Bartaman Logo
১ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

এসআইআর তালিকায় বিচারাধীন, বাধা জমি-বাড়ির রেজিস্ট্রেশনেও

এবার এসআইআরের ধাক্কা সরাসরি জমি-বাড়ি বিক্রির রেজিস্ট্রেশনে! নির্বাচন কমিশনের তরফে প্রকাশিত প্রথম পর্বের চূড়ান্ত তালিকায় যে ৬০ লক্ষ মানুষ বিচারাধীন তালিকায় রয়েছেন, তাঁদের কেউ ক্রেতা বা বিক্রেতা হলে জমি-বাড়ি বিক্রির রেজিস্ট্রেশন করা যাবে না।

এসআইআর তালিকায় বিচারাধীন,  বাধা জমি-বাড়ির রেজিস্ট্রেশনেও
  • ৭ মার্চ, ২০২৬ ০৯:০৩
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: এবার এসআইআরের ধাক্কা সরাসরি জমি-বাড়ি বিক্রির রেজিস্ট্রেশনে! নির্বাচন কমিশনের তরফে প্রকাশিত প্রথম পর্বের চূড়ান্ত তালিকায় যে ৬০ লক্ষ মানুষ বিচারাধীন তালিকায় রয়েছেন, তাঁদের কেউ ক্রেতা বা বিক্রেতা হলে জমি-বাড়ি বিক্রির রেজিস্ট্রেশন করা যাবে না। এমনই ‘নয়া নিয়ম’ চালুর অভিযোগ উঠেছে মালদহের ডিস্ট্রিক্ট সাব রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে। কিন্তু এমন কোনো নিয়ম না থাকায় ডিস্ট্রিক্ট রেজিস্ট্রেশন থেকে এই ঘটনার রিপোর্ট তলব করেছে রাজ্য। 

Advertisement

বৃহস্পতিবার সকালে জমি-বাড়ির রেজিস্ট্রেশন করাতে গিয়ে বিষয়টি জানতে পারেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা। বলা হয়, ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত ভোটার তালিকায় যাঁরা ‘আন্ডার অ্যাডজুডিকেশন’, তাঁরা জমি-বাড়ি বিক্রির রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন না। তাঁদের ভোটার কার্ডও এক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য নয়। এই খবর সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই নড়েচড়ে বসে রাজ্য প্রশাসন। জমি-বাড়ি রেজিস্ট্রেশনের দায়িত্বে রয়েছে রাজ্য অর্থদপ্তরের অধীন ‘ডাইরেক্টরেট অব রেজিস্ট্রেশন অ্যান্ড স্ট্যাম্প ডিউটি’। প্রশাসনিক সূত্রের খবর, ডাইরেক্টরেটের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে এমন কোনো নিয়ম চালু করা হয়নি। মালদহের এই ঘটনা কেন হল এবং বাস্তবটা কী, তা জানতে রিপোর্ট তলব করা হয়েছে। রাজ্যের এক পদস্থ কর্তা জানান, এমন কোনো নিয়ম যেহেতু চালুই করা হয়নি, তাই এমন ঘটনা আটকাতে কোনো বিজ্ঞপ্তি জারিও অকারণ বিভ্রান্তি ছড়াবে। তবে এমন ঘটনার যাতে পুনরাবৃত্তি না হয়, সেদিকেও নজর রাখা হচ্ছে। 
জমি-বাড়ির রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে প্রয়োজন পড়ে ভোটার কার্ড, প্যান কার্ডের মতো নানা নথি। তবে কারও যদি ভোটার কার্ড না থাকে, সেক্ষেত্রে একাধিক বিকল্প নথি রয়েছে, যার ভিত্তিতে রেজিস্ট্রেশনের কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব। ফলে কেন হঠাৎ করে কেন এসআইআরে বিচারাধীন থাকলে রেজিস্ট্রেশন করতে না দেওয়ার বিষয়টি সামনে এল, এখনও বুঝে উঠতে পারছে না রাজ্যস্তরের আধিকারিকরা। অভিজ্ঞ আমলাদের মতে, নির্দিষ্ট কোনো বিজ্ঞপ্তি ছাড়া এমন সিদ্ধান্ত বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসাবে দেখলে হবে না। এই প্রবণতা যাতে রাজ্যের অন্য প্রান্তে ছড়িয়ে না পড়ে, তার বন্দোবস্ত করতে হবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ