নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: শীতেও থাবা বসাচ্ছে ডেঙ্গু। জলপাইগুড়িতে জানুয়ারি মাসে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছে সাতজন। গত বছরের প্রথম মাসে জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ছিল চার। সেই তুলনায় এবার শুরুতেই আক্রান্ত কিছুটা বেশি। তবে ফেব্রুয়ারিতে এখনও পর্যন্ত নতুন করে কেউ ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়নি। যদিও হাতগুটিয়ে বসে থাকতে নারাজ জেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার জেলাশাসকের কার্যালয়ে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত নানা বিষয় নিয়ে পর্যালোচনা বৈঠক হয়। উপস্থিত ছিলেন জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক অসীম হালদার সহ ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিকরা। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে লাগাতার কর্মসূচি গ্রহণে জোর দেওয়া হয় ওই বৈঠকে। বিশেষ করে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা, বাড়ি বাড়ি সমীক্ষার কাজ ভালোভাবে চালাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জেলা প্রশাসনের তরফে।
Advertisement
বৈঠক শেষে জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক বলেন, চলতি বছরে এখনও পর্যন্ত জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা সাত। স্বাস্থ্যদপ্তর সারাবছরই ডেঙ্গু দমনের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। আরও ভালোভাবে যাতে ওই কাজ করা যায়, এদিন তা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।
অতিরিক্ত জেলাশাসক (সাধারণ) ধীমান বাড়ই বলেন, পতঙ্গবাহিত রোগ, টেলি মেডিসিন, স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলির পরিকাঠামো উন্নয়ন সহ নানা বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। সেইসঙ্গে ডেঙ্গু নিয়েও কথা হয়েছে। জানুয়ারিতে জেলায় কয়েকজন ডেঙ্গু আক্রান্ত হলেও, ফেব্রুয়ারিতে এখনও পর্যন্ত সংখ্যাটা শূন্য। আমরা ডেঙ্গু রোধে বছরের প্রথম থেকেই বিশেষ সজাগ। চা বাগান এলাকার দিকে বিশেষভাবে নজর রাখতে বলা হয়েছে। বাড়ি বাড়ি সার্ভে ও এলাকা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার কাজে কোথাও যাতে গাফিলতি না থাকে, তা দেখতে বলা হয়েছে।
২০২২ সালে জলপাইগুড়িতে ডেঙ্গু মারাত্মক আকার নেয়। সেবছর জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৩৯০৮। ডেঙ্গুতে ওই বছর জেলায় চারজনের মৃত্যুও হয়। কিন্তু তারপর থেকে জেলা প্রশাসনের বিশেষ নজরদারিতে জলপাইগুড়িতে ডেঙ্গুর দাপট অনেকটা কমেছে। ২০২৩ সালে জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৯৯১। গতবছর তা আরও কমে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ায় ৬২৭। শেষ দু’বছরে জেলায় কারও অবশ্য মৃত্যু হয়নি ডেঙ্গুতে। এবার ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা যাতে কোনওভাবে পাঁচশো না ছাড়ায়, সেই টার্গেট বেঁধে দেওয়া হয়েছে জেলা প্রশাসনের তরফে। ওই লক্ষ্যকে সামনে রেখে এখন থেকে স্বাস্থ্যকর্মীদের ঝাঁপাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অতিরিক্ত জেলাশাসক (সাধারণ) ধীমান বাড়ই বলেন, পতঙ্গবাহিত রোগ, টেলি মেডিসিন, স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলির পরিকাঠামো উন্নয়ন সহ নানা বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। সেইসঙ্গে ডেঙ্গু নিয়েও কথা হয়েছে। জানুয়ারিতে জেলায় কয়েকজন ডেঙ্গু আক্রান্ত হলেও, ফেব্রুয়ারিতে এখনও পর্যন্ত সংখ্যাটা শূন্য। আমরা ডেঙ্গু রোধে বছরের প্রথম থেকেই বিশেষ সজাগ। চা বাগান এলাকার দিকে বিশেষভাবে নজর রাখতে বলা হয়েছে। বাড়ি বাড়ি সার্ভে ও এলাকা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার কাজে কোথাও যাতে গাফিলতি না থাকে, তা দেখতে বলা হয়েছে।
২০২২ সালে জলপাইগুড়িতে ডেঙ্গু মারাত্মক আকার নেয়। সেবছর জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৩৯০৮। ডেঙ্গুতে ওই বছর জেলায় চারজনের মৃত্যুও হয়। কিন্তু তারপর থেকে জেলা প্রশাসনের বিশেষ নজরদারিতে জলপাইগুড়িতে ডেঙ্গুর দাপট অনেকটা কমেছে। ২০২৩ সালে জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৯৯১। গতবছর তা আরও কমে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ায় ৬২৭। শেষ দু’বছরে জেলায় কারও অবশ্য মৃত্যু হয়নি ডেঙ্গুতে। এবার ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা যাতে কোনওভাবে পাঁচশো না ছাড়ায়, সেই টার্গেট বেঁধে দেওয়া হয়েছে জেলা প্রশাসনের তরফে। ওই লক্ষ্যকে সামনে রেখে এখন থেকে স্বাস্থ্যকর্মীদের ঝাঁপাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।



