সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: ই-গভর্নেন্সের ক্ষেত্রে ভালো কাজ করেছে। তাই কেন্দ্রীয় সরকারের পুরস্কারের জন্য মনোনীত শ্যামপুর ১ ব্লকের বাণেশ্বরপুর ২ গ্রাম পঞ্চায়েত। প্রশাসন সূত্রে খবর, রাজ্যের মোট ৭টি গ্রাম পঞ্চায়েত কেন্দ্রীয় সরকারের এই পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছে। তার মধ্যে শ্যামপুরের এই গ্রাম পঞ্চায়েতও আছে।
এদিকে, এই পুরস্কারের জন্য মনোনীত হওয়ায় খুশি পঞ্চায়েত ও ব্লক প্রশাসনের কর্তারা। শ্যামপুর ২ ব্লকের বিডিও তন্ময় কার্জি জানান, শ্যামপুর ১ ব্লকের ১০টি গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে এই গ্রাম পঞ্চায়েত ই-গভর্নেন্সে ভালো কাজ করেছে। আগামী দিনে এই পঞ্চায়েত যাতে ভালো কাজ করতে পারে, সেজন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে সরবরকম সহযোগিতা করা হবে বলে জানান বিডিও।
রাজ্য পঞ্চায়েত এবং গ্রামোন্নয়ন দপ্তর ও হাওড়া জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, শ্যামপুর ১ ব্লকের এই গ্রাম পঞ্চায়েত কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন পোর্টালকে কাজে লাগিয়ে ২৮টির বেশি নাগরিক পরিষেবা প্রদান করেছে। এগুলির মধ্যে আছে ট্রেড লাইসেন্স, জন্ম-মৃত্যুর শংসাপত্র প্রদান, কর আদায় সহ একাধিক নাগরিক পরিষেবা। এর পাশাপাশি এলাকার বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের জন্য অনলাইনকে কাজে লাগানো হয়েছে।
গ্রাম পঞ্চায়েত সূত্রে খবর, স্বচ্ছতার জন্য গৃহনির্মাণ প্রকল্প থেকে শুরু করে রাস্তাঘাট নির্মাণ– সব ক্ষেত্রেই জিও ট্যাগিংকে যথাযথ রূপায়ণ করে তারপরেই নির্মাণকারী সংস্থাকে টাকা দেওয়া হয়। অন্যদিকে অযথা হয়রানি বন্ধ করে সামগ্রিকভাবে অনলাইনে নাগরিক পরিষেবা প্রদান করা এবং কাজে স্বচ্ছতা থাকায় খুশি গ্রামবাসীরাও।
এই প্রসঙ্গে বাণেশ্বরপুর ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান লক্ষ্ণী মণ্ডল জানান, আমরা এখন ২৮টি পরিষেবা অনলাইনের মাধ্যমে দিচ্ছি। আগামী দিনে আরও বেশি করে অনলাইনে পরিষেবা দেওয়া এবং ই-গর্ভনেন্সকে আরও শক্তিশালী করা লক্ষ্য আমাদের। এছাড়াও পঞ্চায়তকে পুরোপুরি স্মার্ট পঞ্চায়েতে রূপান্তরিত করাটাও আমাদের অন্যতম লক্ষ্য।