Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

শিলিগুড়িতে ভাতা ছাড়ছেন মেয়র, বাড়ছে কাউন্সিলার ল্যাডের টাকা

শিলিগুড়িতে ভাতা ছাড়ছেন মেয়র, বাড়ছে কাউন্সিলার ল্যাডের টাকা
  • ২ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: এবার বাড়ল শিলিগুড়ি পুরসভার কাউন্সিলার ল্যাডের টাকা। পুরসভা সূত্রে খবর, কাউন্সিলার উন্নয়ন তহবিলের অর্থ ৮ লক্ষ ২০ হাজার থেকে বাড়িয়ে করা হয়েছে ৮ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা। তবে মেয়র, ডেপুটি মেয়র সহ কাউন্সিলারদের ভাতা বাড়েনি। বিগত বামফ্রন্ট জমানোর মতো মাসে তাঁরা একইভাতা পাবেন। মেয়র অবশ্য সেই ভাতা না নেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন। তিনি সেই ভাতা মেয়র ত্রাণ তহবিলে প্রদানের কথা ঘোষণা করেছেন। 

Advertisement

শিলিগুড়ি পুরসভায় কাউন্সিলারের সংখ্যা ৪৭ জন। বিধায়ক ও সাংসদদের মতো এই পুরসভায় কাউন্সিলারের এলাকা উন্নয়ন তহবিল করা হয়েছে। সেই অর্থে কাউন্সিলাররা ওয়ার্ড উৎসব, বুক গ্র্যান্ট, দরিদ্র নাগরিকদের চিকিৎসা, খেলাধুলো, ওয়ার্ড অফিস পরিচালনা সহ ন’টি খাতে ব্যবহার করেন। পুরসভা সূত্রে খবর, ২০২৪-’২৫ অর্থবর্ষে কাউন্সিলাররা এলাকা উন্নয়নের জন্য পেয়েছেন ৮ লক্ষ ২০ হাজার টাকা করে। এবার সংশ্লিষ্ট তহবিলে বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে। চলতি ২০২৫-’২৬ অর্থবর্ষে কাউন্সিলাররা পাবেন ৮ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা করে। 
ডেপুটি মেয়র রঞ্জন সরকার বলেন, বিগত বামফ্রন্ট জমানায় কাউন্সিলারের এলাকা উন্নয়ন তহবিলে অর্থ বরাদ্দের পরিমাণ ছিল ৬ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা। তাও কাউন্সিলাররা নিয়মিত পেতেন না। আমাদের পুরবোর্ড কাউন্সিলার ল্যাডে অর্থ বরাদ্দ অনেকটাই বাড়িয়েছে। অর্থ খরচের খাতের সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে। 
এদিকে, বিগত বছরের মতো এবারও পুরসভার জনপ্রতিনিধিরা পাবেন সাম্মানিক ও অন্যান্য সুবিধা। পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, মেয়রের মাসিক ভাতা ১৮ হাজার টাকা, ডেপুটি মেয়র ও চেয়ারম্যানের মাসিক ভাতা ১৭ হাজার ৫০০ টাকা করে, মেয়র পরিষদ সদস্য ও বিরোধী দলনেতার মাসিক ভাতা ১৬ হাজার ৫০০ টাকা করে। বরো চেয়ারম্যানদের মাসিক ভাতা ১৪ হাজার ১০০ টাকা করে এবং কাউন্সিলারদের ভাতা ১১ হাজার ৮০০ টাকা করে। মেয়র পরিষদ সদস্য, বিরোধী দলনেতা, বরো চেয়ারম্যান ও কাউন্সিলাররা মাসে ৫০০ টাকা করে মোবাইল ফোনের বিল পাবেন। 
এরবাইরে বোর্ড মিটিং অ্যালাউন্স ১২০০ টাকা, বরো মিটিং অ্যালাউন্স ১০০০ টাকা এবং স্ট্যান্ডিং কমিটির মিটিং অ্যালাউন্স ৫০০ টাকা করে প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুরসভা। মেয়র বলেন, পুরসভার কোনওরকম অর্থ গ্রহণ করছি না। মহানাগরিকের জন্য বরাদ্দ অর্থ মেয়র ত্রাণ তহবিলে দেব। এরবাইরে পুরসভার নিজস্ব তহবিল থেকে ১৮ জন প্রাক্তন কাউন্সিলারকে মাসে তিন হাজার টাকা করে চিকিৎসা সংক্রান্ত সহায়তা প্রদান করা হয়। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ