নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: নতুন রেশন ডিলারশিপ পাওয়ার ক্ষেত্রে জমি সংক্রান্ত নিয়ম কিছুটা শিথিল করল খাদ্যদপ্তর। রেশন দোকান ও গুদাম তৈরির জন্য চিহ্নিত জমির চরিত্রবদলের ক্ষেত্রে নিয়মের কিছুটা পরিবর্তন করা হয়েছে। খাদ্যদপ্তর জানাচ্ছে, নতুন ডিলারশিপের জন্য বেশকিছু আবেদনপত্র বাতিল হয়ে যাচ্ছিল। কারণ ওই আবেদন জমার পরই জমির চরিত্রবদলের আরজি পেশ করা হয়েছিল। এর সুরাহার জন্য নতুন নিয়ম চালু করা হয়েছে। খাদ্যদপ্তরের এই সংক্রান্ত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আবেদনকারীর জমি বাস্তু, বাণিজ্যিক বা অকৃষি না-হলে তার চরিত্রবদল জরুরি। সেক্ষেত্রে ডিলারশিপের আবেদনপত্র জমার ৩০ দিনের মধ্যে জমির চরিত্রবদলের আরজি গ্রাহ্য হবে। আবেদনকারী অফার লেটার পাওয়ার তিনমাসের মধ্যে জমির চরিত্রবদলের শংসাপত্র জমা দিতে পারবেন। খাদ্যদপ্তর সূত্রের খবর, রাজ্যজুড়ে বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায় আরো বেশি সংখ্যক রেশন ডিলারশিপ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সেখানকার একটি দোকানে বহু গ্রাহক থাকেন, সংখ্যাটি ১৫-২০ হাজার পর্যন্ত! এতে সাধারণ মানুষকে রেশন তুলতে কিছুটা অসুবিধায় পড়তে হয়। তাঁদের সুরাহার জন্যই নতুন ডিলারশিপ দেব রাজ্য। এতে নতুন কর্মসংস্থানও হবে। একটি রেশন দোকানে দু-তিনজনের চাকরি হয়। রেশন ডিলারশিপ পেলে কোনো সরকারি দপ্তরে বা সরকারি সংস্থায় চাকরি করা যায় না। এমনকি স্বামী বা স্ত্রী সরকারি দপ্তর বা সরকারি সংস্থার কর্মী হলেও এই সুযোগ মেলে না।



