নিজস্ব প্রতিনিধি, আরামবাগ: ওড়িশায় কর্তব্যরত অবস্থায় অসুস্থ হয়ে মৃত্যু হয়েছে আধা সামরিক বাহিনীর এক জওয়ানের। মঙ্গলবার কফিনবন্দি হয়ে দেহ পৌঁছায় আরামবাগের শীতলপুর গ্রামে। জানা গিয়েছে, ওই সেনাকর্মীর নাম রাকেশ রায় (২৬)।
নিজস্ব প্রতিনিধি, আরামবাগ: ওড়িশায় কর্তব্যরত অবস্থায় অসুস্থ হয়ে মৃত্যু হয়েছে আধা সামরিক বাহিনীর এক জওয়ানের। মঙ্গলবার কফিনবন্দি হয়ে দেহ পৌঁছায় আরামবাগের শীতলপুর গ্রামে। জানা গিয়েছে, ওই সেনাকর্মীর নাম রাকেশ রায় (২৬)।
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, স্নাতক পাস করার পর প্রায় বছর তিনেক আগে রাকেশ সিআরপিএফ-এর চাকরিতে যোগ দিয়েছিলেন। পোস্টিং ছিলেন ওড়িশায়। মাস খানেক আগে বাড়িতেও এসেছিলেন। সেইসময় অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরিবারের তরফে চিকিৎসা করানো হয়। ফের যোগ দেন কাজে। এরই মধ্যে ফের সম্প্রতি তিনি ক্যাম্পে অসুস্থ হয়ে পড়েন। সেখানকার চিকিৎসক অন্যত্র রেফার করেন ওই জওয়ানকে। সেইমতো ট্রেনে করে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। কিন্তু অবস্থার অবনতি হওয়ায় মাঝপথে সম্বলপুরে একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে রবিবার রাতে তাঁর মৃত্যু হয়। এদিন সহকর্মীরা তাঁর কফিনবন্দি দেহ নিয়ে বাড়ি পৌঁছান। দেওয়া হয় গান স্যালুট। কান্নায় ভেঙে পড়ায় কথা বলার মতো অবস্থায় ছিলেন না রাকেশের মা সরস্বতীদেবী। রাকেশর এক দাদা রয়েছেন। বছর খানেক আগে পথ দুর্ঘটনায় রাকেশের বাবারও মৃত্যু হয়। পরিবারে রোজগেরে ছিলেন এই রাকেশ।
রাকেশের তুতো কাকু সূর্যকান্ত রায় বলেন, ভাইপো মাস খানেক আগে ছুটিতে বাড়ি এসেছিল। তখন পেটের ব্যাথার সমস্যা হলে চিকিৎসা করে ফের কাজে যোগ দেয়। কিন্তু সেখানে গিয়েও ফের অসুস্থ হয়। শনিবার রাতে আমার সঙ্গে শেষবারের মতো কথা হয়েছিল। ও বলেছিল বমি হচ্ছে। চিকিৎসক ভুবনেশ্বরে রেফার করেন। কিন্তু তখনও রোগীকে নিয়ে যাওয়া হয়নি। ভাইপোর খবর সময়মতো পাইনি আমরা। রবিবার রাতে মারা যায়। ওঁর চিকিৎসায় গাফিলতি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ওঁর দাদার জন্য কিছু ব্যবস্থা হলে ভাল হয়। সেই দাবিও জানানো হয়েছে।