Bartaman Logo
১৭ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

কলকাতার কিছু পেনশন প্রাপক পেলেন বকেয়া ডিএ-র একাংশ, বাকি অনেকের

রাজ্য সরকারি দপ্তরগুলির অবসরপ্রাপ্ত পেনশন প্রাপকদের মধ্যে যাঁদের কলকাতা পুরসভা এলাকায় ব্যাংক অ্যাকাউন্ট রয়েছে, তাঁদের পঞ্চম বেতন কমিশনের বকেয়া ডিএ-র একাংশ মিটিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

কলকাতার কিছু পেনশন প্রাপক পেলেন  বকেয়া ডিএ-র একাংশ, বাকি অনেকের
  • ১৭ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্য সরকারি দপ্তরগুলির অবসরপ্রাপ্ত পেনশন প্রাপকদের মধ্যে যাঁদের কলকাতা পুরসভা এলাকায় ব্যাংক অ্যাকাউন্ট রয়েছে, তাঁদের পঞ্চম বেতন কমিশনের বকেয়া ডিএ-র একাংশ মিটিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। কলকাতার বাইরে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থাকা কিছু পেনশন প্রাপক ইতিমধ্যে দুই কিস্তিতে পুরো বকেয়া পেয়ে গিয়েছেন। কিন্ত অর্থদপ্তর ও ব্যাংকগুলির মধ্যে বকেয়া টাকার হিসাব নিয়ে জটিলতার জন্য কলকাতায় অ্যাকাউন্ট থাকা পেনশপ প্রাপকদের প্রাপ্য আটকে যায়। বিষয়টিতে প্রিন্সিপাল অ্যাকাউন্ট্যান্ট জেনারেল অফিস হস্তক্ষেপ করে ও ত্রিপাক্ষিক বৈঠক হয়। 

Advertisement

গত ৭ জুলাই অর্থদপ্তর বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়েছিল, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ৫০ শতাংশ বকেয়া দেওয়া হবে। তারপরও অ্যাকাউন্টে টাকা না আসায় এই পেনশন প্রাপকরা চিন্তায় পড়ে যান। গত সপ্তাহের শেষ দিক থেকে টাকা ঢুকতে শুরু করেছে বলে খবর। বকেয়া ডিএ মামলার মূল আবেদনকারী কনফেডারেশন অব স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজের সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘গত সপ্তাহে ৭ হাজারের কিছু বেশি পেনশনপ্রাপক টাকা পেয়েছেন বলে তাঁরা সরকারি সূত্রে জেনেছি।’ 
সুপ্রিম কোর্টে পেশ হওয়া ইন্দু মালহোত্রা কমিটির রিপোর্ট অনুযায়ী রাজ্য সরকার জানিয়েছে, এই ধরনের পেনশনপ্রাপকের সংখ্যা সাতটি ব্যাংকে প্রায় ২৩ হাজার। 
প্রসঙ্গত, এই কমিটির রিপোর্ট অনুযায়ী ৮০ হাজারের বেশি পেনশন প্রাপকের বকেয়া ডিএ-র টাকা বিভিন্ন কারণে এখনও দেওয়া যায়নি। টাকার পরিমাণ ৬০০ কোটির বেশি। অবসরের পর ভিন রাজ্যে চলে গিয়েছেন, এমন ১,৫৯৬ জন পেনশন প্রাপকও জটিলতার জন্য বকেয়া পাননি। পাশাপাশি গ্রান্ট ইন প্রতিষ্ঠানগুলির অবসরপ্রাপ্তদের বকেয়া ডিএ পাওয়ার ব্যাপারে সরকার আশ্বাস দিলেও কোনো সময়সূচি দেয়নি তারা।
এদিকে ইন্দু মালহোত্রা কমিটির রিপোর্ট সব পক্ষকে দেওয়ার পর কাল, মঙ্গলবার বকেয়া ডিএ মামলার শুনানি সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি সঞ্জয় কারোল ও বিচারপতি প্রশান্ত কুমারের বেঞ্চে ওঠার জন্য তালিকাভুক্ত হয়েছে। মামলাকারীরা আশা করছেন, দ্রুত এই মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হতে পারে। কারণ, একজন বিচারপতি চলতি মাসেই অবসর নেবেন।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ