Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

শীতের শেষেও জমা জলের সমস্যায়  জেরবার পানিহাটি, বাড়ছে অসন্তোষ

শীতের শেষেও জমা জলের সমস্যায়  জেরবার পানিহাটি, বাড়ছে অসন্তোষ
  • ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, বরানগর: শীত আসার আগেই বর্ষা বিদায় নিয়েছিল। কিন্তু আজও জলবন্দি অবস্থা কাটেনি পানিহাটির। রাস্তায় এখনও হাঁটুর নীচে জল। রাস্তা নাকি হাইড্রেন, বোঝা মুশকিল। বাইক ও সাইকেলে যাতায়াতের সময় অনেকে পড়ে জখমও হচ্ছেন। প্রতিনিয়ত জল লেগে স্থানীয় বাসিন্দাদের পায়ে চর্মরোগ হচ্ছে। এই নিয়ে তাঁরা সরবও হয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, সমস্যা সমাধানে পুরসভার কোনও উদ্যোগ নেই। যদিও পুরসভা জানিয়েছে, কেএমডিএর টাকায় নতুন হাইড্রেন তৈরির কাজ হবে। ওই কাজ হলে সমস্যা মিটে যাবে।
Advertisement
পানিহাটি পুরসভার ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্বাচল এলাকার পরিকাঠামো বেহাল বললেও কম বলা হয়। পূর্বাচল বি ব্লকের অবস্থা আরও ভয়াবহ। বর্ষার সময় এই এলাকা কার্যত জলের তলায় থাকে। এলাকার সিংহভাগ রাস্তা ভেঙে গিয়েছে। বহু জায়গায় কাঁচা ড্রেন রয়েছে। পাকা ড্রেন থেকে দীর্ঘদিন ময়লা না তোলায় তা মজে গিয়েছে। এই ওয়ার্ডের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা মহম্মদ কালাচাঁদ রোড। এই রাস্তার উল্টো দিকে উত্তর দমদম পুরসভা। রাস্তাটি দিয়ে বেলঘরিয়া এক্সপ্রেসওয়ে, নিমতা বাসস্ট্যান্ড ও পানিহাটি হাসপাতাল যাওয়া যায়। এই রাস্তায় পণ্ডিত সারদা ব্যানার্জি রোড যেখানে মিশেছে, তা কার্যত ড্রেনের আকার নিয়েছে। ভরা শীতেও রাস্তায় গোড়ালির উপরে জল। সঙ্গে বড় গর্তও রয়েছে। পাশ দিয়ে যাওয়া হাইড্রেনের জলে রাস্তার এই অবস্থা। বর্ষার সময় এই রাস্তায় হাঁটুর উপর জল থাকে।
স্থানীয় বাসিন্দা দেবাশিস মালাকার বলেন, ওই রাস্তার ধারে সিমেন্টের স্ল্যাব রয়েছে। সব সময় জল থাকায় তাতে শ্যাওলা জমে পিচ্ছিল হয়ে গিয়েছে। সেখানে পা দিলেই উল্টে পড়ছেন পথচারীরা। সাইকেল নিয়ে যাওয়ার সময় পড়ে গিয়ে আমার পা ভেঙেছিল। প্রতিদিন কেউ না কেউ ওই নোংরা জলে উল্টে পড়ছেন। স্থানীয় বধূ সুজাতা বিশ্বাস বলেন, সারা বছর নোংরা জলে হাঁটায় পায়ে চর্মরোগ হয়েছে। এলাকার বহু মানুষ এই সমস্যায় ভুগছে। তাও সমস্যা সমাধানে কারও কোনও ভ্রুক্ষেপ নেই। বর্ষা পেরিয়ে শীত চলে গেল। গরম পড়লেও রাস্তা থেকে জল কমছে না। স্থানীয় কাউন্সিলার কাঞ্চন মুখোপাধ্যায় বলেন, হাইড্রেনে ময়লা জমে অবরুদ্ধ হওয়ায় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বর্ষার সময় জল জমে ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি হয়েছিল। কেএমডিএ নতুন হাইড্রেন তৈরির জন্য আর্থিক বরাদ্দ করেছে। ওই কাজ দ্রুত সম্পন্ন হলে সমস্যা মিটবে। এলাকার জল সরাসরি কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ের হাইড্রেনে পড়বে। 
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ