নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: সরকার মুক্ত মন্দির। দেশজুড়ে নতুন কর্মসূচি নিচে চলেছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। দেশের সব রাজ্য সরকারের কাছে দাবি জানানো হবে এবং কেন্দ্রকে বলা হবে এ ব্যাপারে আইন আনতে। দাবি করা হয়েছে, কোনও মন্দির, আশ্রম, ধর্মীয় ট্রাস্ট, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকেই সরকার নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না। এইসব প্রতিষ্ঠান অথবা মন্দিরের কোনও পরিচালন প্রক্রিয়াতে হস্তক্ষেপ করবে না সরকার। সঙ্ঘ পরিবারের অন্যতম সদস্য বিশ্ব হিন্দু পরিষদ এই দাবিকে আন্দোলনের রূপ দিতে ২৫ জানুয়ারি প্রয়াগে ডেকেছে সন্ত সম্মেলন। ২৪ জানুয়ারি হবে সাধ্বী সম্মেলন। ২৭ জানুয়ারি যুবা সন্ত সম্মেলন। কুম্ভমেলার আগেই কেরলে ধর্মসম্মেলন হয়েছিল। সেখানে দাবি করা হয়েছিল, পূর্ণকুম্ভের প্রাঙ্গণ থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে এই দাবি। বিশ্ব হিন্দু পরিষদ জানিয়েছে, এই সম্মেলনগুলিতেই প্রস্তাব গ্রহণ করা হবে। যতদিন না ওই দাবি মানা হচ্ছে, ততদিন চলবে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য স্তরে আন্দোলন, অবস্থান এবং মিছিল। পরিষদের বক্তব্য, প্রত্যক্ষ অথবা পরোক্ষভাবে রাজ্য সরকারগুলি হিন্দু ধর্মীয় মন্দির আশ্রম বা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে পরিচালিত করার চেষ্টা করে। ট্রাস্ট গঠন করে সেখানে সরকারের প্রতিনিধি রাখা হয়। এই রীতির অবসান হওয়া দরকার। হিন্দু ধর্মের দেশজুড়ে নানাবিধ কেন্দ্রীয় ও রাজ্য স্তরের সংগঠন রয়েছে। মন্দির ও আশ্রম পরিচালনার সঙ্গে একান্তভাবে যারা ওই প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছে, তাদেরই থাকবে সম্পূর্ণ অধিকার। কিন্তু সরকারের কোনও প্রশাসনিক আধিকারিককে মন্দির সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় রাখা চলবে না। এই তালিকায় ওড়িশার পুরী জগন্নাথ মন্দিরও যেমন থাকবে, তেমনই থাকবে তিরুপতি কিংবা যে কোনও ক্ষুদ্র ও মাঝারি মন্দির তথা আশ্রম ও প্রতিষ্ঠান। বিশ্ব হিন্দু পরিষদ জানিয়েছে, ধর্মকে সরকারের শিকলমুক্ত করাই গণতান্ত্রিক দেশে কাম্য। আর এই কর্মসূচির সূচনা হোক কুম্ভ থেকে।



