অ্যাডিলেড: মহম্মদ সিরাজের লো ফুলটসে ট্রাভিস হেড বোল্ড হতেই ভারতীয় শিবিরে ফিরল স্বস্তি। বাঁ হাতি অজি ব্যাটারের আক্রমণাত্মক ১৪০ রানের ইনিংসই যে গোলাপি টেস্টে ব্যাকফুটে ঠেলে দিয়েছে সফরকারী দলকে। তাই হেডকে ফিরিয়ে উল্লসিত হওয়ারই কথা সিরাজের। তবে অজি ব্যাটারকে ‘সেন্ট-অফ’ দিয়ে বিতর্কে জড়ালেন ভারতীয় পেসার। সঙ্গে সঙ্গে অ্যাডিলেডের গ্যালারির ‘ভিলেন’ হয়ে উঠলেন তিনি। অজি সমর্থকরা একযোগে ব্যঙ্গ-বিদ্রুপে মাতলেন সীমানার ধারে সিরাজের ফিল্ডিংয়ের সময়। তিনি যদিও তাতে পাত্তা দেননি। বরং হাতের ভঙ্গিতে আরও জোরে চিৎকার করতে বলেন দর্শকদের। বুঝিয়ে দেন যে আগ্রাসনের রাস্তা থেকে তিনি সরবেন না।
Advertisement
তবে সিরাজের আচরণে রীতিমতো অখুশি হেড। খেলার শেষে তিনি বলেন, ‘আউট হওয়ার পর ওকে আমি মজার ছলে বলেছিলাম, ভালোই বল করেছ। কিন্তু কথাটা বোধহয় ও বুঝতে পারেনি। উল্টে আমাকে ডাগ আউটের পথ দেখাতে শুরু করল। যা মোটেও কাঙ্ক্ষিত নয়।’ উল্লেখ্য, সেঞ্চুরির আগে হেডের ক্যাচ ফস্কেছিলেন সিরাজ। সেজন্যই হয়তো অজি ব্যাটারকে আউট করে উত্তেজিত হয়ে পড়েন তিনি।
ভারতের বিরুদ্ধে জ্বলে ওঠা হেডের পুরনো স্বভাব। পারথ টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার ভরাডুবি হলেও দ্বিতীয় ইনিংসে হেড শতরানের কাছে পৌঁছে গিয়েছিলেন। অ্যাডিলেডে গোলাপি টেস্টেও রোহিত শর্মাদের পথে কাঁটা হয়ে বিঁধলেন তিনি। বোলারদের কার্যত শাসন করলেন একের পর এক শটে। হেডের কথায়, ‘আমি যখন আউট হয়েছি অস্ট্রেলিয়া তখন যথেষ্ট ভালো জায়গায় ছিল। তাই ম্যাচের পরিস্থিতি অনুযায়ী সিরাজের থেকে এমন আচরণ আশা করিনি। তবে সম্মান না দিলে তা ফিরেও পাবে না। ওই ঘটনার পরই গ্যালারির সমর্থকরা ওকে কটাক্ষ করেছে।’ সিরাজের এহেন আচরণকে ‘অপ্রয়োজনীয়’ বলেছেন সুনীল গাভাসকরও। ভারতীয় কিংবদন্তির কথায়, ‘হেড যদি ৪ বা ৫ রান করে আউট হতো, তাহলেও সিরাজের এমন আচরণের অর্থ থাকত। কিন্তু একজন ক্রিকেটার সেঞ্চুরি করার পর তাকে কীভাবে তুমি ডাগ-আউটের পথ দেখাচ্ছ? সিরাজের এই আচরণের কোনও দরকার ছিল না।’
ভারতের বিরুদ্ধে জ্বলে ওঠা হেডের পুরনো স্বভাব। পারথ টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার ভরাডুবি হলেও দ্বিতীয় ইনিংসে হেড শতরানের কাছে পৌঁছে গিয়েছিলেন। অ্যাডিলেডে গোলাপি টেস্টেও রোহিত শর্মাদের পথে কাঁটা হয়ে বিঁধলেন তিনি। বোলারদের কার্যত শাসন করলেন একের পর এক শটে। হেডের কথায়, ‘আমি যখন আউট হয়েছি অস্ট্রেলিয়া তখন যথেষ্ট ভালো জায়গায় ছিল। তাই ম্যাচের পরিস্থিতি অনুযায়ী সিরাজের থেকে এমন আচরণ আশা করিনি। তবে সম্মান না দিলে তা ফিরেও পাবে না। ওই ঘটনার পরই গ্যালারির সমর্থকরা ওকে কটাক্ষ করেছে।’ সিরাজের এহেন আচরণকে ‘অপ্রয়োজনীয়’ বলেছেন সুনীল গাভাসকরও। ভারতীয় কিংবদন্তির কথায়, ‘হেড যদি ৪ বা ৫ রান করে আউট হতো, তাহলেও সিরাজের এমন আচরণের অর্থ থাকত। কিন্তু একজন ক্রিকেটার সেঞ্চুরি করার পর তাকে কীভাবে তুমি ডাগ-আউটের পথ দেখাচ্ছ? সিরাজের এই আচরণের কোনও দরকার ছিল না।’



