সংবাদদাতা, কাটোয়া: তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলে শুক্রবার ও শনিবার মঙ্গলকোটে দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়ায়। বেশ কয়েকজন তৃণমূল নেতা-কর্মীর বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়। এমনকী, এক অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষকের বাড়িতেও হামলা চালানো হয়। মেরে তাঁর মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় আতঙ্কিত বাসিন্দারা।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাত ১০টা নাগাদ ক্ষীরগ্রামের প্রাক্তন প্রধান অভিজিৎ সামন্তর বাড়িতে প্রথম হামলা হয়। অভিযোগ, বিধায়ক ঘনিষ্ঠ অঞ্চল সভাপতির কয়েকজন অনুগামী তাঁর বাড়িতে যায়। তাঁর দরজায় লাথি মারা হয়। জানলার কাচ ভাঙা হয়। ব্যাপক গালিগালাজ করা হয়। গ্রামের আর এক তৃণমূল কর্মী সনৎ যশের বাড়িতেও একই ঘটনা ঘটে। এদিন অভিজিৎবাবু বলেন, আমি ২০১৩-’১৮ পর্যন্ত ক্ষীরগ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান ছিলাম। তারপর ২০২৩ সাল পর্যন্ত প্রধান পদে ছিলাম। এর আগে জেলা সভাধিপতির একটি অনুষ্ঠানে যাওয়ায় কয়েকজন দুষ্কৃতী আমার বাড়িতে হামলা চালিয়েছিল। তারপর থেকে আমি নিজেকে কিছুটা দূরে সরিয়ে রেখেছিলাম। তারপরেও এমন ঘটনা ঘটল।
শনিবার সকালে লাখুরিয়া অঞ্চলের কল্যাণপুর গ্রামের বাসিন্দা তৃণমূল কর্মী আব্দুস সামাদের উপরেও হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে। ওই অঞ্চলের তৃণমূল সভাপতির নেতৃত্বে সামাদ সাহেবকে জমিতে লাঠি দিয়ে মারধর করা হয়। সামাদ সাহেবের মাথা ফাটে। মঙ্গলকোট গ্রামীণ হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা করানো হয়। সামাদ সাহেব বলেন, আমি সভাধিপতির অনুষ্ঠানে গিয়েছিলাম। তাই আমার উপরেও চড়াও হয়।
জেলা পরিষদের সভাধিপতি শ্যামাপ্রসন্ন লোহার বলেন, শুক্রবার রাত থেকেই মঙ্গলকোটের বিভিন্ন অঞ্চলে কয়েকজন তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে হামলা চালানোর খবর আসছে। মারধর করারও খবর পাচ্ছি। কেন এসব করা হচ্ছে জানি না। মঙ্গলকোটের তৃণমূল বিধায়ক অপূর্ব চৌধুরী বলেন, আমাদের দলে কোনও দ্বন্দ্ব নেই। যাদের উপর হামলা হচ্ছে তারা পুলিসকে জানাক। আইন আইনের পথেই চলবে।
শনিবার সকালে লাখুরিয়া অঞ্চলের কল্যাণপুর গ্রামের বাসিন্দা তৃণমূল কর্মী আব্দুস সামাদের উপরেও হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে। ওই অঞ্চলের তৃণমূল সভাপতির নেতৃত্বে সামাদ সাহেবকে জমিতে লাঠি দিয়ে মারধর করা হয়। সামাদ সাহেবের মাথা ফাটে। মঙ্গলকোট গ্রামীণ হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা করানো হয়। সামাদ সাহেব বলেন, আমি সভাধিপতির অনুষ্ঠানে গিয়েছিলাম। তাই আমার উপরেও চড়াও হয়।
জেলা পরিষদের সভাধিপতি শ্যামাপ্রসন্ন লোহার বলেন, শুক্রবার রাত থেকেই মঙ্গলকোটের বিভিন্ন অঞ্চলে কয়েকজন তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে হামলা চালানোর খবর আসছে। মারধর করারও খবর পাচ্ছি। কেন এসব করা হচ্ছে জানি না। মঙ্গলকোটের তৃণমূল বিধায়ক অপূর্ব চৌধুরী বলেন, আমাদের দলে কোনও দ্বন্দ্ব নেই। যাদের উপর হামলা হচ্ছে তারা পুলিসকে জানাক। আইন আইনের পথেই চলবে।



