Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬

সিন্ধেকে সামনে রেখে এবার সাংসদ   কেনা-বেচার ‘খেলা’ শুরু বিজেপির

সিন্ধেকে সামনে রেখে এবার সাংসদ   কেনা-বেচার ‘খেলা’ শুরু বিজেপির
  • ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: ‘অপারেশন লোটাস’ নয়। এবার নাম বদল। ‘অপারেশন টাইগার’। মহারাষ্ট্রে বিজেপি এবার নিজের ঘাড়ে দায়িত্ব ও অপবাদের দায় নিতে রাজি নয়। তাই শরিক দলকে দায়িত্ব দিয়েছে বিরোধী দল ভাঙানোর। একনাথ সিন্ধের শিবসেনার উপর ভার পড়েছে কংগ্রেস এবং উদ্ধব থ্যাকারের দল ভাঙিয়ে এমপি এবং বিধায়ক নিয়ে আসার।
Advertisement
সূত্রের খবর, একনাথ সিন্ধের দলের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হচ্ছে উদ্ধব থ্যাকারের দলের এমপিদের সঙ্গে। মোট ৬ এমপি শিবির বদল করতে পারতে পারেন জল্পনা। কেন হঠাৎ এমপি নিয়ে টানাটানি? কারণ বিজেপি চাইছে নিজেদের এবং এনডিএ জোটের আসন সংখ্যা বাড়াতে। লোকসভায় বিজেপির কাছে আছে ২৪০। এনডিএ জোটের আসন সংখ্যা ২৯৩। প্রধানত নীতীশ কুমার এবং চন্দ্রবাবু নাইডুর উপর ভরসা করে নরেন্দ্র মোদির সরকার চলছে। তাই সংখ্যা বৃদ্ধি জরুরি ভবিষ্যতের জন্য। সেই কারণে প্রথমে বেছে নেওয়া হয়েছে মহারাষ্ট্রকে। 
সূত্রের খবর, এনসিপি ভাঙার দায়িত্ব অজিত পাওয়ারের উপর। যদিও তাঁকে সেভাবে পূর্ণ বিশ্বাস করে না বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব। কারণ শারদ পাওয়ার এবং অজিত পাওয়ারের মধ্যে বিরোধ সত্যি নাকি সাজানো, এখনও পর্যন্ত সেটাই মহারাষ্ট্রে রাজনৈতিক মহল বুঝে উঠতে পারেনি। তাই আগে একনাথ সিন্ধেকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে উদ্ধব থ্যাকারের দল থেকে এমপি বিধায়কদের যাতে এনডিএ জোটে নিয়ে আসা যায়। যদিও শিবসেনা (উদ্ধব থ্যাকারে) নেতা সঞ্জয় রাউথ বলেছেন, ‘এই জল্পনা ভিত্তিহীন। বিজেপি দিল্লি থেকে এই গুজব ছড়াচ্ছে। আমাদের দল সম্পূর্ণ অটুট।’ তিনি একথা বললেও আরও একটি জল্পনা তুঙ্গে। সেটি হল, উদ্ধব থ্যাকারের শিবসেনাই আবার বিজেপি জোটে চলে আসবে না তো? সঞ্জয় রাউথ এই গুজবকেও উড়িয়ে দিয়েছেন।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ