নটিংহ্যাম: প্রথম টি-২০ ম্যাচে স্মৃতি মান্ধানার ব্যাটেই বিধ্বস্ত ইংল্যান্ড। ৬২ বলে ক্যাপ্টেনের ১১২ রানের অনবদ্য ইনিংসে জয়ের পথ প্রশস্ত হয়েছে ভারতের। আন্তর্জাতিক টি-২০ ম্যাচে প্রথম শতরান হাঁকিয়ে রীতিমতো আপ্লুত ম্যাচের সেরা। মান্ধানার কথায়, ‘সত্যি বলতে কী, আমি টি-২০ স্পেশালিস্ট নই। আমার খেলার ধরন ওডিআই ও টেস্ট ক্রিকেটের সঙ্গেই বেশি মানানসই। তবে সম্প্রতি পাওয়ার হিটিংয়ের উপর জোর দিয়েছি। তার সুফল মিলছে। এই ফরম্যাটে সেঞ্চুরি করতে পেরে দারুণ খুশি।’
৫১ বলে শতরানের পর মান্ধানাকে অভিনব সেলিব্রেশনও করতে দেখা যায়। এই প্রসঙ্গে ভারতীয় ক্যাপ্টেন বলেন, ‘এটা খুব মজার গল্প। আসলে সতীর্থ রাধা যাদবের জন্যই ছিল ওই সেলিব্রেশন। দলের মেয়েরা আমার উপর খুব চাপ সৃষ্টি করে। কয়েকদিন আগেই ও আমায় বলছিল, তুমি তোমার প্রতিভার সদ্ব্যবহার করছ না। বারবার ৭০-৮০ রানের গণ্ডিতে আটকে যাচ্ছ। এবার সেঞ্চুরি করতেই হবে। আমি বলেছিলাম, চেষ্টা করব। ভাবিনি, প্রথম ম্যাচেই ওর কথা রাখতে পারব। তাই শতরানের পর সেলিব্রেশনটা ওকে উত্সর্গ করি।’ একটু থেমে মান্ধানার সংযোজন, ‘দশ বছরের বেশি হল, আমি টি-২০ খেলছি। বারবার ৭০-৮০’তে আউট হওয়ায় নিজেরও একটা খারাপ লাগা ছিল। অবশেষে স্বস্তি পেলাম।’ পাশাপাশি, সতীর্থদেরও প্রশংসায় ভরিয়েছেন ভারতের মহিলা দলের ক্যাপ্টেন। বিশেষ করে শ্রী চরণিকে। অভিষেক টি-২০ ম্যাচেই চার উইকেট নিয়ে চমক দিয়েছেন বাঁ হাতি স্পিনার। মান্ধানার বক্তব্য, ‘শ্রী চরণির প্রতিভার আঁচ মহিলা প্রিমিয়ার লিগেই পেয়েছিলাম। তবে প্রথম ম্যাচেই এমন পারফরম্যান্স মেলে ধরা সত্যিই প্রশংসার। বাকি বোলাররাও পরিকল্পনার বাস্তবায়নে সফল। প্রতিপক্ষের ন্যাট সিভার ব্রান্ট যখন ব্যাট করছিল, তখনও বোলাররা আঁটসাঁট বোলিং করেছে। ঠিক করেছিলাম, প্রয়োজনে সিঙ্গলস নিক, কিন্তু বাউন্ডারি যেন না পায়। তাতে আমরা সফল।’ এদিকে, শেফালি ভার্মার অফ-ফর্ম নিয়েও মুখ খুলেছেন ক্যাপ্টেন। স্মৃতির কথায়, ‘ওর প্রতিভা নিয়ে সংশয়ের অবকাশ নেই। বড় রান আসা স্রেফ সময়ের অপেক্ষা।’