মুম্বই, ১৯ জানুয়ারি: সইফ আলি খানের উপর হামলার ঘটনায় থানে থেকে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। আর তারপরেই সামনে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। বলিউড অভিনেতার বাড়িতে ঢুকে তাঁকে ছুরিকাঘাত করা ওই ব্যক্তি আসলে একজন বাংলাদেশি! প্রাথমিক তদন্তের পর এমনটাই অনুমান পুলিসের। তবে তাঁকে জেরা করে আরও তথ্য জানার চেষ্টা চলছে।
Advertisement
রবিবার সকালে একটি সাংবাদিক সম্মেলনে মুম্বই পুলিশের ডিসিপি দীক্ষিত গেদাম জানান, থানে থেকে এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার নাম মহম্মদ শরিফুল ইসলাম। তার কাছ থেকে কোনও ভারতীয় পরিচয়পত্র পাওয়া যায়নি। বরং এমন কিছু জিনিস পাওয়া গিয়েছে, যা থেকে অনুমান করা হচ্ছে সে বাংলাদেশি।
প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিসের ধারণা, গত ৫-৬ মাস আগে অভিযুক্ত মুম্বইয়ে আসে। এখানে সে একটি হাউস কিপিং এজেন্সিতে কাজ করত। মনে করা হচ্ছে, চুরির উদ্দেশ্যেই সে সইফ আলি খানের বাড়িতে ঢুকেছিল। আপাতত সে বাংলাদেশি কিনা, এই তথ্যই আরও স্পষ্ট ভাবে জানতে জোরকদমে জেরা করা হচ্ছে।
পুলিস সূত্রে খবর, হামলার পরেই পাকড়াও হওয়ার ভয়ে একাধিকবার নাম বদল করেছিল অভিযুক্ত। বিজয় দাস নামে সে পুলিসকেও ধোঁকা দেওযার চেষ্টা করে বলে দাবি। তবে, কিছুক্ষণের জেরাতেই বেরিয়ে আসে সত্যি। আপাতত তার মেডিক্যাল পরীক্ষার পর তাকে আদালতে হাজির করিয়ে হেফাজতে চাইতে পারে পুলিস।
প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিসের ধারণা, গত ৫-৬ মাস আগে অভিযুক্ত মুম্বইয়ে আসে। এখানে সে একটি হাউস কিপিং এজেন্সিতে কাজ করত। মনে করা হচ্ছে, চুরির উদ্দেশ্যেই সে সইফ আলি খানের বাড়িতে ঢুকেছিল। আপাতত সে বাংলাদেশি কিনা, এই তথ্যই আরও স্পষ্ট ভাবে জানতে জোরকদমে জেরা করা হচ্ছে।
পুলিস সূত্রে খবর, হামলার পরেই পাকড়াও হওয়ার ভয়ে একাধিকবার নাম বদল করেছিল অভিযুক্ত। বিজয় দাস নামে সে পুলিসকেও ধোঁকা দেওযার চেষ্টা করে বলে দাবি। তবে, কিছুক্ষণের জেরাতেই বেরিয়ে আসে সত্যি। আপাতত তার মেডিক্যাল পরীক্ষার পর তাকে আদালতে হাজির করিয়ে হেফাজতে চাইতে পারে পুলিস।



