নয়াদিল্লি: হেডিংলের সবুজ পিচ টিম ইন্ডিয়াকে স্বাগত জানাতে তৈরি। কোহলি, রোহিতহীন ভারতীয় ব্যাটারদের চিন মিউজিক শোনাতে চান আর্চার, উডরা। সব ছাপিয়েও শুক্রবার নজর থাকবে শুভমান গিলের দিকে। লাল বলের ক্রিকেটে অধিনায়ক গিলের অভিষেক। তা’ও আবার ইংল্যান্ডের সিমিং উইকেটে। প্রত্যাশার চাপ কীভাবে সামলাবেন তরুণ ভারতীয় অধিনায়ক? লিটমাস টেস্টের আগে গিলের কাঁধে ভরসার হাত রাখছেন শচীন তেন্ডুলকর। মাস্টার ব্লাস্টারের মন্তব্য, ‘ওকে সময় দিতে হবে। ধৈর্য ধরা উচিত।’
ক্রিকেটের কিংবদন্তি শচীন। ম্যারাথন ক্রিকেট কেরিয়ারে ইংল্যান্ডের মাটিতেই পাঁচটি সিরিজে অংশ নিয়েছেন মাস্টার ব্লাস্টার। জাতীয় দলের দায়িত্ব সামাল দেওয়া কতটা কঠিন তা হাড়ে হাড়ে জানেন তিনি। পান থেকে চুন খসলেই মুশকিল। ধেয়ে আসবে সমালোচনা। পারফরম্যান্স নিক্তিতে মাপা হবে। কম্পিউটারের কী-বোর্ডে আঙুল রেখে তৈরি বিশেষজ্ঞরা। অধিনায়কত্ব যেন খালি পায়ে গরম বালির উপর হাঁটা। দল ব্যর্থ হলে কাঠগড়ায় ক্যাপ্টেন। শচীনের পরামর্শ, ‘সব ভুলে শুধু খেলায় ফোকাস করুক গিল। ড্রেসিং-রুমের পরিকল্পনা ঠিকঠাক কাজে প্রয়োগ করাই আসল।’ অধিনায়কের পাশাপাশি ভারতীয় ব্যাটারদের জন্যও নিজেকে উজাড় করে দিলেন মুম্বইকর। নিখুঁত টেকনিক ছাড়া সিমিং উইকেটে ব্যাট করা কঠিন। বলের নড়াচড়া বুঝতে শেষ মুহূর্ত অবধি চোখ রাখতে হয়। শচীনের পরামর্শ, ‘পিচের চরিত্র বুঝে ব্যাট করা প্রয়োজন। নিয়ন্ত্রণ, সংযম, টেকনিক দরকার। আগেভাবে আগ্রাসী বা রক্ষণাত্মক মোডে প্রবেশ করলেই মুশকিল।’
ভারতীয় দলে প্রতিভার অভাব নেই। শচীন মনে করেন, নিজেদের প্রতিভা ঠিকঠাক প্রয়োগ করলে সাফল্য আসবেই। আরও বলেছেন, ‘সারা বিশ্ব চষে বেড়ায় ক্রিকেটাররা। তাই ইংল্যান্ডে ভালো পারফরম্যান্স আশা করাই যায়।’