মাতৃত্ব, অভিনয়, সংসার দারুণ সামলাচ্ছেন শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়। ভালো থাকার গল্প শেয়ার করলেন নায়িকা। লিখছেন স্বরলিপি ভট্টাচার্য।
Advertisement
মা হওয়ার পর জীবন কতটা বদলেছে?
মা হওয়ার তৃপ্তি অন্য স্তরের। আমি সবসময়ই মা হতে চেয়েছিলাম। আমার দুই সন্তান ইউভান এবং ইয়ালিনি জীবনটা একেবারে বদলে দিয়েছে। ব্যক্তিগত ভাবে মনে করি এর থেকে বড় প্রাপ্তি আর হয় না। মা হওয়ার পর জীবন অবশ্যই সম্পূর্ণ হয়েছে।
‘মা হও, তবে বুঝবে’— মায়ের কাছ থেকে এটা শুনে বড় হয়েছেন?
(হা হা হা) হ্যাঁ, এটা সকলেই শোনে বোধহয়। আমিও শুনেছি। আমি মা হওয়ার পর মাকে বলেওছি, হ্যাঁ, এবার বুঝতে পারছি। কিন্তু আমাদের জেনারেশনের মায়েরা আর এটা বলবে না।
কেন?
আমরা অন্যভাবে বাচ্চাদের মানুষ করছি। আমরা মারধর খেয়েই বড় হয়েছি। কিন্তু এখন সেটা স্বাভাবিক নয়। বাচ্চাদের থেকেও বেশি মা হিসেবে আমার ক্ষেত্রে এই আচরণ করাটা অস্বাভাবিক। আমার মনে হয়, আমি একটা অন্য মানুষের গায়ে কীভাবে হাত তুলতে পারি? আগে খুব বেশি রিঅ্যাক্ট করে ফেলতাম। এখন আমি রেসপন্স করি। সেটা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে শিখেছি। বাচ্চারাই আমাকে শেখাচ্ছে। আমার ছেলের চার বছর বয়স। আমি ৩৪। আমার মনে হয় এতটা বয়সের পার্থক্য আমাদের, আর ও কিছু একটা করলে আমি রিঅ্যাক্ট করে ফেলছি? এটুকু বুঝতে পারছি না, ওর মাত্র চার বছর বয়স! আমি আমাদের জেনারেশনের যত মায়েদের সঙ্গে কথা বলি, তারা সকলে এভাবেই ভাবে। আমি সন্তানের জন্ম দিয়েছি, আমার অভিজ্ঞতা দিয়ে তাকে গাইড করতে পারি, তার ‘বস’ হতে পারব না।
সন্তানদের নিয়ে দুশ্চিন্তা হয়?
আমি এমনিতে খুব পজিটিভ মনের মানুষ। সন্তানদের নিয়ে আমার দুশ্চিন্তা হয় না। আমি জানি, আমাদের পরিবারের সকলের গুরুত্ব ওদের জীবনে থাকবে। আমাদের কাজ ওদের মধ্যে মূল্যবোধ গড়ে তোলা। কিন্তু সমাজ থেকে ওরা কী শিখবে, সেটা নিয়ে ভয় হয়। এখন তো সকলে খুব জাজমেন্টাল। ছোট, বড় সব ঘটনাতেই কেউ পজিটিভ ভাবে জিনিসগুলো দেখে না, ভাবে না। নেগেটিভ ভাবে দেখাটাই যেন এখন স্বাভাবিক। সেগুলো যেন ওদের উপর প্রভাব না ফেলে, চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।
সংসার সামলাতে এখনও কি মেয়েদের বেশি পরিশ্রম করতে হয়?
সামগ্রিকভাবে দেখলে আমাদের সমাজের যা পরিস্থিতি, তাতে সত্যিই এখনও সংসারে মেয়েদের বেশি পরিশ্রম করতে হয়। জানেন তো, আমরা মেয়েরা সেটা পারিও। আমাদের সেটা শেখানো হয়েছে। মাল্টিটাস্কিং করতে পারে মেয়েরা। যদিও আমাদের জেনারেশন থেকে সেটা আবার বদলে যাবে। আমরা অভিভাবক হিসেবে পুত্র এবং কন্যা সন্তান, দু’জনকেই সব ধরনের কাজ করতে শেখাচ্ছি।
পেশা এবং ব্যক্তিজীবন ব্যালান্স করেন কীভাবে?
জীবনে যা করি, ভালোবেসে করি। কোনওটাই জোর করে নয়। এটা আমার বহুদিনের অভ্যেস। ফলে এটা এতটাই ভিতর থেকে হয় যে, ব্যালান্স করার জন্য আলাদা করে পরিশ্রম করতে হয় না। যখন কাজে আসছি, সেটা ভালো লাগছে না, তা নয়। কাজ সম্পূর্ণ এনজয় করছি। আবার বাচ্চাদের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছি মানে অন্য কিছু মিস করছি, তাও নয়। সে সময়টা শুধুই বাচ্চাদের। ওদের সঙ্গে থাকা, খেলা করা, ওদের ছোট ছোট নানা মুহূর্ত আমি এনজয় করছি। তখন কিন্তু কাজের কথা মাথায় থাকে না। এখানে আমি পরিবারের কথা বলতে চাই। ২০২৫-এ এসে দাঁড়িয়েও পরিবারের সমর্থন ছাড়া একটা মেয়ের পক্ষে বাড়ি এবং বাড়ির বাইরেটা ব্যালান্স করা অসম্ভব। এখনও আমাদের সমাজের ধারণা, মেয়ে মানে সে বাইরের কাজ করুক। কিন্তু তাকে সংসারের কাজও করতে হবে। ছেলেদের ক্ষেত্রে কিন্তু সেই ভাবনা কাজ করে না। কিন্তু আমার পরিবারে এই ভাবনাটা একেবারেই নেই। শাশুড়ি প্রথমদিনই বলে দিয়েছিলেন, রান্নাঘরে এক গ্লাস জলও নিজে নিতে ঢুকবে না। কারণ আমার ছেলেও ঢোকে না। আমি আমার ছেলেকেও এসব নিয়ে কিছু বলি না, তোমাকেও বলব না। এমন প্রোগ্রেসিভ মানুষ আমাদের সমাজে আরও দরকার।
এত কিছুর মধ্যে নিজের জন্য সময় বের করে নেওয়া কতটা জরুরি?
ভালো থাকার জন্য নিজেকে সময় দেওয়া খুব গুরুত্বপূর্ণ। আমার নিজের জন্য সময় দরকার। সেখানে কেউ থাকবে না। আমার বাচ্চারাও নয়। রাজ থাকতে পারে। আমরা দু’জন চুপচাপ পাশাপাশি ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকলেও আমাদের কোনও অসুবিধে হয় না। ওই স্পেসটা আমরা রেসপেক্ট করি। সে সময় কোনও ফোন ধরি না। মেসেজ দেখি না। প্রতিদিন এই সময়টা ঠিক বের করে নিই।
মন শান্ত রাখতে কী করেন?
প্রতিদিন সকালে ৪৫ মিনিট জিম করি। তারপর দেড় ঘণ্টা ব্যাডমিন্টন খেলি। আমি কিন্তু একজন প্রো ব্যাডমিন্টন প্লেয়ার (হাসি)। আমাকে সবাই টুর্নামেন্টে যেতে বলে। আমার মনে হয় প্রত্যেকের জীবনে স্পোর্টস এবং মিউজিক অন্তত কিছুটা জায়গা জুড়ে থাকা উচিত। এই দুটো মেডিটেশনের মতো। যখন আমি ব্যাডমিন্টন খেলি তখন সব মনোযোগ শাটলের দিকে থাকে। আমি মনে করি ওটাই আমার মেডিটেশন। আমার মি-টাইম। আর একটা অভ্যেস আমি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তৈরি করেছি। রাতে ফোন বন্ধ করে ঘুমোতে যাই। সকালে উঠে ফোনে চার্জ দিই। ইউভানকে স্কুলের জন্য রেডি করি। ও স্কুলে চলে যায়। তারপর আমি রেডি হই। জিমে চলে যাই। ওয়েট ট্রেনিং করি, তারপর এক্সসারসাইজ করি। সকাল সাতটায় উঠি, এগারোটা পর্যন্ত এটা আমার রুটিন। তার আগের রাতে ১০টায় ফোন বন্ধ হয়ে গিয়েছে। পরের দিন বেলা এগারোটায় আবার ফোন হাতে আসে। এতটা সময় ফোন দেখি না। প্রায় ১২ ঘণ্টার একটা ডিটক্স ফোন থেকে হয়। এগুলো মুখে বলে হয় না। এগুলো অভ্যেস। উপলব্ধি করতে হয়। যে কোনও মানুষ জীবন থেকে কী চায়, সেটা গুরুত্বপূর্ণ। সেটা নিয়ে অন্তত নিজের কাছে পরিষ্কার ধারণা থাকা দরকার। সেটা জানা থাকলে বাকিটা ঠিক নিজের মতো করে হয়ে যায়। ব্যালান্স করার জন্য আর পরিশ্রম করতে হয় না।
কাজ নিয়ে বাড়িতে আলোচনা করেন?
হ্যাঁ, রাজের সঙ্গে কাজ নিয়ে বাড়িতেও আলোচনা হয়। একই জায়গায় যেহেতু কাজ করি আমরা, এই আলোচনাটা খুব অর্গানিক ভাবেই হয়। শ্যুটিংয়েও তাই। ধরুন, লাঞ্চ ব্রেকে একসঙ্গে খেলাম। কোনওদিন হয়তো একসঙ্গে খাওয়া হলও না। লোকে কী বলবে সেটা ভেবে আমরা কিছু জোর করে করি না। আমি যখন ‘ইন্দুবালা’ করেছিলাম, প্রতিদিন বাড়িতে গিয়ে ওর সঙ্গে শেয়ার করতাম। ‘পরিণীতা’র শ্যুটিং কয়েকদিন আগেই রাজ শেষ করেছে, সেটা নিয়েও বাড়ি গিয়ে কথা বলত ও।
মা হওয়ার তৃপ্তি অন্য স্তরের। আমি সবসময়ই মা হতে চেয়েছিলাম। আমার দুই সন্তান ইউভান এবং ইয়ালিনি জীবনটা একেবারে বদলে দিয়েছে। ব্যক্তিগত ভাবে মনে করি এর থেকে বড় প্রাপ্তি আর হয় না। মা হওয়ার পর জীবন অবশ্যই সম্পূর্ণ হয়েছে।
‘মা হও, তবে বুঝবে’— মায়ের কাছ থেকে এটা শুনে বড় হয়েছেন?
(হা হা হা) হ্যাঁ, এটা সকলেই শোনে বোধহয়। আমিও শুনেছি। আমি মা হওয়ার পর মাকে বলেওছি, হ্যাঁ, এবার বুঝতে পারছি। কিন্তু আমাদের জেনারেশনের মায়েরা আর এটা বলবে না।
কেন?
আমরা অন্যভাবে বাচ্চাদের মানুষ করছি। আমরা মারধর খেয়েই বড় হয়েছি। কিন্তু এখন সেটা স্বাভাবিক নয়। বাচ্চাদের থেকেও বেশি মা হিসেবে আমার ক্ষেত্রে এই আচরণ করাটা অস্বাভাবিক। আমার মনে হয়, আমি একটা অন্য মানুষের গায়ে কীভাবে হাত তুলতে পারি? আগে খুব বেশি রিঅ্যাক্ট করে ফেলতাম। এখন আমি রেসপন্স করি। সেটা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে শিখেছি। বাচ্চারাই আমাকে শেখাচ্ছে। আমার ছেলের চার বছর বয়স। আমি ৩৪। আমার মনে হয় এতটা বয়সের পার্থক্য আমাদের, আর ও কিছু একটা করলে আমি রিঅ্যাক্ট করে ফেলছি? এটুকু বুঝতে পারছি না, ওর মাত্র চার বছর বয়স! আমি আমাদের জেনারেশনের যত মায়েদের সঙ্গে কথা বলি, তারা সকলে এভাবেই ভাবে। আমি সন্তানের জন্ম দিয়েছি, আমার অভিজ্ঞতা দিয়ে তাকে গাইড করতে পারি, তার ‘বস’ হতে পারব না।
সন্তানদের নিয়ে দুশ্চিন্তা হয়?
আমি এমনিতে খুব পজিটিভ মনের মানুষ। সন্তানদের নিয়ে আমার দুশ্চিন্তা হয় না। আমি জানি, আমাদের পরিবারের সকলের গুরুত্ব ওদের জীবনে থাকবে। আমাদের কাজ ওদের মধ্যে মূল্যবোধ গড়ে তোলা। কিন্তু সমাজ থেকে ওরা কী শিখবে, সেটা নিয়ে ভয় হয়। এখন তো সকলে খুব জাজমেন্টাল। ছোট, বড় সব ঘটনাতেই কেউ পজিটিভ ভাবে জিনিসগুলো দেখে না, ভাবে না। নেগেটিভ ভাবে দেখাটাই যেন এখন স্বাভাবিক। সেগুলো যেন ওদের উপর প্রভাব না ফেলে, চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।
সংসার সামলাতে এখনও কি মেয়েদের বেশি পরিশ্রম করতে হয়?
সামগ্রিকভাবে দেখলে আমাদের সমাজের যা পরিস্থিতি, তাতে সত্যিই এখনও সংসারে মেয়েদের বেশি পরিশ্রম করতে হয়। জানেন তো, আমরা মেয়েরা সেটা পারিও। আমাদের সেটা শেখানো হয়েছে। মাল্টিটাস্কিং করতে পারে মেয়েরা। যদিও আমাদের জেনারেশন থেকে সেটা আবার বদলে যাবে। আমরা অভিভাবক হিসেবে পুত্র এবং কন্যা সন্তান, দু’জনকেই সব ধরনের কাজ করতে শেখাচ্ছি।
পেশা এবং ব্যক্তিজীবন ব্যালান্স করেন কীভাবে?
জীবনে যা করি, ভালোবেসে করি। কোনওটাই জোর করে নয়। এটা আমার বহুদিনের অভ্যেস। ফলে এটা এতটাই ভিতর থেকে হয় যে, ব্যালান্স করার জন্য আলাদা করে পরিশ্রম করতে হয় না। যখন কাজে আসছি, সেটা ভালো লাগছে না, তা নয়। কাজ সম্পূর্ণ এনজয় করছি। আবার বাচ্চাদের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছি মানে অন্য কিছু মিস করছি, তাও নয়। সে সময়টা শুধুই বাচ্চাদের। ওদের সঙ্গে থাকা, খেলা করা, ওদের ছোট ছোট নানা মুহূর্ত আমি এনজয় করছি। তখন কিন্তু কাজের কথা মাথায় থাকে না। এখানে আমি পরিবারের কথা বলতে চাই। ২০২৫-এ এসে দাঁড়িয়েও পরিবারের সমর্থন ছাড়া একটা মেয়ের পক্ষে বাড়ি এবং বাড়ির বাইরেটা ব্যালান্স করা অসম্ভব। এখনও আমাদের সমাজের ধারণা, মেয়ে মানে সে বাইরের কাজ করুক। কিন্তু তাকে সংসারের কাজও করতে হবে। ছেলেদের ক্ষেত্রে কিন্তু সেই ভাবনা কাজ করে না। কিন্তু আমার পরিবারে এই ভাবনাটা একেবারেই নেই। শাশুড়ি প্রথমদিনই বলে দিয়েছিলেন, রান্নাঘরে এক গ্লাস জলও নিজে নিতে ঢুকবে না। কারণ আমার ছেলেও ঢোকে না। আমি আমার ছেলেকেও এসব নিয়ে কিছু বলি না, তোমাকেও বলব না। এমন প্রোগ্রেসিভ মানুষ আমাদের সমাজে আরও দরকার।
এত কিছুর মধ্যে নিজের জন্য সময় বের করে নেওয়া কতটা জরুরি?
ভালো থাকার জন্য নিজেকে সময় দেওয়া খুব গুরুত্বপূর্ণ। আমার নিজের জন্য সময় দরকার। সেখানে কেউ থাকবে না। আমার বাচ্চারাও নয়। রাজ থাকতে পারে। আমরা দু’জন চুপচাপ পাশাপাশি ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকলেও আমাদের কোনও অসুবিধে হয় না। ওই স্পেসটা আমরা রেসপেক্ট করি। সে সময় কোনও ফোন ধরি না। মেসেজ দেখি না। প্রতিদিন এই সময়টা ঠিক বের করে নিই।
মন শান্ত রাখতে কী করেন?
প্রতিদিন সকালে ৪৫ মিনিট জিম করি। তারপর দেড় ঘণ্টা ব্যাডমিন্টন খেলি। আমি কিন্তু একজন প্রো ব্যাডমিন্টন প্লেয়ার (হাসি)। আমাকে সবাই টুর্নামেন্টে যেতে বলে। আমার মনে হয় প্রত্যেকের জীবনে স্পোর্টস এবং মিউজিক অন্তত কিছুটা জায়গা জুড়ে থাকা উচিত। এই দুটো মেডিটেশনের মতো। যখন আমি ব্যাডমিন্টন খেলি তখন সব মনোযোগ শাটলের দিকে থাকে। আমি মনে করি ওটাই আমার মেডিটেশন। আমার মি-টাইম। আর একটা অভ্যেস আমি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তৈরি করেছি। রাতে ফোন বন্ধ করে ঘুমোতে যাই। সকালে উঠে ফোনে চার্জ দিই। ইউভানকে স্কুলের জন্য রেডি করি। ও স্কুলে চলে যায়। তারপর আমি রেডি হই। জিমে চলে যাই। ওয়েট ট্রেনিং করি, তারপর এক্সসারসাইজ করি। সকাল সাতটায় উঠি, এগারোটা পর্যন্ত এটা আমার রুটিন। তার আগের রাতে ১০টায় ফোন বন্ধ হয়ে গিয়েছে। পরের দিন বেলা এগারোটায় আবার ফোন হাতে আসে। এতটা সময় ফোন দেখি না। প্রায় ১২ ঘণ্টার একটা ডিটক্স ফোন থেকে হয়। এগুলো মুখে বলে হয় না। এগুলো অভ্যেস। উপলব্ধি করতে হয়। যে কোনও মানুষ জীবন থেকে কী চায়, সেটা গুরুত্বপূর্ণ। সেটা নিয়ে অন্তত নিজের কাছে পরিষ্কার ধারণা থাকা দরকার। সেটা জানা থাকলে বাকিটা ঠিক নিজের মতো করে হয়ে যায়। ব্যালান্স করার জন্য আর পরিশ্রম করতে হয় না।
কাজ নিয়ে বাড়িতে আলোচনা করেন?
হ্যাঁ, রাজের সঙ্গে কাজ নিয়ে বাড়িতেও আলোচনা হয়। একই জায়গায় যেহেতু কাজ করি আমরা, এই আলোচনাটা খুব অর্গানিক ভাবেই হয়। শ্যুটিংয়েও তাই। ধরুন, লাঞ্চ ব্রেকে একসঙ্গে খেলাম। কোনওদিন হয়তো একসঙ্গে খাওয়া হলও না। লোকে কী বলবে সেটা ভেবে আমরা কিছু জোর করে করি না। আমি যখন ‘ইন্দুবালা’ করেছিলাম, প্রতিদিন বাড়িতে গিয়ে ওর সঙ্গে শেয়ার করতাম। ‘পরিণীতা’র শ্যুটিং কয়েকদিন আগেই রাজ শেষ করেছে, সেটা নিয়েও বাড়ি গিয়ে কথা বলত ও।



