অর্ক দে, কলকাতা: অনেক সময় নতুন ফ্ল্যাট কেনার পরই ফাঁপরে পড়েন ক্রেতা। ফ্ল্যাটের মিউটেশন করাতে গিয়ে জানতে পারেন, পুরসভার কাছে বকেয়া রয়েছে বহু টাকার সম্পত্তি কর। অন্য কোনও উপায় না পেয়ে বাধ্য হয়েই মোটা টাকা মেটাতে হয় ফ্ল্যাটের মালিককে। এই ধরনের সমস্যা থেকে ক্রেতাদের সুরাহা দিল কলকাতা পুরসভা। সম্প্রতি পুরসভা নির্দেশিকা জারি করে জানিয়েছে, সম্পত্তি করের টাকা নিয়মিত না মেটালে নির্মাণ বন্ধ করে দেওয়া হবে। কোনও নির্মীয়মান বিল্ডিংয়ের সম্পত্তি কর বছরখানেক বকেয়া পড়ে থাকলে সেখানে ‘স্টপ ওয়ার্ক’ নোটিস দেবে পুর-কর্তৃপক্ষ। সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট জমির মালিক বা ডেভেলপার বা প্রোমোটার, যে কেউ এই ট্যাক্সের টাকা মেটাতে বাধ্য থাকবেন। পরবর্তী সময়ে ফ্ল্যাটের ক্রেতাকে আর বকেয়া সম্পত্তি করের বোঝা বইতে হবে না।
Advertisement
কোথাও নতুন বাড়ি বা আবাসন তৈরির সময় জমির মালিক প্রোমোটার কিংবা ডেভেলপারকে ‘পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি’ দেন। বিল্ডিং প্ল্যানের অনুমোদন নেওয়ার সময় সম্পূর্ণ সম্পত্তি কর মেটাতে হয়। না হলে নতুন নির্মাণের অনুমোদন মেলে না। পুর কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছে, নির্মাণের অনুমোদন নেওয়ার পর থেকে সিসি (কমপ্লিশন সার্টিফিকেট) নেওয়া পর্যন্ত মধ্যবর্তী সময়ে বহু ক্ষেত্রেই সম্পত্তি কর মেটায় না মালিকপক্ষ বা প্রোমোটার। পরে যখন ফ্ল্যাট বিক্রি হয়, তখন ক্রেতা মিউটেশন করাতে গিয়ে সম্পত্তি কর মেটাতে বাধ্য হন। এবার সেই সমস্যার সমাধান হবে বলে আশাবাদী পুরকর্তারা।
নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, বাড়ি বা ফ্ল্যাটের প্ল্যান অনুমোদন থেকে শুরু করে সিসি পাওয়া পর্যন্ত নিয়মিত সম্পত্তি কর মেটাতে হবে। জমির মালিক নাকি প্রোমোটার বা ডেভেলপার—কে তা মেটাবেন, সেটা তাঁরা নিজেরাই ঠিক করে নেবেন। টানা এক বছর সম্পত্তি কর বকেয়া থাকলে সংশ্লিষ্ট নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেওয়া হবে। কোন নির্মাণ চলছে, কিন্তু নিয়মিত সম্পত্তি করের টাকা জমা পড়ছে না, তা নজর রাখবে আইটি বিভাগ। সূত্রের খবর, প্রথমে মেয়র ফিরহাদ হাকিম চেয়েছিলেন, বকেয়া কর সরাসরি প্রোমোটার বা ডেভেলপারের থেকেই আদায় করা হোক। আধিকারিকরা তাঁকে জানান, এক্ষেত্রে আইনি কিছু জটিলতা দেখা দিতে পারে। কারণ, প্রোমোটার কখনও জমি বা সম্পত্তির মালিক নয়। জমির মালিক তাঁকে ‘পাওয়ার অব অ্যাটর্নি’ দেন ওই জায়গায় ফ্ল্যাট বা বাড়ি তৈরির জন্য। তাই সম্পত্তি কর আদায় নিশ্চিত করতে প্রোমোটার ও মলিক, উভয় পক্ষকেই দায়বদ্ধ রাখতে এই নিয়ম বলে পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে।
এক শীর্ষকর্তা বলেন, ‘এখানে নিয়মের কিছু ফাঁক ছিল। সেটাই ভরাট করার চেষ্টা হয়েছে। বিল্ডিং বিভাগ অনুমোদন দেওয়ার পর আর এনিয়ে কোনও নজরদারি করত না। সেক্ষেত্রে সম্পত্তি করের বিপুল টাকা বকেয়াই পড়ে থাকত। এবার থেকে কোনও নির্মাণস্থলের সম্পত্তি কর এক বছর বকেয়া হয়ে গেলেই তা বিল্ডিং বিভাগের নজরে আনা হবে। তারপর ওই নির্মাণ বন্ধের জন্য নোটিস ধরানো হবে।
এমনকী, নির্মাণ সম্পূর্ণ হয়ে যাওয়ার পর যতদিন পর্যন্ত ফ্ল্যাট বিক্রি না হবে, ততদিন সম্পত্তি কর মিটিয়ে যেতে হবে সংশ্লিষ্ট জমির মালিক অথবা প্রোমোটার-ডেভেলপারকে।’
নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, বাড়ি বা ফ্ল্যাটের প্ল্যান অনুমোদন থেকে শুরু করে সিসি পাওয়া পর্যন্ত নিয়মিত সম্পত্তি কর মেটাতে হবে। জমির মালিক নাকি প্রোমোটার বা ডেভেলপার—কে তা মেটাবেন, সেটা তাঁরা নিজেরাই ঠিক করে নেবেন। টানা এক বছর সম্পত্তি কর বকেয়া থাকলে সংশ্লিষ্ট নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেওয়া হবে। কোন নির্মাণ চলছে, কিন্তু নিয়মিত সম্পত্তি করের টাকা জমা পড়ছে না, তা নজর রাখবে আইটি বিভাগ। সূত্রের খবর, প্রথমে মেয়র ফিরহাদ হাকিম চেয়েছিলেন, বকেয়া কর সরাসরি প্রোমোটার বা ডেভেলপারের থেকেই আদায় করা হোক। আধিকারিকরা তাঁকে জানান, এক্ষেত্রে আইনি কিছু জটিলতা দেখা দিতে পারে। কারণ, প্রোমোটার কখনও জমি বা সম্পত্তির মালিক নয়। জমির মালিক তাঁকে ‘পাওয়ার অব অ্যাটর্নি’ দেন ওই জায়গায় ফ্ল্যাট বা বাড়ি তৈরির জন্য। তাই সম্পত্তি কর আদায় নিশ্চিত করতে প্রোমোটার ও মলিক, উভয় পক্ষকেই দায়বদ্ধ রাখতে এই নিয়ম বলে পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে।
এক শীর্ষকর্তা বলেন, ‘এখানে নিয়মের কিছু ফাঁক ছিল। সেটাই ভরাট করার চেষ্টা হয়েছে। বিল্ডিং বিভাগ অনুমোদন দেওয়ার পর আর এনিয়ে কোনও নজরদারি করত না। সেক্ষেত্রে সম্পত্তি করের বিপুল টাকা বকেয়াই পড়ে থাকত। এবার থেকে কোনও নির্মাণস্থলের সম্পত্তি কর এক বছর বকেয়া হয়ে গেলেই তা বিল্ডিং বিভাগের নজরে আনা হবে। তারপর ওই নির্মাণ বন্ধের জন্য নোটিস ধরানো হবে।
এমনকী, নির্মাণ সম্পূর্ণ হয়ে যাওয়ার পর যতদিন পর্যন্ত ফ্ল্যাট বিক্রি না হবে, ততদিন সম্পত্তি কর মিটিয়ে যেতে হবে সংশ্লিষ্ট জমির মালিক অথবা প্রোমোটার-ডেভেলপারকে।’



