অভিনেতা সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায় মিষ্টিপ্রিয়। খাবার খান মেপে। তবে কোনও কোনও দিন রুটিন ভাঙেন। খাবারের সাতসতেরো নিয়ে আড্ডা জমালেন তিনি। লিখছেন স্বরলিপি ভট্টাচার্য।
Advertisement
আপনি কি ফুডি?
ফুডি শব্দের মানেটা এক একজনের কাছে এক একরকম। আমার কাছে বেশি খেতে পারা মানেই কিন্তু সে ফুডি নয়। আমার মনে হয় বিভিন্ন ধরনের খাবারের টেস্ট করা এবং সেটা উপভোগ করার ক্ষমতা যদি কারও থাকে, তাহলে তাকে ফুডি বলা যায়। বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে সেখানকার রেসিপি টেস্ট করার প্রবণতা থাকলে তাকেও আমি ফুডি বলি। আমার সেই প্রবণতা রয়েছে।
কোন ধরনের স্বাদ পছন্দ করেন?
আমার মিষ্টি প্রিয়। অল্প বয়সে প্রচুর মিষ্টি খেতাম। এখন আর পারি না। তবে যে সময় যে মিষ্টি, সেটা খাই। যেমন নলেন গুড়ের সময় সন্দেশ, পুলিপিঠের সময় পাটিসাপটা। তার জন্য অন্য খাবার খাই না এবং শরীরচর্চা বাড়িয়ে দিই।
কড়া ডায়েট ফলো করেন?
গত চার বছর ধরে আমি নিরামিষাশী। একটা রুটিন ফলো করি ঠিকই, কিন্তু সেটা খুব কড়া নয়। আবার ধরা যাক, বাড়িতে মা ভালোমন্দ কিছু রেঁধেছে। তখন রুটিন ব্রেক করে সেটা খেয়ে নিই।
মায়ের হাতের কোন রান্না পছন্দ?
মায়ের হাতের খুব সাধারণ রান্নাও ভালো লাগে। স্যালাড দিয়ে লাঞ্চ করি। কিন্তু ওই চারটে টোম্যাটো আর তিনটে পেঁয়াজ, শসা কেটে তৈরি স্যালাড নয়। ঠিকঠাক ইউরোপিয়ান স্যালাড খাই। নিজেই বানাই। তার মধ্যে ধরুন মা কোনওদিন বলল, আজ শিম চচ্চড়ি করেছি বা থোড় রান্না করেছি অথবা আলু ফুলকপির ঝোল রেঁধেছি, সেটাও দারুণ লাগে। আর শীতকাল তো সব্জিরই সময়। সব্জি আর ফলের উপরই আমি বেঁচে থাকি।
কোনও খাবার ছোটবেলার কথা মনে করায়?
আমার দুর্গাপুরে জন্ম এবং বড় হওয়া। সেখানকার পরিবেশ একেবারে আলাদা। সাধারণ চায়ের দোকান যেখানে লোকে গিয়ে আড্ডা মারে, বয়ামে বিস্কুট রাখা থাকে। আমার ছোটবেলায় ওই ধরনের চায়ের দোকানে চাঁদ বিস্কুট পাওয়া যেত। একফালি চাঁদের মতো দেখতে। আর ছোটবেলার ক্রিমরোলও এখন পাই না। এখন ক্রিমরোল অনেক কায়দার। এই দুটো জিনিস আমার খুব কাছের। মা এখনও দুর্গাপুর গেলে ওই দুটো জিনিস পেলে নিয়ে আসেন। তখন একটুকরো ছোটবেলা সামনে চলে আসে। ছোট থেকে বাড়িতে কেক কখনও বাইরে থেকে আসত না। সেই ছোট আভেনে মা কেক বানাতেন। এখনও মায়ের হাতে তৈরি ক্রিসমাস কেক খুবই প্রিয়।
আপনি রান্না করতে পারেন?
সবরকম রান্না ভালোবাসি। একটু কন্টিনেন্টালের দিকেই ঝোঁক। কিন্তু বাঙালি রান্নাও করতে পারি।
দু’জন সহকর্মীর নাম বলুন তো, যাঁদের টক এবং মিষ্টি স্বাদের সঙ্গে মেলাতে পারেন?
(একটু ভেবে) টক হল সন্দীপ্তা সেন। ওর সঙ্গে আমার বন্ধুত্বটাই সেরকম। ফুচকার টক খেলে মুখে একটা আওয়াজ হয় না! সেই অনুভূতিটা ওর বন্ধুত্বে পাই। আর পায়েল দে সবদিক থেকে মিষ্টি। ওর সঙ্গে বহু বছরের বন্ধুত্ব (হাসি)।
কোন খাবার জীবন থেকে বাদ গেলে কষ্ট পাবেন?
আম। খুব ভালোবাসি! কিন্তু সেটাই হয়তো বাদ দিতে হবে (হাসি)। এত ক্যালোরি আছে!
একজন অভিনেতার জন্য ডায়েট কতটা জরুরি?
অভিনেতার অস্ত্র শরীর এবং মন। দুটোকেই ঠিক রাখতে হবে। শরীরে সমস্যা হলে সেটা মনেও প্রভাব ফেলে। ফলে শরীরচর্চা এবং ডায়েটের ব্যালান্স করতে হবে।
ফুডি শব্দের মানেটা এক একজনের কাছে এক একরকম। আমার কাছে বেশি খেতে পারা মানেই কিন্তু সে ফুডি নয়। আমার মনে হয় বিভিন্ন ধরনের খাবারের টেস্ট করা এবং সেটা উপভোগ করার ক্ষমতা যদি কারও থাকে, তাহলে তাকে ফুডি বলা যায়। বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে সেখানকার রেসিপি টেস্ট করার প্রবণতা থাকলে তাকেও আমি ফুডি বলি। আমার সেই প্রবণতা রয়েছে।
কোন ধরনের স্বাদ পছন্দ করেন?
আমার মিষ্টি প্রিয়। অল্প বয়সে প্রচুর মিষ্টি খেতাম। এখন আর পারি না। তবে যে সময় যে মিষ্টি, সেটা খাই। যেমন নলেন গুড়ের সময় সন্দেশ, পুলিপিঠের সময় পাটিসাপটা। তার জন্য অন্য খাবার খাই না এবং শরীরচর্চা বাড়িয়ে দিই।
কড়া ডায়েট ফলো করেন?
গত চার বছর ধরে আমি নিরামিষাশী। একটা রুটিন ফলো করি ঠিকই, কিন্তু সেটা খুব কড়া নয়। আবার ধরা যাক, বাড়িতে মা ভালোমন্দ কিছু রেঁধেছে। তখন রুটিন ব্রেক করে সেটা খেয়ে নিই।
মায়ের হাতের কোন রান্না পছন্দ?
মায়ের হাতের খুব সাধারণ রান্নাও ভালো লাগে। স্যালাড দিয়ে লাঞ্চ করি। কিন্তু ওই চারটে টোম্যাটো আর তিনটে পেঁয়াজ, শসা কেটে তৈরি স্যালাড নয়। ঠিকঠাক ইউরোপিয়ান স্যালাড খাই। নিজেই বানাই। তার মধ্যে ধরুন মা কোনওদিন বলল, আজ শিম চচ্চড়ি করেছি বা থোড় রান্না করেছি অথবা আলু ফুলকপির ঝোল রেঁধেছি, সেটাও দারুণ লাগে। আর শীতকাল তো সব্জিরই সময়। সব্জি আর ফলের উপরই আমি বেঁচে থাকি।
কোনও খাবার ছোটবেলার কথা মনে করায়?
আমার দুর্গাপুরে জন্ম এবং বড় হওয়া। সেখানকার পরিবেশ একেবারে আলাদা। সাধারণ চায়ের দোকান যেখানে লোকে গিয়ে আড্ডা মারে, বয়ামে বিস্কুট রাখা থাকে। আমার ছোটবেলায় ওই ধরনের চায়ের দোকানে চাঁদ বিস্কুট পাওয়া যেত। একফালি চাঁদের মতো দেখতে। আর ছোটবেলার ক্রিমরোলও এখন পাই না। এখন ক্রিমরোল অনেক কায়দার। এই দুটো জিনিস আমার খুব কাছের। মা এখনও দুর্গাপুর গেলে ওই দুটো জিনিস পেলে নিয়ে আসেন। তখন একটুকরো ছোটবেলা সামনে চলে আসে। ছোট থেকে বাড়িতে কেক কখনও বাইরে থেকে আসত না। সেই ছোট আভেনে মা কেক বানাতেন। এখনও মায়ের হাতে তৈরি ক্রিসমাস কেক খুবই প্রিয়।
আপনি রান্না করতে পারেন?
সবরকম রান্না ভালোবাসি। একটু কন্টিনেন্টালের দিকেই ঝোঁক। কিন্তু বাঙালি রান্নাও করতে পারি।
দু’জন সহকর্মীর নাম বলুন তো, যাঁদের টক এবং মিষ্টি স্বাদের সঙ্গে মেলাতে পারেন?
(একটু ভেবে) টক হল সন্দীপ্তা সেন। ওর সঙ্গে আমার বন্ধুত্বটাই সেরকম। ফুচকার টক খেলে মুখে একটা আওয়াজ হয় না! সেই অনুভূতিটা ওর বন্ধুত্বে পাই। আর পায়েল দে সবদিক থেকে মিষ্টি। ওর সঙ্গে বহু বছরের বন্ধুত্ব (হাসি)।
কোন খাবার জীবন থেকে বাদ গেলে কষ্ট পাবেন?
আম। খুব ভালোবাসি! কিন্তু সেটাই হয়তো বাদ দিতে হবে (হাসি)। এত ক্যালোরি আছে!
একজন অভিনেতার জন্য ডায়েট কতটা জরুরি?
অভিনেতার অস্ত্র শরীর এবং মন। দুটোকেই ঠিক রাখতে হবে। শরীরে সমস্যা হলে সেটা মনেও প্রভাব ফেলে। ফলে শরীরচর্চা এবং ডায়েটের ব্যালান্স করতে হবে।



