Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

সিপিএমের জেলা সম্পাদক নিয়ে জট রাত পর্যন্ত অব্যাহত

সিপিএমের জেলা সম্পাদক নিয়ে জট রাত পর্যন্ত অব্যাহত
  • ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: এই বসন্তে বেলাগাম বাতাস সিপিএমের উত্তর ২৪ পরগনা জেলা সম্মেলনে। সচারাচর জেলা সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনেই সম্পাদক থেকে পূর্ণাঙ্গ জেলা কমিটি ঘোষিত হয়ে যায়। তবে, এবার জেলা সম্মেলনের তৃতীয় দিনে, রবিবার মধ্যরাত পর্যন্ত দফায় দফায় বৈঠক করেও  জেলা সম্পাদক নিয়ে জটিলতা কাটেনি। শুধু তাই নয়, বিগত সম্পাদক মৃণাল চক্রবর্তীর উপস্থিতিতেই তাঁর বিরুদ্ধে সুর চড়ান সম্মেলনে আসা প্রতিনিধিরা। এদিকে অবশ্য রাজ্য নেতৃত্বের হস্তক্ষেপে জেলা কমিটি নিয়ে ভোটাভুটি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
Advertisement
বারাসত রবীন্দ্র ভবনে জেলা সম্মেলনের প্রথম দিন থেকেই সম্পাদক বদল নিয়ে গুঞ্জন ছিলই। এনিয়ে মতানৈক্য তীব্র হলে প্রাক্তন জেলা সম্পাদক গৌতম দেবকে আসরে নামতে হয়। কিন্তু তীব্র কোন্দলের আবহে তিনিও রাশ টেনে ধরতে ব্যর্থ হন। নতুন সম্পাদক কে হবেন, তা নিয়ে শনিবার আলাদাভাবে বিগত জেলা সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্যরা বৈঠক করেছিলেন। রবিবারও গভীর রাত পর্যন্ত জেলা সম্পাদক কে হবেন, তা নিয়ে বৈঠক চললেও ঐক্যমত তৈরি হয়নি। সূত্রের খবর, সম্মেলনে সম্পাদক বদলের জোরালো দাবির মুখেও পদ ছাড়তে নারাজ মৃণালবাবু। এনিয়ে তীব্র কাজিয়ার জেরে এদিন মধ্যাহ্নভোজের পরে সম্মেলন কক্ষেই নতুন সম্পাদক কে হবেন, তা নিয়ে ফের বৈঠক করেন বিগত জেলা সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্যরা। এরপর বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত রাজ্য নেতৃত্বের উপস্থিতিতে দফায় দফায় বৈঠক চলে। কিন্তু তার পরেও সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে আসা যায়নি। যদিও শেষ দিনে উপস্থিত রাজ্য নেতৃত্ব মহম্মদ সেলিম, সুজন চক্রবর্তী, শ্রীদীপ ভট্টাচার্যরা জানিয়ে দেন, সম্পাদক নিয়ে কিছুতেই ভোটাভুটি নয়। সিদ্ধান্ত নিতে হবে ঐক্যের ভিত্তিতে। 
অন্যদিকে, পার্টির সর্বোচ্চ নেতৃত্বের হস্তক্ষেপে জেলা কমিটির ভোটাভুটি এড়ানো সম্ভব হয়। সূত্রের খবর, ৭৪ জনের কমিটিতে অতিরিক্ত ২৭ জনের নাম সম্মেলন কক্ষ থেকে উঠে এসেছিল। ফলে ভোটাভুটির পরিস্থিতি তৈরি হয়। প্রাথমিকভাবে আগামী রবিবার ভোটের দিনক্ষণও স্থির হয়। এর পরেই মহম্মদ সেলিম, সুজন চক্রবর্তী, শ্রীদীপ ভট্টাচার্যের উপস্থিতিতে টানা বৈঠকের পর জট কাটে।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ