Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

চাষির থেকে ধানক্রয়ে গতি বাড়াতে অস্থায়ী কেন্দ্রের উপর জোর রাজ্যের

চাষির থেকে ধানক্রয়ে গতি বৃদ্ধিতে অস্থায়ী কেন্দ্রগুলিকে আরো চাঙা করছে রাজ্য খাদ্যদপ্তর। সম্প্রতি দপ্তরের প্রধানসচিব পারভেজ আহমেদ সিদ্দিকির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক পর্যালোচনা বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

চাষির থেকে ধানক্রয়ে গতি বাড়াতে অস্থায়ী কেন্দ্রের উপর জোর রাজ্যের
  • ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৫:০২
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: চাষির থেকে ধানক্রয়ে গতি বৃদ্ধিতে অস্থায়ী কেন্দ্রগুলিকে আরো চাঙা করছে রাজ্য খাদ্যদপ্তর। সম্প্রতি দপ্তরের প্রধানসচিব পারভেজ আহমেদ সিদ্দিকির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক পর্যালোচনা বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই সংক্রান্ত নির্দেশ পাঠানো হয়েছে জেলাগুলিকে। মূলত প্রাথমিক কৃষি সমবায় সমিতিগুলির মাধ্যমেই অস্থায়ী শিবির খুলে ধান কেনা হয়। খাদ্যদপ্তরের নির্দেশ, অস্থায়ী ক্রয়কেন্দ্রগুলি বিভাগী অফিসারদের পরিদর্শন করতে হবে। শিবির খোলার ব্যাপারে চাষিদের যথাযথভাবে অবহিত করতে ব্যাপক প্রচারের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। ধান বেচার জন্য চাষির নাম আগাম নথিভুক্ত করতে হবে। অস্থায়ী শিবির থেকে ধান সংগ্রহ করতে হবে দায়িত্বপ্রাপ্ত রাইস মিলকেই। অন্যথায় তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে দপ্তর। প্রয়োজনে তাদের কালো তালিকাভুক্তও করা হবে এবং তারা আর ধান পাবে না। স্থায়ী ক্রয়কেন্দ্রগুলি সাধারণভাবে চাষির বাড়ি থেকে দূরেই। তাই গ্রামে গ্রামে চাষির বাড়ির কাছে অস্থায়ী শিবিরে ধান বিক্রির আগ্রহ বেশিই থাকে। যদিও স্থায়ী কেন্দ্রে ধান বেচলে কুইন্টাল প্রতি ২০ টাকা হারে বোনাস মেলে। গরিব ও প্রান্তিক চাষির থেকে বেশি পরিমাণে ধান কেনার জন্য  খাদ্যদপ্তর অস্থায়ী শিবিরগুলিকে চাঙা রাখার উপর জোর দিয়েছে। 

Advertisement

ধানক্রয়ে কিছুটা পিছিয়ে থাকা জেলাগুলিকে গতিবৃদ্ধির নির্দেশ দিয়েছে খাদ্যদপ্তর। ধান সংগ্রহে ঘাটতির কারণ জানতে বলা হয়েছে। সুরাহার ব্যবস্থা নিতে হবে সেইমতোই। সেক্ষেত্রে চাষিদের উৎসাহ বাড়ানোর জন্য প্রচারে জোর দিতে হবে। পর্যাপ্ত পরিমাণ ফর্টিফায়েড রাইস কারনেল (এফআরকে) পাঠানো সত্ত্বেও ধান থেকে পুষ্টিকর চাল উৎপাদনের পরিমাণ সন্তোষজনক নয়। মনে করছে খাদ্যদপ্তর। রাইস মিলগুলিতে ইতিমধ্যেই ৬,১৮০ টন এফআরকে সরবরাহ করা হয়েছে। এই পরিমাণ এফআরকে থেকে ৬ লক্ষ টন চাল উৎপাদন সম্ভব। কিন্তু  ২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সরকারের ঘরে ৩ লক্ষ ২০ হাজার টন চাল জমা পড়েছে। উল্লেখ্য, প্রায় ৩৯ লক্ষ টন ধান রাইস মিলগুলিতে পাঠানো হয়েছে চাল উৎপাদনের জন্য। আগামী দিনে এফআরকের সরবরাহ আরো বাড়বে বলে দপ্তর জানিয়েছে। এর জেরে চাল উৎপাদনের ক্ষেত্রে আর কোনো সমস্যা হওয়ার কথা নয় বলেই মনে করছে দপ্তর। জেলা খাদ্য নিয়ামকদের এই বিষয়টির উপর বিশেষ নজর দিতে বলা হয়েছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ