নয়াদিল্লি: বিধানসভা ভোটে তামিলনাড়ুতে হেরে গিয়েছিল ডিএমকে-কংগ্রেস জোট। ভোট পরবর্তী পর্বে বিজয়ের টিভিকের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে কংগ্রেস। এই ঘটনায় বিচ্ছেদ ঘটেছে কংগ্রেস-ডিএমকের সম্পর্কে। রাহুল গান্ধীকে কড়া ভাষায় আক্রমণও শানিয়েছে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিনের দল। এবার তিক্ততা ভুলে সম্পর্ক মেরামতের বার্তা দিলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা। উপলক্ষ্য, রায়বেরিলির সাংসদের ৫৬ তম জন্মদিন। এদিন তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেইসঙ্গে তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, সপা নেতা অখিলেশ যাদব, উদ্ধব থ্যাকারে থেকে শুরু করে দেশের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা। শুভেচ্ছা জানিয়েছেন স্ট্যালিনও। এজন্য ডিএমকে নেতাকে ধন্যবাদ জানিয়ে রাহুলের বার্তা নজর কেড়েছে। বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে রাহুল লিখেছেন, ‘ভারতের ধারণা, সংবিধান ও যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোকে রক্ষায় অভিন্ন সংকল্প আমাদের পথ দেখাবে। গণতন্ত্রের জন্য এই সংগ্রামে জয়ী না হওয়া পর্যন্ত একসঙ্গে লড়াই চালিয়ে যাব।’ চলতি পরিস্থিতিতে রাহুলের এই বার্তাকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এদিন রাহুলকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী বিজয়। রাহুলের জন্মদিনে দিল্লির তালকোটরা স্টেডিয়ামে চাকরি মেলা আয়োজন করে যুব কংগ্রেস। সেখানে প্রায় ৩৫ হাজার প্রার্থী নাম নথিভূক্ত করেন বলে সংগঠনের দাবি। এরইমধ্যে বারাণসীর ঘাটে রাহুলকে পরশুরামের বেশে রুদ্রাভিষেক করে বিতর্কে জড়ালেন কংগ্রেসের নেতা-কর্মীরা। রাহুলের ওই ছবিতে দুধও ঢালা হয়। এই ঘটনার সমালোচনায় সরব উত্তরপ্রদেশের উপ মুখ্যমন্ত্রী ব্রিজেশ পাঠক। তিনি বলেন, ‘রাহুল গান্ধীর সঙ্গে পরশুরামের তুলনা অকল্পনীয়। যারা সনাতন ধর্মের অবমাননা করেন, তারাই এই কাজ করার কথা ভাবতে পারেন।’



