একসময়ে কব্জি ডুবিয়ে খেতেন বাংলা তথা হিন্দি ছবির প্রবীণ এবং জনপ্রিয় অভিনেতা বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায়। এখন অবশ্য মেপেজুপে খাওয়া। সাক্ষাৎকারে দেবারতি ভট্টাচার্য।
Advertisement
• কখনও মঞ্চে, কখনও ক্যামেরার পিছনে, আবার কোনও সময় দুর্গাপুজোর মতো গুরুদায়িত্ব। সবেতেই আপনি হিট! ডায়েট থেকেই এনার্জি পান?
•• এক সময়ে মোগলাই থেকে চাইনিজ সবকিছুই খেতাম। মশলাদার খাবার খুব ভালো লাগত। কলকাতায় যেতাম শুধু যেন খেতে! সিরাজের বিরিয়ানি, নিজামের রোল আগে কিছুই বাদ দিতাম না। তবে এখন খাওয়াদাওয়ায় নিয়ন্ত্রণ করতে হয়েছে। খুব পরিমিত এবং স্বাস্থ্যকর খাবার খাই। ইচ্ছে করলে মাঝেসাঝে বাড়িতে বানানো চাইনিজ বা মোগলাই খাই। তবে সবই ঘড়ির কাঁটা মেনে।
• প্রতিদিন ডায়েটে কী কী থাকে?
•• আমার দিন শুরু হয় এক গ্লাস ঈষদুষ্ণ জল দিয়ে। এরপর সামান্য আদা কুচি এবং নুন দিয়ে ছোলা সেদ্ধ খাই। তারপর কলা, কমলালেবু, পাকা পেঁপে বা অন্য কোনও ফল খাই। কখনও বা ফলের রস। এরপর ব্রেকফাস্টে মাখন বা জ্যাম দিয়ে একটা কি দুটো টোস্ট। সঙ্গে ডিমের হাল্কা কোনও একটা পদ। আর অবশ্যই এক কাপ চা। দুপুরে পুরোপুরি বাঙালি খাবার পছন্দ করি। ভাত, শাক, উচ্ছে বা নিম পাতা, ডাল, মাছের ঝোল। বিকেল পাঁচটার দিকে একটা চিকেন বা চিজ স্যান্ডউইচ খেয়ে নিই। রাত আটটার মধ্যে ডিনার সেরে ফেলি। ডিনারে থাকে রুটি, তরকারি, গ্রিলড বা রোস্টেড চিকেন, স্যুপ। তার একটু পরে গ্রিন টি আর বিস্কুট। ছোটবেলা থেকে রাতে খাওয়ার পর একটু গুড় খাওয়ার অভ্যাস আমার। বাবারও ছিল।
• মায়ের হাতের কোন রান্না আজও মনে পড়ে?
•• মা দারুণ রান্না করতেন। মায়ের হাতের ধোকার ডালনা, মাংস, অমলেট কারি, মিষ্টি পোলাও, ক্ষীর কমলা, পুডিং ছিল অসাধারণ।
• ১৪ ডিসেম্বর জন্মদিন ছিল। কেমন কাটল?
•• যা খেতে চাই, ইরা (স্ত্রী) তা-ই বানিয়ে দেয়। ফিশ ফ্রাই, মিষ্টি পোলাও, কষা মাংস, পায়েস সবকিছু ছিল। ইরা খুব দ্রুত সব ধরনের রান্না করতে পারে। কম তেল-মশলা দিয়ে দুর্দান্ত রান্না করে। ওর হাতের চাইনিজ রেস্তরাঁর থেকেও ভালো।
• মা আর স্ত্রী ভালো কুক। আর আপনি?
•• না, ওটা আমার দ্বারা হয় না। তবে এখন মাঝে মাঝে সকালে চা বানিয়ে ইরাকে খাওয়াই।
• ইন্ডাস্ট্রির বন্ধুদের সঙ্গে আগে জন্মদিন কাটাতেন?
•• রাজ কাপুর আর আমার জন্মদিন একই দিনে। উনি আমাকে আরকে স্টুডিওয় আমন্ত্রণ জানাতেন। দু’জনের জন্মদিন একসঙ্গে সেলিব্রেট করা হতো। রাজ সাহাবের বাড়িতে কৃষ্ণা ভাবীর হাতের রান্না খেয়েছি। অনেক সময় আমার বাড়িতেও জন্মদিনের পার্টি হতো। বিনোদ খান্না, ধর্মেন্দ্র, মুমতাজ, মানিকদা, শক্তি সামন্ত, রাজকুমার সাহাব, সলিল চৌধুরী, সুনীল দত্ত অনেকেই আসতেন। সঞ্জীব কুমার এসে সোজা কিচেনে চলে যেত মাংস খেতে।
• ইন্ডাস্ট্রির কার হাতের রান্নার স্বাদ অতুলনীয়?
•• বেণু (সুপ্রিয়া দেবী) দুর্দান্ত রান্না করত। বেণুর কাছে আমি কিছু না কিছু খাবারের আবদার করতাম।
• এখানে আর কে কে বাঙালি রান্নার প্রতি দুর্বল?
•• রাজ সাহাব বাঙালি রান্নার ভক্ত ছিলেন। একবার অসম থেকে কলকাতা হয়ে মুম্বই ফেরার পথে সুনীল গাভাসকার মিষ্টি দই আনার কথা বলেছিলেন। সুনীল মিষ্টি দইয়ের হাঁড়ি কপিল দেব, করসন ঘাউড়ির হাতে ধরিয়ে দিয়েছিলেন। আমি কপিল দেব, সন্দীপ পাটিলকে মিষ্টি দই খেতে দেখেছি। দিলীপ বেঙ্গসরকর, শচীন তেন্ডুলকর পিয়ারলেস ইন-এ বাঙালি খাবার খেতে আসতেন।
•• এক সময়ে মোগলাই থেকে চাইনিজ সবকিছুই খেতাম। মশলাদার খাবার খুব ভালো লাগত। কলকাতায় যেতাম শুধু যেন খেতে! সিরাজের বিরিয়ানি, নিজামের রোল আগে কিছুই বাদ দিতাম না। তবে এখন খাওয়াদাওয়ায় নিয়ন্ত্রণ করতে হয়েছে। খুব পরিমিত এবং স্বাস্থ্যকর খাবার খাই। ইচ্ছে করলে মাঝেসাঝে বাড়িতে বানানো চাইনিজ বা মোগলাই খাই। তবে সবই ঘড়ির কাঁটা মেনে।
• প্রতিদিন ডায়েটে কী কী থাকে?
•• আমার দিন শুরু হয় এক গ্লাস ঈষদুষ্ণ জল দিয়ে। এরপর সামান্য আদা কুচি এবং নুন দিয়ে ছোলা সেদ্ধ খাই। তারপর কলা, কমলালেবু, পাকা পেঁপে বা অন্য কোনও ফল খাই। কখনও বা ফলের রস। এরপর ব্রেকফাস্টে মাখন বা জ্যাম দিয়ে একটা কি দুটো টোস্ট। সঙ্গে ডিমের হাল্কা কোনও একটা পদ। আর অবশ্যই এক কাপ চা। দুপুরে পুরোপুরি বাঙালি খাবার পছন্দ করি। ভাত, শাক, উচ্ছে বা নিম পাতা, ডাল, মাছের ঝোল। বিকেল পাঁচটার দিকে একটা চিকেন বা চিজ স্যান্ডউইচ খেয়ে নিই। রাত আটটার মধ্যে ডিনার সেরে ফেলি। ডিনারে থাকে রুটি, তরকারি, গ্রিলড বা রোস্টেড চিকেন, স্যুপ। তার একটু পরে গ্রিন টি আর বিস্কুট। ছোটবেলা থেকে রাতে খাওয়ার পর একটু গুড় খাওয়ার অভ্যাস আমার। বাবারও ছিল।
• মায়ের হাতের কোন রান্না আজও মনে পড়ে?
•• মা দারুণ রান্না করতেন। মায়ের হাতের ধোকার ডালনা, মাংস, অমলেট কারি, মিষ্টি পোলাও, ক্ষীর কমলা, পুডিং ছিল অসাধারণ।
• ১৪ ডিসেম্বর জন্মদিন ছিল। কেমন কাটল?
•• যা খেতে চাই, ইরা (স্ত্রী) তা-ই বানিয়ে দেয়। ফিশ ফ্রাই, মিষ্টি পোলাও, কষা মাংস, পায়েস সবকিছু ছিল। ইরা খুব দ্রুত সব ধরনের রান্না করতে পারে। কম তেল-মশলা দিয়ে দুর্দান্ত রান্না করে। ওর হাতের চাইনিজ রেস্তরাঁর থেকেও ভালো।
• মা আর স্ত্রী ভালো কুক। আর আপনি?
•• না, ওটা আমার দ্বারা হয় না। তবে এখন মাঝে মাঝে সকালে চা বানিয়ে ইরাকে খাওয়াই।
• ইন্ডাস্ট্রির বন্ধুদের সঙ্গে আগে জন্মদিন কাটাতেন?
•• রাজ কাপুর আর আমার জন্মদিন একই দিনে। উনি আমাকে আরকে স্টুডিওয় আমন্ত্রণ জানাতেন। দু’জনের জন্মদিন একসঙ্গে সেলিব্রেট করা হতো। রাজ সাহাবের বাড়িতে কৃষ্ণা ভাবীর হাতের রান্না খেয়েছি। অনেক সময় আমার বাড়িতেও জন্মদিনের পার্টি হতো। বিনোদ খান্না, ধর্মেন্দ্র, মুমতাজ, মানিকদা, শক্তি সামন্ত, রাজকুমার সাহাব, সলিল চৌধুরী, সুনীল দত্ত অনেকেই আসতেন। সঞ্জীব কুমার এসে সোজা কিচেনে চলে যেত মাংস খেতে।
• ইন্ডাস্ট্রির কার হাতের রান্নার স্বাদ অতুলনীয়?
•• বেণু (সুপ্রিয়া দেবী) দুর্দান্ত রান্না করত। বেণুর কাছে আমি কিছু না কিছু খাবারের আবদার করতাম।
• এখানে আর কে কে বাঙালি রান্নার প্রতি দুর্বল?
•• রাজ সাহাব বাঙালি রান্নার ভক্ত ছিলেন। একবার অসম থেকে কলকাতা হয়ে মুম্বই ফেরার পথে সুনীল গাভাসকার মিষ্টি দই আনার কথা বলেছিলেন। সুনীল মিষ্টি দইয়ের হাঁড়ি কপিল দেব, করসন ঘাউড়ির হাতে ধরিয়ে দিয়েছিলেন। আমি কপিল দেব, সন্দীপ পাটিলকে মিষ্টি দই খেতে দেখেছি। দিলীপ বেঙ্গসরকর, শচীন তেন্ডুলকর পিয়ারলেস ইন-এ বাঙালি খাবার খেতে আসতেন।



