সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ : ‘সুন্দরবন ফরেস্ট সত্যাগ্রহ’ অভিযান মাঝপথে আটকে দিয়েছিল পুলিস ও বনদপ্তর। সেই অভিযোগে ধরনা অবস্থান শুরু করেছিলেন সুন্দরবনের ক্ষুদ্র মৎস্যজীবীরা। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ধরনা ঘিরে উত্তাল হয়ে ওঠে পাথরপ্রতিমা। নিজেদের দাবি আদায়ে কয়েকশো মৎস্যজীবী ভাগবতপুর কুমির প্রকল্পের সামনে অবস্থানে বসেন। সকাল ১০টা থেকে তা শুরু হয়। চলে দুপুর তিনটে পর্যন্ত। মৎস্যজীবীরা ভাগবতপুর রেঞ্জারকে স্মারকলিপি দিয়েছেন। একইসঙ্গে ১৮০ মৎস্যজীবী নদী, খাঁড়ি ও জঙ্গলে মাছ, কাঁকড়া শিকারের অনুমতি চেয়ে আবেদনপত্রও জমা করেন। নদী, খাঁড়ি ও জঙ্গলে মাছ ও কাঁকড়া শিকারে বনদপ্তরের নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে রবিবার সুন্দরবন ফরেস্ট সত্যাগ্রহ আন্দোলন শুরু হয়েছিল। ডায়মন্ডহারবারের সুলতানপুর মৎস্যবন্দর থেকে লোথিয়ান দ্বীপের দিকে যাত্রা শুরু করেছিলেন শতাধিক ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী। তাঁরা তিনদিন ধরে প্রায় ৭০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করেন। ১১ জুন, রবিবার নৌকায় লোথিয়ান ওয়াইল্ডলাইফ স্যাংচুয়ারি যাবেন বলে পাড়ি দিয়েছিলেন। কিন্তু বনদপ্তর ও পুলিস দ্বীপে পা রাখতে দেয়নি। প্রায় ৪০ ফুট দূরে নৌকা আটকে দেয়। তারপর মৎসজীবীরা ওখানে দাঁড়িয়েই ধরনার কথা ঘোষণা করেন। তারপর কয়েকশো মৎস্যজীবী ভাগবতপুর বনদপ্তরের সামনে ধরনায় বসেন। দক্ষিণবঙ্গ মৎস্যজীবী ফোরামের সম্পাদক মিলন দাস বলেন, ‘চার দফা দাবি সম্বলিত স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে রেঞ্জারকে। এক মাসের মধ্যে পদক্ষেপ না নেওয়া হলে ১২ জুলাই আবার ধরনা শুরু করবেন ক্ষুদ্র মৎস্যজীবীরা।’ - নিজস্ব চিত্র



