নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: আলাদা কোনও বাজেট বরাদ্দ হয় না। সবটাই বাস্তবায়িত হচ্ছে ‘কাস্টমার অ্যামিনিটিজ’ ক্যাটিগরির আওতায়। অথচ আলাদা বাজেট বরাদ্দ হলে প্রকল্পের কাজে যথাযথ নজরদারির পাশাপাশি অগ্রগতি মূল্যায়নে সুবিধা হত। বাড়ত স্বচ্ছতাও। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাধের অমৃত ভারত স্টেশন প্রকল্প নিয়ে রেলকে এভাবেই তুলোধনা করেছে সংসদের কমিটি অন এস্টিমেটস। যার নেতৃত্বে বিজেপি সাংসদ সঞ্জয় জয়সওয়াল।
Advertisement
রিপোর্টে আরও কয়েকটি বিষয় নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেছে কমিটি। কতদিনে প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে? স্টেশনের রক্ষণাবেক্ষণ কীভাবে হবে? এমন সমস্ত প্রশ্নের কোনও সঠিক দিশা নির্দেশ রেলমন্ত্রক দেয়নি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। সংসদীয় কমিটির এহেন রিপোর্ট ঘিরে শুরু হয়েছে চর্চা। প্রশ্ন উঠেছে, অমৃত ভারত স্টেশন প্রকল্প নিয়ে মোদি সরকার আদৌ কি আন্তরিক? নাকি পুরোটাই ঘোষণার ঢক্কানিনাদের উপর দাঁড়িয়ে আছে?
কমিটির কাছে রেলের তরফে দাবি করা হয়েছিল, অমৃত ভারত স্টেশন প্রকল্পের কাজ সন্তোষজনক গতিতে এগোচ্ছে। ফলে আলাদা করে বাজেট বরাদ্দের প্রয়োজন আছে বলে মনে করে না মন্ত্রক। তাদের এই জবাব গ্রহণ করেননি কমিটির সদস্যরা। দ্রুত প্রকল্প রূপায়ণের স্বার্থে আলাদা বাজেট বরাদ্দের প্রয়োজন আছে বলে সুপারিশে উল্লেখ করেছে কমিটি। স্টেশন বাছাইয়ের ক্ষেত্রেও রেলমন্ত্রককে আরও বিস্তৃত পরিকল্পনার উপরে জোর দেওয়া হয়েছে। এবং তা গ্রহণের উপরে জোর দেওয়া হয়েছে। এখনও পর্যন্ত দেশের মোট ১ হাজার ৩৩৭টি রেল স্টেশনকে অমৃত ভারত স্টেশন প্রকল্পের জন্য চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের ১০১টি স্টেশন আছে।
কমিটির কাছে রেলের তরফে দাবি করা হয়েছিল, অমৃত ভারত স্টেশন প্রকল্পের কাজ সন্তোষজনক গতিতে এগোচ্ছে। ফলে আলাদা করে বাজেট বরাদ্দের প্রয়োজন আছে বলে মনে করে না মন্ত্রক। তাদের এই জবাব গ্রহণ করেননি কমিটির সদস্যরা। দ্রুত প্রকল্প রূপায়ণের স্বার্থে আলাদা বাজেট বরাদ্দের প্রয়োজন আছে বলে সুপারিশে উল্লেখ করেছে কমিটি। স্টেশন বাছাইয়ের ক্ষেত্রেও রেলমন্ত্রককে আরও বিস্তৃত পরিকল্পনার উপরে জোর দেওয়া হয়েছে। এবং তা গ্রহণের উপরে জোর দেওয়া হয়েছে। এখনও পর্যন্ত দেশের মোট ১ হাজার ৩৩৭টি রেল স্টেশনকে অমৃত ভারত স্টেশন প্রকল্পের জন্য চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের ১০১টি স্টেশন আছে।



