সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: সোনামুখীতে শিক্ষিকার বাড়িতে চুরি করা সোনার অলঙ্কার বিক্রি করতে গিয়ে ধরা পড়ল এক দুষ্কৃতী। ধৃতের নাম সাগর ঘটক। তার বাড়ি সোনামুখী পুরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পুলিস তাকে বড়জোড়া থানা এলাকার একটি জুয়েলারি দোকানের সামনে থেকে গ্রেপ্তার করে। পুলিস জানিয়েছে, কয়েকদিন আগে শহরের এক স্কুল শিক্ষিকার বাড়িতে চুরি হয়। নগদ টাকা সহ সোনার অলঙ্কার, ল্যাপটপ ও মোবাইল চুরি হয়। ঘটনার তদন্তে নেমে সাগরকে চিহ্নিত করা হয়। মোবাইল লোকেশন দেখে তাকে ধরা হয়। ওইদিন বড়জোড়া এলাকায় সে গয়না বিক্রির জন্য গিয়েছিল। তার কাছ থেকে কিছু গয়না উদ্ধার করা হয়েছে। ল্যাপটপটিও উদ্ধার হয়েছে। বাকি মালপত্র উদ্ধারের জন্য পুলিস হেফাজত চেয়ে বুধবার বিষ্ণুপুর মহকুমা আদালতে আবেদন করলে বিচারক তা মঞ্জুর করেন।
Advertisement
পুলিস জানিয়েছে, পেশায় গাড়ি চালক সাগর জানত, ওই শিক্ষিকা ও তার মেয়ে স্কুলে চলে যাওয়ার পর বাড়ি ফাঁকাই থাকে। সেই মতো দু’দিন ধরে বাড়িতে ঢোকার পথ খুঁজে বেড়ায় সে। কয়েকদিন আগে ওই শিক্ষিকা তাঁর মেয়েকে স্কুলে পাঠিয়ে নিজেও বেরিয়ে যেতেই সাগর পাঁচিল টপকে ভেতরে ঢোকে। এরপর একের পর এক তালা ভেঙে নগদ টাকা সহ প্রায় দেড় লক্ষ টাকার গয়না নিয়ে চম্পট দেয়। যাওয়ার আগে একটি মোবাইল, ল্যাপটপ, শাড়ি ও প্রসাধনী দ্রব্য নিয়ে যায়। স্কুল শিক্ষিকা বিকালে ফিরে চুরির বিষয়টি জানতে পারেন। অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিস তদন্তে নামে। এলাকার সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়। তাতে সাগরকে চিহ্নিত করা হয়। সে পেশায় গাড়ি চালক হলেও চুরির অভিযোগের রেকর্ড তার নেই। সেজন্য প্রথমে তাকে নিয়ে সংশয় তৈরি হয়। পরে বিভিন্ন প্রমাণের ভিত্তিতে তাকে ধরার চেষ্টা করা হয়। চুরি করা সামগ্রী বিক্রির চেষ্টায় ছিল সে। মঙ্গলবার একইভাবে সে সোনার কিছু গয়না বড়জোড়া এলাকায় বিক্রির জন্য গিয়েছিল। সেখান থেকেই তাকে ধরা হয়।
শিক্ষিকা বলেন, আমার স্বামী কর্মসূত্রে দুর্গাপুরে থাকেন। কয়েকদিন আগে মেয়েকে স্কুলে পাঠিয়ে আমি নিজের স্কুলে গিয়েছিলাম। বিকালে ফিরে এসে দেখি বাড়ির সদর দরজার তালা ভাঙা রয়েছে। ঘরের ভেতরে সমস্ত জিনিসপত্র লণ্ডভণ্ড অবস্থায় রয়েছে। আলমারিও খোলা অবস্থায় রয়েছে। তখনই চুরি হয়েছে বলে বুঝতে পারি। পুলিসকে খবর দেওয়া হয়। পুলিস এসে তদন্ত করে। পরে মিলিয়ে দেখি আলমারিতে থাকা ৪২ হাজার টাকা, সোনার একজোড়া কানের দুল, ১ জোড়া নাকছাবি, ১টি আংটি ছাড়াও একটি ল্যাপটপ, মোবাইল এবং বেশ কিছু দামি শাড়ি ও প্রসাধনি দ্রব্য চুরি গিয়েছে। খোদ শহরে দিনের বেলায় এভাবে চুরি হয়ে যাবে তা ভাবিনি।
শিক্ষিকা বলেন, আমার স্বামী কর্মসূত্রে দুর্গাপুরে থাকেন। কয়েকদিন আগে মেয়েকে স্কুলে পাঠিয়ে আমি নিজের স্কুলে গিয়েছিলাম। বিকালে ফিরে এসে দেখি বাড়ির সদর দরজার তালা ভাঙা রয়েছে। ঘরের ভেতরে সমস্ত জিনিসপত্র লণ্ডভণ্ড অবস্থায় রয়েছে। আলমারিও খোলা অবস্থায় রয়েছে। তখনই চুরি হয়েছে বলে বুঝতে পারি। পুলিসকে খবর দেওয়া হয়। পুলিস এসে তদন্ত করে। পরে মিলিয়ে দেখি আলমারিতে থাকা ৪২ হাজার টাকা, সোনার একজোড়া কানের দুল, ১ জোড়া নাকছাবি, ১টি আংটি ছাড়াও একটি ল্যাপটপ, মোবাইল এবং বেশ কিছু দামি শাড়ি ও প্রসাধনি দ্রব্য চুরি গিয়েছে। খোদ শহরে দিনের বেলায় এভাবে চুরি হয়ে যাবে তা ভাবিনি।



