নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া: মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিয়ে সমস্যার কথা জানাতেই মিলল সমাধান। অবশেষে সরকারের হস্তক্ষেপে কলকাতার বেসরকারি হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন চুঁচুড়ার পাত্রপুকুরের বাসিন্দা সঙ্গীতা রাউত। তবে তিন মাস পর তাঁকে বাকি চিকিৎসা করাতে হবে। এদিন সকালে তাঁকে দেখতে বাড়িতে যান বিধায়ক অসিত মজুমদার। সঙ্গীতাদেবীর বাকি চিকিৎসার জন্য সরকারি সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
Advertisement
গত ডিসেম্বর মাসে শ্রীরামপুরের ওয়ালশ হাসপাতালের কর্মী সঙ্গীতাদেবীর পেটের সমস্যা শুরু হয়। শারীরিক পরীক্ষার পর তাঁর গলব্লাডারে স্টোন ধরা পড়ে। প্রথমে ইমামবাড়া হাসপাতালে তিনি চিকিৎসা করালেও পরে একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে তাঁর অস্ত্রোপচার হয়। সেখানে ‘ভুল চিকিৎসা’র কারণে কেটে গিয়েছিল ট্রান্সভার্স কোলন বা বৃহদান্ত্রের অংশ। ফলে রোগীর পেট থেকে মল বেরিয়ে আসতে শুরু করে। গত জানুয়ারি মাসে সঙ্গীতাদেবীকে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু চিকিৎসা বাবদ বিল দাঁড়ায় প্রায় ২৫ লক্ষ টাকা। চিকিৎসার বিমা ও গয়না বন্ধক রেখে কোনওমতে ১১ লক্ষ টাকা দিতে পারে পরিবারটি। কিন্তু পাহাড়প্রমাণ বিলের সবটা মেটাতে না পারায় হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাচ্ছিলেন না রোগী। শেষে চিঠিতে সমস্যার কথা তুলে ধরে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হয় অসহায় পরিবারটি। সঙ্গীতাদেবীর ছেলে অনিকেত বলেন, ‘নবান্নের আধিকারিকরা হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। শুক্রবার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আমাদের সেটা জানায়। বাকি বিল আর মেটাতে হয়নি। সরকারি অ্যাম্বুলেন্সে মাকে বাড়িতে নিয়ে আসতে পেরেছি। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আমরা চির কৃতজ্ঞ।’
এদিন সকালে পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন চুঁচুড়ার বিধায়ক অসিত মজুমদার। তিনি বলেন, ‘সঙ্গীতাদেবীর দ্বিতীয় পর্যায়ের চিকিৎসার জন্য আনুমানিক খরচের হিসেব জানাতে বলেছি। সরকারি তহবিল থেকে ওনার চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে।’ এদিকে, অসহায় পরিবারের তরফে মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তরে পাঠানো চিঠির অনুলিপি পেয়ে ইতিমধ্যেই হুগলি জেলা স্বাস্থ্যদপ্তর ‘ভুল চিকিৎসার’ তদন্তে নেমেছে বলে জানা গিয়েছে।
এদিন সকালে পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন চুঁচুড়ার বিধায়ক অসিত মজুমদার। তিনি বলেন, ‘সঙ্গীতাদেবীর দ্বিতীয় পর্যায়ের চিকিৎসার জন্য আনুমানিক খরচের হিসেব জানাতে বলেছি। সরকারি তহবিল থেকে ওনার চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে।’ এদিকে, অসহায় পরিবারের তরফে মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তরে পাঠানো চিঠির অনুলিপি পেয়ে ইতিমধ্যেই হুগলি জেলা স্বাস্থ্যদপ্তর ‘ভুল চিকিৎসার’ তদন্তে নেমেছে বলে জানা গিয়েছে।



