সোহম কর, ডানকুনি: বিরাট কোহলির মতো সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে কামব্যাকের খোয়াবে মশগুল সিপিএম। রাজ্য সম্মেলন শেষে সমাবেশ থেকে ‘বিরাট’ প্রসঙ্গ টেনে আনলেন যুবনেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। বুথে আঁকড়ে লড়াই থেকে শুরু করে টেস্ট ম্যাচের মানসিকতা নিয়ে আন্দোলনের ময়দানে টিকে থাকার বার্তা দিলেন এই জনপ্রিয় নেত্রী।
Advertisement
মঙ্গলবার ডানকুনি কোল ইন্ডিয়া কমপ্লেক্সে শেষ হল সিপিএমের ২৭তম রাজ্য সম্মেলন। এই উপলক্ষ্যে ডানকুনি স্পোর্টিং ক্লাব মাঠে সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছিল। জনসমাগম হয়েছিল নজরকাড়া। শুরুতে বক্তব্য রাখতে ওঠেন দেবলীনা হেমব্রম। কেন্দ্র-রাজ্যকে আক্রমণ করেন তিনি। তাঁর আক্রমণাত্মক বক্তৃতা কর্মী-সমর্থকদের উজ্জীবিত করে। পার্টির পলিট ব্যুরোর কোঅর্ডিনেটর প্রকাশ কারাত তাঁর বক্তব্যে বিজেপি-আরএসএসকে আক্রমণ করেন। তিনি বলেন, পূর্ব ভারতে প্রভাব বিস্তারের জন্য আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত বাংলায় এসেছিলেন। তার মোকাবিলায় সিপিএমের শক্তি বাড়াতে হবে। এদিকে, সমাবেশের মাঠে তখন মীনাক্ষীর ছবি দেওয়া ‘বাংলার ক্যাপ্টেন’-এর ভাষণ শোনার অপেক্ষায় কর্মী-সমর্থকরা। তিনি আগামী ২০ এপ্রিল ব্রিগেড সমাবেশ সফল করার ডাক দেন। ইনসাফ ব্রিগেডের চেয়েও বড় আকারে সমাবেশ করার ডাক দেন তিনি। সব শেষে বক্তব্য রাখতে ওঠেন পুননির্বাচিত রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। তাঁর বক্তব্য, এই সমাবেশ বলে দিচ্ছে সিপিএম ছিল, আছে, থাকবে। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সিপিএমের হুগলি জেলার সম্পাদক দেবব্রত ঘোষ।
রাজ্য সম্মেলন থেকে মোট ৮০ জনের রাজ্য কমিটি নির্বাচিত হয়েছে। পুনরায় রাজ্য সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন মহম্মদ সেলিম। কমিটিতে ১৫ জন মহিলা রয়েছেন। নতুন ১১ জন। পশ্চিম মেদিনীপুরের একদা দাপুটে নেতা সুশান্ত ঘোষ বাদ পড়েছেন নতুন রাজ্য কমিটি থেকে। কিন্তু উত্তর ২৪ পরগনার প্রাক্তন জেলা সম্পাদক মৃণাল চক্রবর্তী নতুন জেলা কমিটিতে ভোটাভুটিতে হেরে গেলেও রাজ্য কমিটিতে স্থান পেয়েছেন। ডিওয়াইএফআইয়ের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হিমঘ্নরাজ ভট্টাচার্যের নামও নেই। সূত্রের খবর, বয়সের কারণেই বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য সহ একাধিক নেতার নাম বাদ পড়েছে। বর্ষীয়ান এই আইনজীবীকে আমন্ত্রিত সদস্যের তালিকাতেও রাখা হয়নি। বিশেষ আমন্ত্রিত হয়েছেন বিমান বসু, সূর্যকান্ত মিশ্র, অমিয় পাত্র, রবীন দেব ও জীবেশ সরকার। কন্ট্রোল কমিটির চেয়ারপার্সন হয়েছেন অঞ্জু কর। এদিকে, আর জি কর কাণ্ড থেকে চর্চায় থাকা যুবনেতা কলতান দাশগুপ্ত রাজ্য কমিটিতে স্থান পাননি। যদিও পরে আরও কয়েকজনকে বিশেষ আমন্ত্রিত সদস্য করা হবে বলে খবর।
রাজ্য সম্মেলন থেকে মোট ৮০ জনের রাজ্য কমিটি নির্বাচিত হয়েছে। পুনরায় রাজ্য সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন মহম্মদ সেলিম। কমিটিতে ১৫ জন মহিলা রয়েছেন। নতুন ১১ জন। পশ্চিম মেদিনীপুরের একদা দাপুটে নেতা সুশান্ত ঘোষ বাদ পড়েছেন নতুন রাজ্য কমিটি থেকে। কিন্তু উত্তর ২৪ পরগনার প্রাক্তন জেলা সম্পাদক মৃণাল চক্রবর্তী নতুন জেলা কমিটিতে ভোটাভুটিতে হেরে গেলেও রাজ্য কমিটিতে স্থান পেয়েছেন। ডিওয়াইএফআইয়ের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হিমঘ্নরাজ ভট্টাচার্যের নামও নেই। সূত্রের খবর, বয়সের কারণেই বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য সহ একাধিক নেতার নাম বাদ পড়েছে। বর্ষীয়ান এই আইনজীবীকে আমন্ত্রিত সদস্যের তালিকাতেও রাখা হয়নি। বিশেষ আমন্ত্রিত হয়েছেন বিমান বসু, সূর্যকান্ত মিশ্র, অমিয় পাত্র, রবীন দেব ও জীবেশ সরকার। কন্ট্রোল কমিটির চেয়ারপার্সন হয়েছেন অঞ্জু কর। এদিকে, আর জি কর কাণ্ড থেকে চর্চায় থাকা যুবনেতা কলতান দাশগুপ্ত রাজ্য কমিটিতে স্থান পাননি। যদিও পরে আরও কয়েকজনকে বিশেষ আমন্ত্রিত সদস্য করা হবে বলে খবর।



