Bartaman Logo
৩০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

‘জননী’তে মিশে যাচ্ছে ‘মাতৃমা’, রাজ্যের প্রকল্পগুলি জুড়ছে কেন্দ্রীয় পোর্টালে

মাতৃমা প্রকল্পটি এখন জননীতে মিশছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য পোর্টালে নতুন তথ্য যুক্ত হচ্ছে। কীভাবে প্রভাব ফেলবে স্বাস্থ্য সেবায়? বিস্তারিত পড়ুন।

‘জননী’তে মিশে যাচ্ছে ‘মাতৃমা’, রাজ্যের প্রকল্পগুলি জুড়ছে কেন্দ্রীয় পোর্টালে
  • ৩০ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ‘জননী’তে মিশছে ‘মাতৃমা’। শুনতে একটু খটোমটো লাগলেও এটাই বাস্তব। পূর্বতন তৃণমূল সরকারে স্বাস্থ্যদপ্তরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলির একটি ছিল নিজস্ব নামকরণের ‘মাতৃমা’ প্রকল্প। মা ও শিশুর স্বাস্থ্য এবং সেই সংক্রান্ত বিভিন্ন কর্মসূচি ও টিকাকরণ— এই বিষয়গুলি ছিল ‘মাতৃমা’ পোর্টালে। যদিও কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকে এই নামে আদৌ কোনো পোর্টাল ছিল না। কেন্দ্রীয় প্রকল্পটির নাম ছিল রিপ্রোডাকটিভ অ্যান্ড চাইল্ড হেলথ(আরসিএইচ)। এতদিন ‘মাতৃমা’ নামে পূর্বতন সরকার প্রকল্পটি চালাত। এই জাতীয় প্রকল্পের কেন্দ্রের দেওয়া নতুন নাম হল ‘জননী’। থাকছে মা ও শিশুর স্বাস্থ্য এবং টিকাকরণ কর্মসূচি ‘ইউ উইন’। 

Advertisement

স্বাস্থ্যদপ্তরের অন্যতম শীর্ষ সূত্র জানিয়েছে, রা঩জ্যের শীর্ষ মহলের গ্রিন সিগন্যাল পাওয়ার পর ‘মাতৃমা’র যাবতীয় তথ্যাবলি মিশছে কেন্দ্রীয় প্রকল্প ‘জননী’তে। আলাদা করে এরপর থেকে আর ‘মাতৃমা’র কোনো অস্তিত্ব থাকবে না। ১ জুলাই ডক্টর্স ডে’ অনুষ্ঠানে সরকারি তরফে নয়া অভিন্ন পোর্টালে যুক্ত হওয়ার কথা উল্লেখ করা হতে পারে। সেজন্য যুদ্ধকালীন তৎপরতায় পূর্বতন সরকারের বিভিন্ন স্বাস্থ্য প্রকল্পের তথ্য কেন্দ্রীয় প্রকল্পে ইন্টিগ্রেশনের কাজ চলছে স্বাস্থ্যভবনে। 
স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় সরকার স্বাস্থ্যের যাবতীয় কর্মসূচিগুলি ভল্ট বা সিন্দুকের মতো জায়গায় সংরক্ষণ ও ব্যবহারের জন্য রাখতে নয়া অভিন্ন পোর্টাল চালু করেছে—‘স্বাস্থ্য ভারত’। ধাপে ধাপে সেখানে থাকবে আনুমানিক ২২টি স্বাস্থ্যপ্রকল্প। পশ্চিমবঙ্গসহ বিভিন্ন রাজ্যের বিভিন্ন স্বাস্থ্যসূচক, পরিসংখ্যান, জরুরি তথ্য—যখন মনে হবে এই ভল্ট থেকে পাওয়া যাবে। 
এখনো পর্যন্ত এই পোর্টালে রয়েছে যেসব গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যপ্রকল্প, সেগুলি হল—জননী, এনসিডি বা নন কমিউনিকেবল ডিজিজ (সুগার, প্রেশার, স্ট্রোক, ক্যানসার ইত্যাদি), ইউ-উইন (টিকাকরণ), নি-ক্ষয় (যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণের জাতীয় কর্মসূচি), এসডিডি (ন্যাশনাল সিকল সেল অ্যানিমিয়া এলিমিনেশন মিশন) এবং প্রধানমন্ত্রী ন্যাশনাল ডায়ালিসিস প্রোগ্রাম (পিএমএনডিপি)। কেন্দ্রের দাবি, দেশজুড়ে এই প্রকল্পের মোট উপভোক্তার সংখ্যা প্রায় ৩৫ কোটি। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ