নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: তৃণমূল কংগ্রেস নেতার মেয়ে ও জামাইয়ের নাম রয়েছে অযোগ্য শিক্ষকের তালিকায়। বিড়ম্বনায় পড়েছেন কোলাঘাট পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ তথা খন্যাডিহি অঞ্চল তৃণমূল সভাপতি বকুল পাঁজা। তাঁর মেয়ে মৌমিতা পাঁজা মণ্ডল এবং জামাই দিব্যেন্দু মণ্ডলের নাম অযোগ্য শিক্ষকের তালিকায় রয়েছে। বকুলবাবু সোমবার বলেন, আমার মেয়ে ও জামাই দু’জনেই অত্যন্ত মেধাবী। জামাই রসায়ন বিদ্যায় যাদবপুর ইউনিভার্সিটি থেকে স্নাতকোত্তর করার পর পলিমার নিয়ে পিএইচডি করেছে। মেয়েও ভূগোলের মেধাবী ছাত্রী হিসেবে পরিচিত ছিল। কীভাবে তাদের নাম অযোগ্য লিস্টে এল জানি না। জামাই ওএমআর শিট দেখার জন্য হাইকোর্টে দু’টি এবং সুপ্রিম কোর্টে একটি মামলা করেছে। মৌমিতা উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুরে একটি উচ্চ মাধ্যমিক স্কুলে ভূগোলের শিক্ষিকা। তাঁর স্বামী দিব্যেন্দু মণ্ডল কলকাতার উল্টোডাঙার স্কুলে কেমিস্ট্রির শিক্ষক ছিলেন। অযোগ্য তালিকায় নাম থাকায় তিনিও স্কুলে যাওয়া বন্ধ করেছেন। কোলাঘাটের কয়েকজন শিক্ষক-শিক্ষিকার নাম উঠেছে দাগিদের তালিকায়। অভিযোগ, তাঁদের নিয়োগপত্র পাওয়ার পিছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল কোলাঘাট পঞ্চায়েত সমিতির প্রাক্তন কর্মাধ্যক্ষ অতনু গুছাইত এবং তমলুক কলেজের অর্থনীতির অধ্যাপক তন্ময় সামন্তের। দু’জনই পলাতক।



