নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: বাজারে ছিল প্রায় সাত লক্ষ টাকা ঋণ। বাবা-মাকে সেই টাকা দেওয়ার জন্য বারে বারে বলেও পায়নি মেয়ে-জামাই। তাই টাকার জন্য ‘সুপারি কিলার’ দিয়ে বাবা-মাকে খুন করে তারা। এই খুনের মামলায় মেয়ে, জামাই ও ভাড়াটে খুনিকে সোমবার সশ্রম যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দিল বারাসত আদালত। সাজা প্রাপকদের নাম জামাই বান্টি সাধু, মেয়ে নিবেদিতা সাধু ও সুপারি কিলার অজয় দাস।
Advertisement
২০২০ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর হাবড়া থানার টুনিঘাটার লন্ডনপাড়া এলাকায় রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয় প্রাক্তন সেনাকর্মী রামকৃষ্ণ মণ্ডল ও তাঁর স্ত্রী লীলারানি মণ্ডলের। ওইদিন মধ্যরাতে বাড়ির দরজার সামনে গুলি করে খুন করা হয় দম্পতিকে। ঘটনার আটদিন পর জোড়া খুনের তদন্ত অন্যদিকে মোড় নেয়। খুনের অভিযোগে জামাই বান্টি সাধু, মেয়ে নিবেদিতা সাধু ও সুপারি কিলার অজয় দাসকে গ্রেপ্তার করে হাবড়া থানার পুলিস।
প্রথমে পরিবারের লোকজনের অভিযোগের ভিত্তিতে এই ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিস এক যুবককে গ্রেপ্তার করে। কিন্তু, হেফাজতে থাকাকালীন তার কাছ থেকে কোনও কিছুই পায়নি পুলিস। এরপর পুলিসের নজর ঘুরে যায় পরিবারের অন্যদের দিকে। শেষমেশ দম্পতির মেয়ে, জামাই ও তাঁর এক বন্ধু তথা শ্যুটারকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। খুনে ব্যবহৃত বন্দুকও উদ্ধার হয়। তদন্তকারীরা জানতে পারেন, বাজারে প্রায় সাত লক্ষ টাকা দেনা রয়েছে জামাইয়ের। সেই টাকা শোধ করার জন্য শ্বশুর-শাশুড়ির উপর জমি বিক্রির জন্য চাপ সৃষ্টি করছিল সে। শুধু তাই নয় ‘জলপড়া’ দিয়েও তাঁদের বশে আনতে চেয়েছিল। কিন্তু জমি বিক্রি করে বা অন্যভাবে জামাইকে টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় প্রৌঢ় শ্বশুর-শাশুড়িকে খুন করার পরিকল্পনা করে মেয়ে-জামাই। এই অপারেশন সফল হলে সুপারি কিলার অজয়কে ৫০ হাজার টাকা দেওয়ার কথা হয়। এজন্য নদীয়া থেকে অস্ত্র কেনে অজয়। এই ‘চুক্তি’র কথোপকথন রেকর্ড করা ছিল অজয়ের কাছে। আইনজীবীরা রেকর্ড ও টেকনিক্যাল সহায়তা নিয়ে মামলার শুনানিতে অংশ নেন। অবশেষে সোমবার সাজা ঘোষণা করল বারাসত জেলা আদালতে।
মামলার সরকারি আইনজীবী বিভাস চট্টোপাধ্যায় বলেন, ২৬ জন সাক্ষ্য দেন। নির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে তিনজন দোষীকে সশ্রম যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও পাঁচ মাস কারাবাসের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। এছাড়াও অস্ত্র আইনে অজয়ের তিন ও পাঁচ বছর কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। খুব কাছ থেকে রামকৃষ্ণর মাথায় ও লীলারানির বুকে গুলি করেছিল অজয়। দু’টি গুলির খোল উদ্ধার হয়। খুনের জন্য কয়েকদিন আগে অজয়কে বাড়ি চিনিয়ে দিয়েছিল জামাই।
প্রথমে পরিবারের লোকজনের অভিযোগের ভিত্তিতে এই ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিস এক যুবককে গ্রেপ্তার করে। কিন্তু, হেফাজতে থাকাকালীন তার কাছ থেকে কোনও কিছুই পায়নি পুলিস। এরপর পুলিসের নজর ঘুরে যায় পরিবারের অন্যদের দিকে। শেষমেশ দম্পতির মেয়ে, জামাই ও তাঁর এক বন্ধু তথা শ্যুটারকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। খুনে ব্যবহৃত বন্দুকও উদ্ধার হয়। তদন্তকারীরা জানতে পারেন, বাজারে প্রায় সাত লক্ষ টাকা দেনা রয়েছে জামাইয়ের। সেই টাকা শোধ করার জন্য শ্বশুর-শাশুড়ির উপর জমি বিক্রির জন্য চাপ সৃষ্টি করছিল সে। শুধু তাই নয় ‘জলপড়া’ দিয়েও তাঁদের বশে আনতে চেয়েছিল। কিন্তু জমি বিক্রি করে বা অন্যভাবে জামাইকে টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় প্রৌঢ় শ্বশুর-শাশুড়িকে খুন করার পরিকল্পনা করে মেয়ে-জামাই। এই অপারেশন সফল হলে সুপারি কিলার অজয়কে ৫০ হাজার টাকা দেওয়ার কথা হয়। এজন্য নদীয়া থেকে অস্ত্র কেনে অজয়। এই ‘চুক্তি’র কথোপকথন রেকর্ড করা ছিল অজয়ের কাছে। আইনজীবীরা রেকর্ড ও টেকনিক্যাল সহায়তা নিয়ে মামলার শুনানিতে অংশ নেন। অবশেষে সোমবার সাজা ঘোষণা করল বারাসত জেলা আদালতে।
মামলার সরকারি আইনজীবী বিভাস চট্টোপাধ্যায় বলেন, ২৬ জন সাক্ষ্য দেন। নির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে তিনজন দোষীকে সশ্রম যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও পাঁচ মাস কারাবাসের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। এছাড়াও অস্ত্র আইনে অজয়ের তিন ও পাঁচ বছর কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। খুব কাছ থেকে রামকৃষ্ণর মাথায় ও লীলারানির বুকে গুলি করেছিল অজয়। দু’টি গুলির খোল উদ্ধার হয়। খুনের জন্য কয়েকদিন আগে অজয়কে বাড়ি চিনিয়ে দিয়েছিল জামাই।



