নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: বড় ছেলের বিয়ে উপলক্ষে বিহারের পৈত্রিক বাড়িতে গিয়েছিলেন সাঁকরাইলের এক পরিবহণ ব্যবসায়ী। বাড়ি পাহারার দায়িত্ব দিয়ে গিয়েছিলেন এক পরিচিত প্রৌঢ়কে। কিন্তু সোমবার সকালে বাড়ি ফিরতেই চক্ষু চড়কগাছ হয় তাঁদের। দেখা যায়, লণ্ডভণ্ড ঘরগুলি থেকে আলমারি ভেঙে সমস্ত সোনা-রুপোর গয়না, টাকা চুরি হয়ে গিয়েছে। সব মিলিয়ে প্রায় ৭০ লক্ষ টাকার সামগ্রী চুরি হয়েছে বলে দাবি পরিবারের। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে সাঁকরাইল থানার পুলিস। সাঁকরাইলের মাশিলা গড়মির্জাপুরের বাসিন্দা মহম্মদ ইমাম বক্স দুই ছেলেকে বাড়িতে রেখে গত ১০ ফেব্রুয়ারি বিহারের সিওয়ানের পৈত্রিক বাড়িতে যান। সেখানে বড় ছেলের বিয়ের অনুষ্ঠান ছিল। পাঁচদিন পর ব্যবসায়ীর দুই ছেলে বাড়ি পাহারার দায়িত্ব স্থানীয় এক প্রৌঢ় প্রবীর বাগের হাতে তুলে দিয়ে বিহারে চলে যান। কিন্তু বাড়ি ফিরে পরিবারটি দেখে, দরজার তালা ভাঙা। প্রতিটি ঘর লণ্ডভণ্ড অবস্থায়। একাধিক আলমারির লকার ভেঙে ফেলা হয়েছে। মোট আটটি আলমারি থেকে প্রায় ৭০০ গ্রাম সোনা, তিন কিলো রুপোর গয়না ও সাড়ে তিন লক্ষ টাকা নগদ উধাও। সব মিলিয়ে চুরি যাওয়া সামগ্রীর অর্থমূল্য প্রায় ৭০ লক্ষ টাকা।
Advertisement
খবর পেয়ে ব্যবসায়ীর বাড়িতে এদিন সকালে আসে সাঁকরাইল থানার পুলিস। ব্যবসায়ী ইমাম সাহেব বলেন, বাড়ি যাতে ফাঁকা না থাকে, সেজন্য দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত এক স্থানীয় বাসিন্দাকে বাড়ি দেখভালের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। রোজ রাতে বাড়ির সীমানার মধ্যেই একটি ঘরে থাকতেন তিনি। লোক থাকা সত্ত্বেও কীভাবে চুরি হলো, বুঝতে পারছি না।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, বাড়ির মূল দরজা সহ ভিতরের ঘরগুলির চাবি প্রবীরবাবুর কাছে দেওয়া ছিল না। শুধুমাত্র মেইন গেটের চাবি ছিল তাঁর কাছে। তাই তিনতলা বাড়ির উপরে কী চলছে, সেটা দেখার কথাও নয় তাঁর। কিন্তু ১৫ ফেব্রুয়ারি রাতেই বাড়ির নীচে শুতে এসে তিনি মূল দরজার তালা নাকি ভাঙা অবস্থায় দেখেন। অথচ এতদিন ভয়ে কাউকেই কিছু জানাননি। প্রবীরবাবু বলেন, রাত ন›টা থেকে ভোর পাঁচটা পর্যন্ত বাড়ির নীচে থাকার কথা ছিল আমার। কিন্তু সন্ধ্যাবেলায় এমন কাণ্ড ঘটবে বুঝতে পারিনি। ভয়ে কাউকে কিছু বলতে পারিনি। বাড়ি পাহারার দায়িত্বে থাকা প্রবীরবাবুকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে সাঁকরাইলের থানার পুলিস। পুলিস জানিয়েছে, বাড়িতে চুরি হয়েছে বুঝতে পেরেও কেন এতদিন তিনি কাউকে কিছু বলেননি, সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, বাড়ির মূল দরজা সহ ভিতরের ঘরগুলির চাবি প্রবীরবাবুর কাছে দেওয়া ছিল না। শুধুমাত্র মেইন গেটের চাবি ছিল তাঁর কাছে। তাই তিনতলা বাড়ির উপরে কী চলছে, সেটা দেখার কথাও নয় তাঁর। কিন্তু ১৫ ফেব্রুয়ারি রাতেই বাড়ির নীচে শুতে এসে তিনি মূল দরজার তালা নাকি ভাঙা অবস্থায় দেখেন। অথচ এতদিন ভয়ে কাউকেই কিছু জানাননি। প্রবীরবাবু বলেন, রাত ন›টা থেকে ভোর পাঁচটা পর্যন্ত বাড়ির নীচে থাকার কথা ছিল আমার। কিন্তু সন্ধ্যাবেলায় এমন কাণ্ড ঘটবে বুঝতে পারিনি। ভয়ে কাউকে কিছু বলতে পারিনি। বাড়ি পাহারার দায়িত্বে থাকা প্রবীরবাবুকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে সাঁকরাইলের থানার পুলিস। পুলিস জানিয়েছে, বাড়িতে চুরি হয়েছে বুঝতে পেরেও কেন এতদিন তিনি কাউকে কিছু বলেননি, সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।



