Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

স্টান্স বদলেই বিরাটের সেঞ্চুরি: গাভাসকর

স্টান্স বদলেই বিরাটের সেঞ্চুরি: গাভাসকর
  • ২৮ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
পারথ: টেস্টে ১৬ ইনিংস পর তিন অঙ্কের রানে ফিরেছেন বিরাট কোহলি। বর্ডার-গাভাসকর ট্রফির প্রথম টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে দুরন্ত শতরান হয়ে উঠছে তাঁর ফর্মে ফেরার ঘোষণা। সম্প্রতি ভিকে’র ব্যাটে রানের খরা চিন্তায় রেখেছিল সমর্থকদের। ঘরের মাঠে সদ্য নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে তিন টেস্টের সিরিজে একশোর গণ্ডিও পেরতে পারেননি তিনি। অনেকেই ভাবছিলেন, ডনের দেশেই না তাঁর টেস্ট কেরিয়ারে ইতি পড়ে যায়। অপরাজিত ১০০ তাই হয়ে উঠছে বিশাল স্বস্তি। এর নেপথ্যে বিরাটের স্টান্সের পরিবর্তনকে দেখাচ্ছেন সুনীল গাভাসকর।
Advertisement
প্রথম ইনিংসে ক্রিজ ছেড়ে অনেকটাই বেরিয়ে দাঁড়াচ্ছিলেন কোহলি। গার্ড নিচ্ছিলেন মিডল স্টাম্পে। বল খেলার মুহূর্তে শাফল করে ঢুকে পড়ছিলেন আরও। ফলে পঞ্চম স্টাম্পের বলেও খোঁচা মারার প্রবণতা স্বাভাবিক। তিনি আউটও হন আচমকা বাউন্সে ব্যাট ছুঁইয়ে। দ্বিতীয় ইনিংসেে কোহলি গার্ড নেন লেগ-মিডল স্টাম্পে। দাঁড়ান ক্রিজের ঠিক বাইরে। ফলে অফস্টাম্প ঠিক কোথায় তা বিচার করতে সুবিধা হয়। অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসীও দেখায় তাঁকে। কিংবদন্তি ওপেনারের মতে, ‘দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে আসার সময় খুব রিল্যাক্সড দেখাচ্ছিল বিরাটকে। প্রথম ইনিংসে তা ছিল না। হতে পারে, দ্রুত দুই উইকেট পড়ে যাওয়ার কারণে চাপে ছিল ও। দ্বিতীয় ইনিংসে স্টান্স পাল্টে ফেলে বিরাট। সেটাই কাজে আসে। এটা লক্ষ্য করেছি যে, দুটো পায়ের মধ্যে ব্যবধান ইনিংসের শুরুতে সামান্য বেশি ছিল। তারপর ফারাক কিছুটা কমিয়ে আনে ও। আর তার ফলে যে উচ্চতায় বলগুলো খেলতে চাইছিল, তা পেয়ে যায়। অস্ট্রেলিয়ার বাউন্সযুক্ত পিচে এটাই সুবিধা।’ তিনি আরও বলেন, ‘হ্যাজলউডের বলে মিড-উইকেটে কোহলির মারা বাউন্ডারিটা আমার দুর্দান্ত লেগেছে। ওটা একেবারেই সহজ ছিল না। স্টান্স যেমন থাকে তাতে বরং স্ট্রেট ড্রাইভ নেওয়া সুবিধার। কিন্তু মিড উইকেটে ওভাবে মারা স্রেফ ম্যাজিক।’
টেনিসে রজার ফেডেরার, রাফায়েল নাদাল, নোভাক জকোভিচের সঙ্গে কোহলির তুলনা করেছেন সানি। বলেছেন, ‘ফেডেরার, নাদাল, জকোভিচ কোনও প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন না হলেই গেল-গেল রব উঠত। কারণ, ওদের থেকে ট্রফিই প্রত্যাশা করা হয়। তাই এমনকী সেমি-ফাইনালে হারলেও ব্যর্থতার তকমা সেঁটে যায়। কোহলির ক্ষেত্রেও ব্যাপারটা তাই। ওর কাছে সেঞ্চুরিই আশা করে সবাই। অবশ্য নিয়মিত শতরান করে প্রত্যাশাটা বাড়িয়ে দিয়েছে নিজেই। আর তাই ৭০-৮০ করলেও মন ভরে না। বলা হয়, রান পাচ্ছে না। আমরা, ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীরা আসলে আইডল কিংবা আইকনের থেকে সেঞ্চুরিই দেখতে চাই। সেজন্যই গত বছরের জুলাইয়ের পর টেস্টে শতরান না আসা নিয়ে চর্চা চলছিল। অথচ, সেঞ্চুরিটা এসেছিল গত বছরই!’
সম্পর্কিত সংবাদ