নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সৌরবিদ্যুৎ বিক্রি করে মোটা টাকা আয় করল কলকাতা পুরসভা। পুরসভার চারটি গুরুত্বপূর্ণ ভবনের ছাদে সোলার প্যানেল বসানো হয়েছে। গত বছরের জুলাই মাসে চালু হয়েছে সৌরবিদ্যুতের উৎপাদন। উৎপাদিত বিদ্যুৎ সরাসরি চলে যাচ্ছে বেসরকারি বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থার গ্রিডে। এই খাতে বছরে আয় হবে প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা। এদিকে, বিদ্যুতের বিল বাবদ পুরসভা ওই সংস্থাকে যে বিল মেটায়, তার সঙ্গেই ‘অ্যাডজাস্ট’ হবে এই টাকা। অর্থাৎ বছরে ওই পরিমাণ টাকা সাশ্রয় হবে। এমনটাই দাবি আধিকারিকদের।
Advertisement
শহরের বুকে বিভিন্ন পার্কে বেশ কয়েক বছর ধরেই জ্বলছে সৌরবিদ্যুতের আলো। গত বছর পুরসভার চারটি ভবনের ছাদে বসানো হয়েছে সোলার প্যানেল। সব মিলিয়ে দিনে ৪২০ কিলোওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপন্ন হচ্ছে। যা সরাসরি চলে যাচ্ছে সংশ্লিষ্ট বেসরকারি বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থার গ্রিডে। সেই বাবদ যে টাকা পুরসভার প্রাপ্য, তা বিদ্যুতের বিলের সঙ্গে ‘অ্যাডজাস্ট’ হয়ে যাবে। এক আধিকারিক বলেন, সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের কারণে পুরসভার মাসে আয় হচ্ছে ১.৩০ লক্ষ থেকে ১.৩৩ লক্ষ টাকা। কিন্তু এই টাকা আমরা হাতে পাই না। প্রতি মাসের যে বিদ্যুৎ বিল আসে, তার সঙ্গে অ্যাডজাস্ট হয়ে যায়। এই খাতে বছরে আমাদের সাশ্রয় হবে প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা। বর্তমানে পুরসভা ইউনিট প্রতি ৩ টাকা ১৭ পয়সা দাম পায় সৌরবিদ্যুতের। আগামী অর্থবর্ষে এই দাম বাড়তে চলেছে। তখন ইউনিট প্রতি ৭ টাকা ৮৫ পয়সা হারে বিক্রি করা হবে।
পুরসভার আলোক বিভাগের বক্তব্য, এমনিতেই খরচ বাঁচাতে বিদ্যুতের অপচয় বন্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি, সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন করে তা বেসরকারি বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থাকে বিক্রি করায় সেখান থেকেও সাশ্রয় হচ্ছে। এখন আরও কয়েকটি সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রকল্প তৈরির প্রক্রিয়া চলছে।
পুরসভার আলোক বিভাগের বক্তব্য, এমনিতেই খরচ বাঁচাতে বিদ্যুতের অপচয় বন্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি, সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন করে তা বেসরকারি বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থাকে বিক্রি করায় সেখান থেকেও সাশ্রয় হচ্ছে। এখন আরও কয়েকটি সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রকল্প তৈরির প্রক্রিয়া চলছে।



