেই। কিন্তু দেড় মিনিট দেরিতে ব্যাট করতে আসা ক্রিকেটের স্পিরিটের সঙ্গে যায় না।’
দুই দলের ক্রিকেটারদের মধ্যে চলছে স্লেজিং, কথা কাটাকাটিও। তা নিয়েও উত্তাপ বাড়ছে উভয় শিবিরে। ইংল্যান্ডের ক্যাপ্টেন বেন স্টোকসের মতে, ‘এটা মোটেই পরিকল্পনামাফিক করছি না। তাহলে তো ফোকাসই নড়ে যাবে। আসল কাজটা থেকে মনঃসংযোগ হারিয়ে ফেলব। কিন্তু এমন উত্তেজক পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে যে মুখ খুলতেই হচ্ছে। এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সিরিজ। সেরাটা মেলে ধরার জন্য উভয় দলের উপরই চাপ রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে উত্তেজনার ফুলকি বেরতেই পারে। তবে বিপক্ষ কিছু বললে আমরাও পিছনে হঠে যাওয়ার বান্দা নই। সেক্ষেত্রে আমরাও পাল্টা দেব। ছেড়ে কথা বলব না কোনও ভাবেই।’
মাঠে ক্রিকেটারদের মধ্যে তৈরি হওয়া টেনশন নিয়ে গিলও মুখ খুলেছেন। তাঁর কথায়, ‘সবার জ্ঞাতার্থে জানাই যে, এমন অনেক কিছুই হয়েছে যা উচিত ছিল না। এটা বলছি না, এর জন্য আমি দারুণ গর্বিত। কিন্তু কোনও কিছুই হুট করে হয়নি। নেপথ্যে কারণ ছিল। আমরা উত্তেজনা ছড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামি না। কিন্তু জেতার জন্য মরণপণ সংগ্রামের সময় আবেগ জড়িয়ে থাকে। তখন যা হওয়া উচিত নয়, এমন কিছু দেখলে নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায় না।’