মুম্বই: গত ছ’বছরে দু’বার প্লে-অফে উঠলেও ষষ্ঠ ট্রফি অধরাই থেকেছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের। ২০২৬ আইপিএলে হার্দিক পান্ডিয়ার নেতৃত্বে দশ দলের টুর্নামেন্টে মুম্বই শেষ করেছিল নবম স্থানে। তারপর থেকেই দলকে খোলনলচে বদলে ফেলার পরিকল্পনা শুরু ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকদের। ক্যাপ্টেন হার্দিকের পারফরম্যান্সেও খুশি ছিলেন নীতা আম্বানি। তাছাড়া দলের অন্দরেও বিভাজনক স্পষ্ট হচ্ছিল হার্দিককে ঘিরে। আসলে গুজরাত টাইটান্স থেকে হার্দিককে জামাই আদর করে মুম্বইয়ে এনে অধিনায়কের দায়িত্ব তুলে দেওয়াটা অনেক সিনিয়র ক্রিকেটারই মেনে নিতে পারেননি। রোহিত শর্মার মতো পোড়খাওয়া ক্রিকেটারকেও খেলতে হয়েছে হার্দিকের নেতৃত্বে। তাছাড়া সূর্যকুমার যাদব যখন ভারতীয় টি-২০ দলের অধিনায়ক ছিলেন, তখনও তিনি মুম্বইয়ে খেলেছেন হার্দিকের অধিনায়কত্বে। সব মিলিয়ে হার্দিককে নিয়ে সমস্যা বাড়ছিল। আর গুজরাতের তারকা ক্রিকেটার নিজেও মুম্বই ইন্ডিয়ান্স শিবিরে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছিলেন না। তাই তাঁর দলবদলের জল্পনা চলছে অনেকদিন ধরেই। কখনও শোনা গিয়েছে, তাঁকে চেন্নাই সুপার কিংস নিতে পারে। ধোনি ক্যাপ্টেন্সি ছাড়ার পর হলুদ জার্সিধারীদের নেতা হয়েছেন ঋতুরাজ গায়কোয়াড়। তবে সাফল্য নেই। এরই মধ্যে জাদেজাও নাম লিখিয়েছেন রাজস্থান শিবিরে। চেন্নাই সুপার কিংস তাই হার্দিককে পেতে আগ্রহ দেখিয়েছে। তাতে এক ঢিলে দুই পাখি মারা যাবে। অলরাউন্ডারের পাশাপাশি অধিনায়কের সমস্যা মিটবে।
কিন্তু হার্দিক ঝেড়ে কাশছেন না। তাঁর সঙ্গে মুম্বইয়ের সম্পর্ক এখনো ছিন্ন হয়নি। তবে জল্পনা কী এসবের ধার ধারে? হার্দিকের দলবদল নিয়ে তাই রকে, চায়ের দোকানে আলোচনা চলছেই। এখন শোনা যাচ্ছে, তারকা অলরাউন্ডার নাকি শাহরুখ খানের কলকাতা নাইট রাইডার্সে সই করবেন। আসলে গিল, শ্রেয়সদের মতো ক্রিকেটারকে ছেড়ে দিয়ে এখন হাত কামড়াচ্ছে কেকেআর। কিং খান চাইছেন হার্দিকের মতো একজন তারকাকে পেতে, যাতে তাঁদের অনেক সমস্যা মিটবে।
এদিকে, বোলিং কোচ লাসিথ মালিঙ্গা, পরশ মাম্বরে ও ফিল্ডিং কোচ কার্ল হপকিনসনকে ছেড়ে দিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। তবে হেড কোচ কিয়েরন পোলার্ড ও ফিল্ডিং কোচ টি দিলীপ দায়িত্বে বহাল থাকছেন।



