মুম্বই: নিছক শটের ফুলঝুরি নয়, এ যেন ছক্কার সুনামি! আরব সাগরের পাড়ে রবিবার অভিষেক শর্মার মারমার কাটকাট ইনিংসের সামনে কার্যত উড়ে গেল ইংল্যান্ড। ৩৭ বলে এই ফরম্যাটে দেশের হয়ে বাঁ-হাতি ওপেনার দ্বিতীয় সেঞ্চুরি হাঁকালেন। সেটাই হয়ে দাঁড়াল ৫৪ বলে ১৩৫ রানের ধুমধাড়াক্কা। ‘গুরু’ যুবরাজ সিংকে মনে করিয়ে দিয়ে মারলেন ১৩টি ছক্কা ও সাতটি চার। স্ট্রাইক রেট ‘মাত্র’ ২৫০। আর অভিষেকের অবিশ্বাস্য ইনিংসের সুবাদেই ওয়াংখেড়েতে জস বাটলারের দলকে ১৫০ রানের মস্তবড় ব্যবধানে দুরমুশ করল টিম ইন্ডিয়া। রানের বিচারে যা ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম জয়। ২৪৮ তাড়া করতে নেমে ১০.৩ ওভারেই দাঁড়ি পড়ে সফরকারী দলের ইনিংসে। একশোও পেরতে পারেননি ‘বাজবল’ খ্যাত ব্রেন্ডন ম্যাকালামের শিষ্যরা, তাদের সংগ্রহ মাত্র ৯৭!
Advertisement
অভিষেকের মারকাটারি ইনিংস অবশ্য তিনশোর স্বপ্ন দেখিয়েছিল। তা অবশ্য হয়নি। এমনকী, আড়াইশোও পৌঁছয়নি স্কোর। শেষ পর্যন্ত ৯ উইকেটে ২৪৭ রানে থামে টিম ইন্ডিয়া। ওয়াংখেড়েতে যা রেকর্ড। তবে সেটাই ইংল্যান্ডকে চুরমার করার পক্ষে যথেষ্ট হয়ে ওঠে। পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ভারত জিতল ৪-১ ব্যবধানে। আর এই জয়ে ব্যাটে সেঞ্চুরির পর বোলিংয়েও অবদান থাকল অভিষেকের। বাঁ-হাতি স্পিনার মাত্র এক ওভার হাত ঘুরিয়েই নিলেন ২ উইকেট। ইংরেজ বধে তিনি যে একাই একশো!
তবে ভারতের এই সাফল্যে ব্যাট হাতে কোনও ভূমিকাই রইল না অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ও সঞ্জু স্যামসনের। সঞ্জু (১৬) ফের শর্টপিচ ডেলিভারিতে ব্যাট চালিয়ে ব্যাকওয়ার্ড স্কোয়ার লেগে তোলেন ক্যাচ। পাঁচ ইনিংসে তাঁর মোট রান ৫১। ঘরের মাঠে সূর্য (২) আবার ক্যাচ তুললেন গগনে। পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ‘স্কাই’ করলেন মাত্র ২৮ রান। এদিন রান পাননি হার্দিক পান্ডিয়া (৯), রিঙ্কু সিং (৯)-ও। শিবম দুবে (৩০) এবং তিলক ভার্মা (২৪) যদিও বড় ইনিংসের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু আগ্রাসনের হাওয়ায় গা ভাসিয়ে ফেরেন তাঁরা।
আর এখানেই ব্যতিক্রম অভিষেক। টি-২০ ফরম্যাটে ভারতীয় হিসেবে সর্বাধিক রানের রেকর্ড গড়লেন তিনি। ২০২৩ সালে আমেদাবাদে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে শুভমান গিলের অপরাজিত ১২৬ রানকে টপকে গেলেন তিনি। একসময় মনে হচ্ছিল এই ঘরানায় রোহিত শর্মার ৩৭ বলে শতরানের ভারতীয় রেকর্ডও ভাঙতে চলেছে। তা না হলেও ২৪ বছর বয়সি শটের প্রদর্শনীতে মাতান গ্যালারি। হেলায় একের পর এক ছক্কা মারেন তিনি। মনে হচ্ছিল এ যেন ‘বাঁ হাতের’ খেল! কিছুদিন আগেও ক্রমাগত ব্যর্থতায় দলে তাঁর জায়গা নিয়ে তৈরি হয়েছিল সংশয়। সেই সময় অবশ্য টিম ম্যানেজমেন্টকে পাশে পেয়েছিলেন তিনি। এই সিরিজে সেই আস্থারই মর্যাদা দিলেন অভিষেক।
ওভারপ্রতি ১২’র বেশি রান তাড়া করা কুড়ি ওভারের ক্রিকেটে প্রায় অসম্ভব। পাওয়ার প্লে’র মধ্যে তিন উইকেট পড়ার পর ইংল্যান্ডের কাজটা আরও কঠিন হয়ে ওঠে। ভারতীয় স্পিনারদের সামনে আরও একবার নাজেহাল দেখায় বাটলারদের। বরুণ চক্রবর্তী (২-২৫), রবি বিষ্ণোই (১-৯) তো বটেই, উইকেট নেন অভিষেকও (২-৩)। শিবম দুবে (২-১১) আবার বল হাতে পুনের ‘কনকাসন সাব’ হর্ষিত রানাকে মনে করান। ভারতের সফলতম বোলার অবশ্য মহম্মদ সামি (৩-২৫)।
সংক্ষিপ্ত স্কোর: ভারত ২৪৭-৯ (অভিষেক ১৩৫, কার্স ৩-৩৮)। ইংল্যান্ড ১০.৩ ওভারে ৯৭ (সল্ট ৫৫, সামি ৩-২৫)।
(ভারত ১৫০ রানে জয়ী।)
তবে ভারতের এই সাফল্যে ব্যাট হাতে কোনও ভূমিকাই রইল না অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ও সঞ্জু স্যামসনের। সঞ্জু (১৬) ফের শর্টপিচ ডেলিভারিতে ব্যাট চালিয়ে ব্যাকওয়ার্ড স্কোয়ার লেগে তোলেন ক্যাচ। পাঁচ ইনিংসে তাঁর মোট রান ৫১। ঘরের মাঠে সূর্য (২) আবার ক্যাচ তুললেন গগনে। পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ‘স্কাই’ করলেন মাত্র ২৮ রান। এদিন রান পাননি হার্দিক পান্ডিয়া (৯), রিঙ্কু সিং (৯)-ও। শিবম দুবে (৩০) এবং তিলক ভার্মা (২৪) যদিও বড় ইনিংসের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু আগ্রাসনের হাওয়ায় গা ভাসিয়ে ফেরেন তাঁরা।
আর এখানেই ব্যতিক্রম অভিষেক। টি-২০ ফরম্যাটে ভারতীয় হিসেবে সর্বাধিক রানের রেকর্ড গড়লেন তিনি। ২০২৩ সালে আমেদাবাদে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে শুভমান গিলের অপরাজিত ১২৬ রানকে টপকে গেলেন তিনি। একসময় মনে হচ্ছিল এই ঘরানায় রোহিত শর্মার ৩৭ বলে শতরানের ভারতীয় রেকর্ডও ভাঙতে চলেছে। তা না হলেও ২৪ বছর বয়সি শটের প্রদর্শনীতে মাতান গ্যালারি। হেলায় একের পর এক ছক্কা মারেন তিনি। মনে হচ্ছিল এ যেন ‘বাঁ হাতের’ খেল! কিছুদিন আগেও ক্রমাগত ব্যর্থতায় দলে তাঁর জায়গা নিয়ে তৈরি হয়েছিল সংশয়। সেই সময় অবশ্য টিম ম্যানেজমেন্টকে পাশে পেয়েছিলেন তিনি। এই সিরিজে সেই আস্থারই মর্যাদা দিলেন অভিষেক।
ওভারপ্রতি ১২’র বেশি রান তাড়া করা কুড়ি ওভারের ক্রিকেটে প্রায় অসম্ভব। পাওয়ার প্লে’র মধ্যে তিন উইকেট পড়ার পর ইংল্যান্ডের কাজটা আরও কঠিন হয়ে ওঠে। ভারতীয় স্পিনারদের সামনে আরও একবার নাজেহাল দেখায় বাটলারদের। বরুণ চক্রবর্তী (২-২৫), রবি বিষ্ণোই (১-৯) তো বটেই, উইকেট নেন অভিষেকও (২-৩)। শিবম দুবে (২-১১) আবার বল হাতে পুনের ‘কনকাসন সাব’ হর্ষিত রানাকে মনে করান। ভারতের সফলতম বোলার অবশ্য মহম্মদ সামি (৩-২৫)।
সংক্ষিপ্ত স্কোর: ভারত ২৪৭-৯ (অভিষেক ১৩৫, কার্স ৩-৩৮)। ইংল্যান্ড ১০.৩ ওভারে ৯৭ (সল্ট ৫৫, সামি ৩-২৫)।
(ভারত ১৫০ রানে জয়ী।)



