


ম্যাঞ্চেস্টার: ভারতের প্রথম এগারো বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে অধিনায়ক শুভমান গিল কি অসহায়? তাঁর কি সেই স্বাধীনতা নেই? এমনই প্রশ্ন তুলে দিলেন সুনীল গাভাসকর। অ্যান্ডারসন-তেন্ডুলকর ট্রফির চার টেস্টেই দলের বাইরে রাখা হয়েছে কুলদীপ যাদবকে। চায়নাম্যান স্পিনারকে এভাবে বসিয়ে রাখা মানতে পারছেন না কিংবদন্তি ওপেনার। সম্প্রচারকারী চ্যানেলে সানি বলেছেন, ‘দিনের শেষে দলটা কিন্তু ক্যাপ্টেনেরই। এটা বলা যায় না যে, ক্যাপ্টেন পছন্দের দল পায়নি। কিন্তু এমন হতেই পারে যে শার্দূল ঠাকুরকে খেলাতে চায়নি গিল। ও হয়তো চেয়েছিল কুলদীপকে।’ কিংবদন্তির তোপের লক্ষ্য যে কোচ গৌতম গম্ভীর, তা বুঝতে অসুবিধা হয় না। ওল্ড ট্রাফোর্ডে জো রুটের সেঞ্চুরির পর দল নির্বাচন নিয়ে বিতর্ক বেড়েছে। বরাবরই রুটের বিরুদ্ধে কুলদীপের রেকর্ড ভালো। কিন্তু তিনি ড্রেসিং-রুমে বসেই কাটিয়ে দিলেন পুরো সিরিজ। ক্রিকেট মহলের ধারণা, প্রথম এগারো বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে কোচ গম্ভীরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন। আর তিনি এমন বোলারদেরই পছন্দ করেন, যাঁদের কিছু রান করার ক্ষমতা রয়েছে। গিলের পছন্দ-অপছন্দ তাই মূল্যহীন হয়ে পড়ছে। অথচ, ক্রিকেটে ক্যাপ্টেনই সর্বেসর্বা। কুলদীপকে বসিয়ে রাখা নিয়ে বিস্ফোরক গাভাসকরের মন্তব্য, ‘ওকে দলে রাখা উচিত ছিল গিলের। প্রথম একাদশ তো ক্যাপ্টেনেরই বেছে নেওয়ার কথা। কারণ, দল জিতুক বা হারুক সব দায়দায়িত্বই অধিনায়ককে বহন করতে হয়। তাই সঠিক দল নির্বাচন জরুরি। আমি জানি, অনেক বিষয়ই চাপা থেকে যায়। ড্রেসিং-রুমের তথ্য খুব একটা প্রকাশ্যে আসে না। কিন্তু সত্যিটা হল, দলটা বেছে নেওয়া অধিনায়কেরই দায়িত্ব।’ সানির খেলোয়াড়ি জীবনে কোচের অস্তিত্ব ছিল না। সেই প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘আমাদের সময় এমনটা দেখিনি। সেজন্যই কোচ-ক্যাপ্টেনের কম্বিনেশন মানতে অসুবিধা হয়।’