লেহ: এবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ সোনাম ওয়াংচুকের স্ত্রী গীতাঞ্জলি জে অ্যাংমো। শুক্রবার পরিবেশকর্মী তথা শিক্ষাবিদের মুক্তির দাবিতে শুক্রবার সর্বোচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হলেন তাঁর স্ত্রী। গত ২৪ সেপ্টেম্বর লাদাখে অশান্তির পরিপ্রেক্ষিতে গ্রেফতার করা হয়েছিল সোনামকে। তারপর থেকে যোধপুরেই জেলবন্দি রয়েছেন তিনি।
সর্বোচ্চ আদালতে গীতাঞ্জলির আর্জি, বেআইনিভাবে গ্রেফতার করা হয়েছে সোনামকে। তাঁকে মুক্তি দেওয়া উচিত। পাকিস্তানের সঙ্গে পরিবেশবিদের যোগও মিথ্যা বলে দাবি করেছেন তিনি। সোনামের স্ত্রীর অভিযোগ, নির্দিষ্ট এজেন্ডার ভিত্তিতে কাজ করছে লাদাখ পুলিশ। তিনি বলেছেন, ‘লাদাখের ডিজিপি যা বলছেন, তার পিছনে এজেন্ডা রয়েছে। ওঁরা কোনও পরিস্থিতিতেই ষষ্ঠ তপশিল চালু করতে চায় না। তাই বলির পাঁঠা বানানোর চেষ্টা চলছে।’
বৃহস্পতিবার সোনামের মুক্তির দাবিতে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, লাদাখের লেফটেন্যান্ট গভর্নর কবীন্দ্র গুপ্তা, আইনমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল ও লেহ-র জেলাশাসককে চিঠি দিয়েছিলেন গীতাঞ্জলি। তাঁর একটি কপি ইতিমধ্যেই এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করেছেন তিনি। তিন পাতার এই চিঠিতে গীতাঞ্জলির অভিযোগ, গত ৪ বছর ধরে জনতার বক্তব্য তুলে ধরার জন্য তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হয়েছে। এদিকে লাদাখের আন্দোলন চলাকালীন পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছেন কার্গিল যুদ্ধের অংশ নেওয়া প্রাক্তন সেনাকর্মী সেওয়াং থারচিন। ছেলের মৃত্যুতে মুখ খুলেছেন নিহত জওয়ানের বাবা তেনজিন নামগয়াল (৭৪)। তিনি বলেছেন, ‘আমার ছেলে কার্গিল যুদ্ধে লড়েছিল। তিন মাস ধরে সম্মুখ সমরে পাকিস্তান বাহিনী তাঁকে মারতে পারেনি। আজ নিজেদের বাহিনীর হাতেই তাঁর প্রাণ গেল। সরকার কি দেশভক্তদের সঙ্গে এই ব্যবহার করে?’