নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি ও সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: জেলার ক্রিকেটের পরিকাঠামো খতিয়ে দেখতে শুক্রবার জলপাইগুড়ি ও শিলিগুড়িতে এলেন ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অব বেঙ্গলের সভাপতি স্নেহাশিস গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁর কাছে মাঠ দাবি করেন জলপাইগুড়ি জেলা ক্রীড়া সংস্থার কর্তারা। শহরে বিশ্ববাংলা ক্রীড়াঙ্গনে বর্তমানে সাই সেন্টার রয়েছে। কিন্তু তারা যতটা ব্যবহার করে তার বাইরেও মাঠ রয়েছে সেখানে। ওই মাঠের পাশাপাশি যদি জলপাইগুড়ি আনন্দ চন্দ্র কলেজের মাঠে ক্রিকেটের উপযুক্ত পরিকাঠামো গড়ে দেওয়া হয়, সেক্ষেত্রে তারা ভালোভাবে লিগ চালাতে পারেন বলে জানান জেলা ক্রীড়া সংস্থার কর্তারা। বিষয়টি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলার জন্য সিএবি সভাপতির কাছে আর্জি রাখেন তাঁরা।
এদিকে, জেলায় ক্রিকেটের পরিকাঠামো উন্নয়নে সিএবি চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে জানিয়ে জেলা ক্রীড়া সংস্থার কর্তাদের উদ্দেশে স্নেহাশিস বলেন, আপনারা প্রত্যন্ত এলাকা থেকে ক্রিকেটের প্রতিভা খুঁজে বের করুন। তারপর প্রয়োজনীয় সাহায্য করা হবে। জেলাস্তরে মেয়েদের ক্রিকেটেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তবে ক্রিকেটের জন্য উপযুক্ত মাঠের অভাব থাকার কথা স্বীকার করেন তিনি।
জলপাইগুড়ির পর শিলিগুড়িতে এসে তিনি বলেন, শিলিগুড়ি থেকে আরও ঋদ্ধিমান সাহা পেতে গেলে ক্রিকেটের জন্য আলাদা মাঠ চাই। এদিন সন্ধ্যায় কাঞ্চনজঙ্ঘা স্টেডিয়াম পরিদর্শন করে সিএবির সভাপতি শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেবের সঙ্গে আলোচনা করেন। সেখানে সিএবি সভাপতি বলেন, এখানে এর আগে অনেক বড় খেলা হয়েছে। আমরা জেলায় খেলা বাড়াতে চাইছি। কিন্তু মাঠ সমস্যা হয়ে উঠেছে। জলপাইগুড়ি সহ বেশ কিছু জেলায় এখনও ম্যাটে খেলা হয়। সেখানকার সংগঠকদের টার্ফ উইকেট করতে বলা হয়েছে।
শিলিগুড়ির প্রসঙ্গে তাঁর বক্তব্য, কাঞ্জনজঙ্ঘা স্টেডিয়াম ফুটবলের জন্য তৈরি হয়েছে। তাই শিলিগুড়িতে ক্রিকেটের জন্য আলাদা মাঠ দরকার, যা এখনও নেই। ক্রিকেটের পূর্ণাঙ্গ মাঠ শিলিগুড়িতে হওয়া দরকার। পরিকাঠামো উন্নয়নের খতিয়ে দেখতে শিলিগুড়ি ও জলপাইগুড়িতে আসা।
এদিন মেয়রের সঙ্গে বৈঠক নিয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে সিএবি সভাপতি বলেন, মেয়রের সঙ্গেও ক্রিকেটের মাঠ ও পরিকাঠামো নিয়ে কথা হয়েছে। গতবছর থেকে আবার খেলার সংখ্যা বাড়ছে। এখান থেকে আরও ঋদ্ধিমান পেতে গেলে ক্রিকেটের জন্য নিজস্ব মাঠ থাকতে হবে। নিজস্ব চিত্র