নয়াদিল্লি: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পাল্টা শুল্ক নীতি ৩ মাসের জন্য স্থগিত হতেই চাঙ্গা ভারতের শেয়ার বাজার। শুক্রবার, ১১ এপ্রিল সপ্তাহের শেষ লেনদেনের দিনে লাফিয়ে বাড়ল বম্বে ও ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জের সূচক। যার ফলে মুখে হাসি ফুটল লগ্নিকারীদের। অন্যদিকে, মার্কিন ডলারের সাপেক্ষে টাকার দামেও এদিন কিছুটা উন্নতি হয়েছে। ডলারের নিরিখে টাকার দাম ৬১ পয়সা বেড়ে ৮৬.০৯ টাকায় থিতু হয়েছে।
এদিন ৭৫,১৫৭.২৬ পয়েন্টে উঠে বন্ধ হয় সেনসেক্স। বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জের (বিএসই) শেয়ার সূচকে ১,৩১০.১১ পয়েন্টের বৃদ্ধি দেখা গিয়েছে, যেটা ১.৭৭ শতাংশ। অন্য দিকে, নিফটি উঠেছে ২২,৮২৮.৫৫ পয়েন্টে। ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জের (এনএসই) সূচক বেড়েছে ১.৯২ শতাংশ বা ৪২৯.৪০ পয়েন্ট।
অন্যদিকে, সামগ্রিকভাবে দেশের শিল্পোৎপাদনে বৃদ্ধির হার একধাক্কায় অনেকটাই কমেছে। শুক্রবার ন্যাশনাল স্ট্যাটিস্টিকস অফিসের প্রকাশিত সরকারি পরিসংখ্যানে বলা হয়েছে, গত ফেব্রুয়ারি মাসে দেশের শিল্পজাত পণ্যের উৎপাদন বৃদ্ধির হার (ইন্ডেক্স অব ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রোডাকশন বা আইআইপি) কমে হয়েছে মাত্র ২.৯ শতাংশ। যা শেষ ছ’মাসের নিরিখে সর্বনিম্ন। অথচ, তার আগের মাসেও এই বৃদ্ধির হার ছিল ৫.২ শতাংশ।
শিল্পোৎপাদনের ক্ষেত্রগুলির মধ্যে একমাত্র বিদ্যুৎক্ষেত্রেই পরিস্থিতি কিছুটা ইতিবাচক রয়েছে। এই ক্ষেত্রে বৃদ্ধির হার ছিল ৩.৬ শতাংশ। যা আগের মাসের তুলনায় (২.৪ শতাংশ) অনেকটাই বেশি। কিন্তু, পণ্য উৎপাদন ও খনি শিল্পে বৃদ্ধির হার লাগাতার নিম্নমুখীই রয়েছে। গত জানুয়ারি মাসে পণ্য উৎপাদন ও খনি শিল্পে বৃদ্ধির হার ছিল যথাক্রমে ৫.৮ শতাংশ এবং ৪.৪ শতাংশ। গত ফেব্রুয়ারিতে তা কমে হয় যথাক্রমে ২.৯ শতাংশ এবং ১.৬ শতাংশ। এর মধ্যে খনি শিল্পে উৎপাদন সংক্রান্ত বৃদ্ধির হার গত ৪ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন ছিল।