Bartaman Logo
১৯ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

সেজে উঠছে গঙ্গার পাড়, বারাকপুরে ‘উৎসধারা’ প্রকল্পের কাজ প্রায় শেষ

সেজে উঠছে গঙ্গার পাড়, বারাকপুরে ‘উৎসধারা’ প্রকল্পের কাজ প্রায় শেষ
  • ২৩ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: বারাকপুরে গান্ধীঘাট থেকে মঙ্গল পান্ডে ঘাট পর্যন্ত গঙ্গার পাড় সুন্দরভাবে সেজে উঠছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বপ্নের এই প্রকল্পের নাম উৎসধারা। বছর কয়েক আগে বারাকপুরে প্রশাসনিক বৈঠক করতে এসে এই প্রকল্পের কথা ঘোষণা করেছিলেন তিনি। প্রকল্পটি সম্পূর্ণ হলে গঙ্গার ধারে মনোরম পরিবেশে, সপরিবারে, দিনভর কাটাতে পারবে ভ্রমণপিপাসু বাঙালি। জানা গিয়েছে, এর প্রথম পর্যায়ের কাজ মার্চ মাসের মধ্যে শেষ হতে চলেছে। মোট খরচ হবে ২৪ কোটি টাকা।
Advertisement
গান্ধী ঘাটের দিকে যেতেই স্বদেশি গেট পার করে যে কেউ এখানে যেতে  পারবেন। গঙ্গার পাড়ে হাঁটতে, বসতে পারবেন। কেনাকাটা করতে পারবেন, পছন্দের খাবারও খেতে পারবেন। অনেকটা মিলেনিয়াম পার্ক বা ইকো পার্কের মতো সেজে উঠছে বারাকপুরের গঙ্গার পাড়। টিকিট কাউন্টার থেকে টিকিট কেটে ঢুকলেই দেখা যাবে ৫৫ ফুট উচ্চতার একটি ক্লক টাওয়ার। এছাড়াও থাকবে এগজিবিশন সেন্টার, যেখানে তুলে ধরা হবে বারাকপুরের স্বাধীনতা সংগ্রামীদের ইতিহাস। থাকবে ফুড কোর্ট, হস্তশিল্প সহ বিভিন্ন পণ্যের স্টল। দ্বিতীয় পর্যায়ে থাকবে গান্ধী গেট, শিশুদের জন্য পার্ক, পিকনিক করা বা নিছক আড্ডা দেওয়ার সুব্যবস্থা।
পূর্তদপ্তরের বারাকপুরের এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার ভাস্কর মুখোপাধ্যায় বলেন, এটি পর্যটন দপ্তরের প্রকল্প। পূর্তদপ্তর বাস্তবায়ন করছে। মাঝে করোনার জন্য একটু সময় লেগে গিয়েছে। ২০২৩ সালের জুলাই মাস থেকে কাজ চলছে। প্রথম পর্যায়ের কাজ মার্চ মাসে শেষ হয়ে যাবে। বাকি দু’টি পর্যায়ের কাজ দু’-তিন মাসের মধ্যেই শেষ হয়ে যাবে। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ চলছে। পর্যটকদের কাছে এটি আরেকটি গন্তব্য হয়ে উঠবে বলে আশা করছি। সারাদিন কাটানোর মত আরেকটি জায়গা হতে চলেছে কলকাতার উপকণ্ঠে।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ