সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: সরস্বতী পুজো ও প্রতিমা দর্শনকে কেন্দ্র করে হুলুস্থুল পরিবেশ উলুবেড়িয়ার কালীবাড়ি সংলগ্ন এলাকায়। বিশৃঙ্খলা এমন জায়গায় পৌঁছয় যে, পুলিস বাধ্য হয়ে কালীবাড়িতে প্রবেশের উপর নিয়ন্ত্রণ জারি করে। যা নিয়ে আবার পুজোর উদ্যোক্তাদের সঙ্গে পুলিস প্রশাসনের মতবিরোধ হয়। পরে অবশ্য তা মিটে গিয়ে যায় এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
Advertisement
বিগত বছরের মতো এবারও কালীবাড়ি প্রাঙ্গণে ধুমধাম করে সরস্বতী পুজোর আয়োজন করা হয়। অন্যান্য বছরের মতো এবারও তরুণ-তরুণীদের কাছে পুজোর অন্যতম আকর্ষণ ছিল ডিজে। হুগলি নদীর পাড়ে খোলা আকাশের নীচে ডিজের তালে আনন্দে ভাসতে দেখা গিয়েছে উঠতি যুবক-যুবতীদের। এঁরা সংখ্যায় ছিলেন হাজার খানেক। এক সময় টিন-এজারদের ভিড়ই মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ায় প্রশাসনের। কালীবাড়িতে তিল ধারণের জায়গা ছিল না। উলুবেড়িয়া লকগেট মোড় থেকে কালীবাড়ি যাওয়ার রাস্তা এক সময় মানুষের ভিড়ে স্তব্ধ হয়ে যায়। এদিকে, পরিস্থিতি ক্রমশ ঘোরালো হওয়ায় পদপিষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। আসরে নামে উলুবেড়িয়া থানার পুলিস। ঘটনাস্থলে আসেন হাওড়া গ্রামীন জেলা পুলিসের সুপার জর্জ অ্যালেন জন, উলুবেড়িয়ার এসডিপিও শুভম যাদব। পুলিস পুজো মণ্ডপের পাশে থাকা ডিজে বন্ধ করে দেয়। পাশাপাশি তারস্বরে ডিজে বাজানোর অভিযোগে একজনকে আটক করে।
কালীবাড়ির ভিতর অংশ ফাঁকা করতে এবং পদপিষ্ট হওয়ার মতো ঘটনা এড়াতে এক সময় পুলিসকে লাঠি উঁচিয়ে তাড়া করতে হয়। তাঁরা বাধ্য হয়েই কালীবাড়িতে প্রবেশের উপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেন। কালীবাড়ির ভিতর থেকে মানুষজনকে ধীরে ধীরে বের করে আনা হয়। এই নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আবার পুজোর উদ্যোক্তাদের সঙ্গে পুলিসের মতবিরোধ হয়। বেশ কিছুক্ষণ অনুষ্ঠান বন্ধ থাকার পর পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়।
কালীবাড়ির ভিতর অংশ ফাঁকা করতে এবং পদপিষ্ট হওয়ার মতো ঘটনা এড়াতে এক সময় পুলিসকে লাঠি উঁচিয়ে তাড়া করতে হয়। তাঁরা বাধ্য হয়েই কালীবাড়িতে প্রবেশের উপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেন। কালীবাড়ির ভিতর থেকে মানুষজনকে ধীরে ধীরে বের করে আনা হয়। এই নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আবার পুজোর উদ্যোক্তাদের সঙ্গে পুলিসের মতবিরোধ হয়। বেশ কিছুক্ষণ অনুষ্ঠান বন্ধ থাকার পর পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়।



