ডালাস: দীর্ঘ ১৬ বছর পর ফের বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনালে পৌঁছেছে স্পেন। শেষবার ২০১০ সালে কাপযুদ্ধের শেষ চারের টিকিট পাকা করেছিল স্প্যানিশ আর্মাডা। সেবারই প্রথম ও একমাত্র বিশ্বসেরার মুকুট অর্জন করে লা রোহা ব্রিগেড। এবার মার্কিন মুলুকে তার পুনরাবৃত্তির আশায় স্প্যানিয়ার্ডরা। সেমি-ফাইনালে তাদের সামনে দুরন্ত ছন্দে থাকা ফ্রান্স। নিঃসন্দেহে চলতি বিশ্বকাপের আরও এক হাই-ভোল্টেজ ম্যাচের সাক্ষী থাকতে চলেছেন ফুটবল অনুরাগীরা। এমবাপে বনাম ইয়ামাল দ্বৈরথ ঘিরে চড়ছে উন্মাদনার পারদ।
চলতি বিশ্বকাপে তুখোড় ফর্মে রয়েছে ফ্রান্স। প্রায় প্রতি ম্যাচেই বিপক্ষকে উড়িয়ে দিয়েছেন এমবাপেরা। পক্ষান্তরে, কার্যকরী ফুটবলের মাধ্যমে নিজেদের মেলে ধরেছে স্পেন। পরিসংখ্যান বলছে, টানা ৩৬ ম্যাচ অপরাজিত লুই ডে লা ফুয়েন্তের ছেলেরা। ইতিমধ্যেই নিজেদের গড়া ৩৫ ম্যাচের নজিরকে ছাপিয়ে গিয়েছে তারা। সামনে ইতালির ৩৭ ম্যাচের রেকর্ড। উল্লেখ্য, রবার্তো মানচিনির আমলে ২০১৮ থেকে ২০২১ পর্যন্ত এই নজির গড়েছিল আজ্জুরি ব্রিগেড। বিশ্বকাপের আসরে সেই রেকর্ডকে স্পর্শ করার সুযোগ থাকছে স্পেনের সামনে। তার জন্য আগামী ১৪ জুলাই ফ্রান্সকে বশ মানাতে হবে ইয়ামালদের। সেই লক্ষ্যে দলের আপফ্রন্টের গোলখরা কাটাতে মরিয়া কোচ ফুয়েন্তে। অনুশীলনেও সেই তাগিদ দেখা গেল।
চলতি বিশ্বকাপে এখনও পর্যন্ত ছ’ম্যাচে ১১বার জাল কাঁপিয়েছে স্পেন। এর মধ্যে সৌদি আরব আর অস্ট্রিয়া ম্যাচে আসে সাত গোল। বাকি চার ম্যাচে লক্ষ্যভেদের সংখ্যা মাত্র চার। সবচেয়ে বড়ো কথা, দু’টি ম্যাচেই শেষলগ্নে জাল কাঁপিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করেন সুপার-সাব মিকেল মেরিনো। তাই ফ্রান্সের বিরুদ্ধে যুদ্ধ জিততে হলে স্ট্রাইকারদের আরও বেশি দায়িত্ব নিতে হবে। সেই মতো রবিবারের অনুশীলনে ফেরান তোরেস, মিকেল ওয়ারজাবাল, এরেমি পিনোরা দূরপাল্লার শটে লক্ষ্যভেদের মহড়া সেরে নিলেন।