Bartaman Logo
২৯ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

৬ মাস আগে মৃত্যু, মাকে নিয়ে মেলায় আসতে না পারায় আক্ষেপ জওয়ানের

মায়ের কাছে গঙ্গাসাগর এবং কপিলমুনির কাহিনি শুনেছেন। সেখান থেকেই কপিলমুনির আশ্রম দর্শনের ইচ্ছা হয়েছিল তাঁর। উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদের বাসিন্দা কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান রবি গুপ্তা কর্মসূত্রে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে গেলেও মাকে নিয়ে গঙ্গাসাগরে আসার সুযোগ হয়নি তাঁর

৬ মাস আগে মৃত্যু, মাকে নিয়ে মেলায় আসতে না পারায় আক্ষেপ জওয়ানের
  • ১৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: মায়ের কাছে গঙ্গাসাগর এবং কপিলমুনির কাহিনি শুনেছেন। সেখান থেকেই কপিলমুনির আশ্রম দর্শনের ইচ্ছা হয়েছিল তাঁর। উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদের বাসিন্দা কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান রবি গুপ্তা কর্মসূত্রে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে গেলেও মাকে নিয়ে গঙ্গাসাগরে আসার সুযোগ হয়নি তাঁর। পরে দুর্গাপুরে পোস্টিং পাওয়ার পর ভেবেছিলেন, মাকে সঙ্গে নিয়েই সাগরমেলায় আসবেন। রবির মায়েরও তেমন ইচ্ছা ছিল। কিন্তু মাস ছ’য়েক আগে মায়ের মৃত্যু হয়। সেই শূন্যতাকে বুকে বেঁধেই মেলায় এসেছেন এই জওয়ান। মায়ের নাম করে সাগরে ডুব দিয়ে ইচ্ছা পূরণ করেন তিনি। সেকারণে স্ত্রী চারু গুপ্তা ও দুই সন্তানকে নিয়েই গঙ্গাসাগর চলে এসেছেন বৃহস্পতিবার। স্নান সেরে পুজো দিলেন এই দম্পতি। রবির মুখ তখন কিছুটা বিষণ্ণ। আক্ষেপের সুরে জানালেন, মা সাগরমেলা দেখে যেতে পারলেন না, এটাই আক্ষেপ।

Advertisement


উদয় পান্ডে নামের এক যুবককে আহত অবস্থায় সাগরের অস্থায়ী হাসপাতালে নিয়ে আসে হ্যাম রেডিয়ো। সঙ্গে ছিলেন তাঁর ১০ বছরের মেয়ে অঞ্জনা পান্ডে। যুবকটিকে যখন হাসপাতালে আনা হয়, তখন তিনি মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন। তাঁর চিকিৎসা করতে বেগ পেতে হয় ডাক্তারদের। বাবাকে নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন ওই ছোট্ট মেয়ে। কারণ এক কুম্ভমেলায় আগুনে মাকে হারিয়েছে সে। বাবাকে কি বাঁচানো যাবে না? প্রশ্ন করে ডাক্তারদের। অঞ্জনাকে আশ্বস্ত করে হ্যাম রেডিয়োর সদস্য ও ডাক্তাররা। চিকিৎসার পর উদয়বাবু স্থিতিশীল হন। হাসি ফোটে মেয়ের মুখে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ