Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / বিনোদন

‘খারাপ মানুষরা কী পারে, কাউকে তো দেখাতে হবে’

লেখক, সহপরিচালক, অভিনেতা। অক্ষয় ডোগরার অনেকগুলো পরিচয়। কিন্তু তিনি নিজে কোন পরিচয়ে স্বচ্ছন্দ? এক সাক্ষাৎকারে জানালেন নানা কথা।

‘খারাপ মানুষরা কী পারে, কাউকে তো দেখাতে হবে’
  • ১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৪:০৩
Prefer us on Google

সম্প্রতি ‘বধ ২’ ছবিতে আপনার কাজের প্রশংসা হয়েছে। কেমন অনুভূতি?

Advertisement

এর কৃতিত্ব যশপাল স্যারকে (সিং সান্ধু, পরিচালক) দেব। গল্পের ওপর ওঁর এতটাই দখল ছিল যে, প্রতিটি চরিত্রকে চিনতেন। সঞ্জয় স্যার (মিশ্র) আর নীনা ম্যাম (গুপ্তা) তো আগের ছবি থেকে ‘শম্ভু’ আর ‘মঞ্জু’র আবেগের দিকটা ভালো করে জানতেন। আমাদের মতো নতুন চরিত্রদের যশপাল স্যার খুব ভালো করে গাইড করেছেন। 
নেগেটিভ চরিত্রে অভিনয় করলে পরিবারের উপর প্রভাব পড়ে?
আমার ১০ বছরের ছেলে, আর আমার প্রিয় বন্ধুর ৬ বছরের মেয়ে আমায় জিজ্ঞেস করেছিল যে, কেন আমি পর্দায় মন্দ মানুষের চরিত্রে অভিনয় করেছি? আমি উত্তরে বলি, কাউকে তো দেখাতে হবে যে, খারাপ মানুষরা কী কী করতে পারে, যাতে তোমরা সেগুলো এড়িয়ে চলতে পারো (হাসি)। 
মুম্বইতে শুরুর দিনগুলো কতটা চ্যালেঞ্জিং ছিল?
শুরুর দিনগুলো অতটা চ্যালেঞ্জিং ছিল না। কারণ আমি এসেই কাজ শুরু করে দিয়েছিলাম। সবচেয়ে কঠিন সময় ছিল যখন আমি অভিনেতা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম। তখন মনে হচ্ছিল মাঝ সমুদ্রে লাইফ জ্যাকেট ছাড়াই ঝাঁপ দিয়েছি। এবার আমাকে সাঁতরাতে হবে। অভিনেতা হিসেবে অনেক ভালো-মন্দ দেখতে হয়েছে। কখনো ভালো কাজ করার পরও কাজ জোটেনি। মনের উপর চাপ পড়েছে। কিন্তু আমি গৌতম বুদ্ধ এবং দলাই লামার আদর্শে বিশ্বাস করি। তাই সবকিছু কাটিয়ে মূল স্রোতে ফিরে আসতে পেরেছি।
আপনার জীবনে সবচেয়ে কঠিন সময় কোনটা ছিল?
গত কয়েক বছর আমার জন্য খুব কঠিন ছিল। কাজ ছিল না, হাতে টাকা ছিল না। আমি আমার স্ত্রী সাক্ষীর কাছে কৃতজ্ঞ যে ও এই সময়ে আমাকে সাপোর্ট করেছে এবং সবকিছু সামলেছে। অনেকবার মনে হয়েছিল, কাজ ছেড়ে দিয়ে কল সেন্টারে জয়েন করি। কিন্তু অভিনয়ের টান অনেক শক্তিশালী ছিল। কঠিন সময়ই আমাদের সবচেয়ে বড় শিক্ষক।
আপনার বোন ঋদ্ধির (ডোগরা, অভিনেত্রী) সঙ্গে আপনার বন্ডিং কেমন?
আমরা এমনিতে কাজ নিয়ে বেশি কথা বলি না। তবে একে অপরকে সাপোর্ট করি। আমাদের জার্নি আলাদা হলেও ইন্ডাস্ট্রির সমস্যাগুলো নিয়ে আমরা কানেক্ট করতে পারি।
দেবারতি ভট্টাচার্য • মুম্বই

সম্পর্কিত সংবাদ